কুরআনি চিকিৎসালয় কেউ হেল্প করেন?
কোনো ভালো হুজুর এর নাম বা নাম্বার দিতে পারবেন কেউ?
হুজুর বলতে যে কুরআন দ্বারা চিকিৎসা করে যেমন বান ছুটানো, রোগের চিকিৎসা, ঝাড়পুক ইত্যাদি
1 Answers
জাদু ও বদ-নজর চিকিৎসা কোরআন ও হাদিসের আলোকে -
ইমাম ইবনুল ক্বাইয়েম বলেন, যাদু-টোনা ইত্যাদির ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপকারী চিকিৎসা হল এলাহী চিকিৎসা। বরং প্রকৃতপক্ষে তাই হল, আসল উপকারী চিকিৎসা। তম্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:-
জাদুকৃত ব্যাক্তির চিকিৎসা-
১) প্রথম পন্থ : যে সমস্ত বস্তু দ্বারা যাদু করা হয়েছে তা সম্ভব হলে বের করা এবং নষ্ট করে ফেলা।
২) দ্বিতীয় পন্থা হচ্ছে: শরীয়ত সম্মত ঝাড়-ফুঁক। মহামান্য শায়খ ইবনু বায (র:) বলেন, যাদু থেকে মুক্তির জন্য নিম্ন লিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করা যায়: সাতটি কাঁচা কুল (বরই) পাতা নিয়ে বেটে একটি পাত্রে রাখবে এবং তাতে পানি মিশ্রিত করবে। পানি এমন পরিমাণ হওয়া চাই যা দ্বারা গোসল করা সম্ভব হয়। এরপর উক্ত পানিতে কুরআনের এ আয়াতগুলো পড়ে ফুঁক দিবে: আয়াতাল কুরসী, সূরা ইখলাছ, সূরা ফালাক, সূরা নাস, সূরা আরাফের (১১৭ থেকে ১২২) নং আয়াত, সূরা ইউনুসের (৭৯ থেকে ৮২) নং আয়াত এবং সূরা ত্বায়াহার (৬৫ থেকে ৭০) নং আয়াত। তারপর উক্ত পানি থেকে কিছু পানি রুগীকে পান করাবে এবং অবশিষ্ট দ্বারা তাকে গোসল করাবে। ইনশাআল্লাহ্ এদ্বারা যাদু কেটে যাবে।
যদি প্রয়োজন দেখা দেয় তবে উক্ত পদ্ধতী দু’বার বা ততোধিক ব্যবহার করতে পারে। (বহুবার এপদ্ধতী পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আল্লাহ্ তা দ্বারা উপকার দান করেছেন।)
যাদু সহ সকল প্রকার বালা-মুছিবতের সবচেয়ে উপকারী চিকিৎসা হল, খাঁটিভাবে আল্লাহ্র কাছে তওবা ও বেশী বেশী ইস্তেগফার করা। কেননা পাপাচারই হল সকল মুছিবতের প্রধান কারণ। আর তওবাই হল তার প্রধান ঔষধ।
বদ-নজরের চিকিৎসা -
প্রথমত: কোন ব্যক্তির নযর লেগেছে তা যদি জানা যায়, তবে তাকে ওযু করতে বলতে হবে। অতঃপর উক্ত ওযুর পানি দ্বারা বদনযরে আক্রান্ত ব্যক্তিকে গোসল করাতে হবে। (ছহীহ মুসলিম)
দ্বিতীয়ত: যদি তাকে জানা না যায়, তবে নিম্নলিখিত আয়াত ও দু’আ সমূহ পড়ে বদনযরে আক্রান্ত ব্যক্তিকে ঝাড়-ফুঁক করবে:
ক) সূরা ফাতিহা,
খ) আয়াতুল কুরসী (সূরা বাক্বারার ২৫৫নং আয়াত)
গ) সূরা বাক্বারার শেষের দুটি আয়াত (২৮৫ ও ২৮৬ নং আয়াত),
ঘ) সূরা ইখলাছ,
ঙ) সূরা ফালাক,
চ) সূরা নাস,
ছ) এই দু’আটি
بِسْمِ اللهِ أرْقِيْكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيْكَ وَمِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أوْ عَيْنٍ حاَسِدٍ اللهُ يَشْفِيْكَ بِسْمِ اللهِ أرْقِيْكَ
“আমি আল্লাহর নাম নিয়ে তোমাকে ঝাড়-ফুঁক করছি- তোমাকে কষ্টদানকারী সকল বস্তু হতে, এবং প্রত্যেক ব্যক্তির অথবা হিংসুক ব্যক্তির নযরের অনিষ্ট থেকে। আল্লাহ্ তোমাকে আরোগ্য দান করুন। আল্লাহর নাম নিয়ে তোমাকে ঝাড়-ফুঁক করছি।” (বুখারী ও মুসলিম)
জ) এই দু’আটি
أعُوذُ بِكَلِماَتِ اللهِ التاَّمَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطاَنٍ وَهاَمَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لاَمَّةٍ
“আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণী সমূহের মাধ্যমে আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি সকল প্রকার শয়তান থেকে, বিষধর প্রাণীর অনিষ্ট থেকে এবং সকল প্রকার বদনযর থেকে।” (বুখারী)
ঝ) এই দু’আটি
بِسْمِ اللهِ يُبْرِيْكَ ومِنْ كُلِّ داَءٍ يَشْفِيْكَ، ومِنْ شَرِّ حاِسِدٍ إذاَ حَسَدَ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ ذِيْ عَيْنٍ
“আল্লাহর নামে শুরু করছি, তিনি তোমাকে মুক্ত করুন, প্রত্যেক অসুখ থেকে আরোগ্য দান করুন, প্রত্যেক হিংসুকের হিংসা থেকে এবং প্রত্যেক বদনযরের অনিষ্ট থেকে (মুক্ত করুন)। (মুসলিম)
জিনে ধরার চিকিৎসা -
ক) সূরা ফাতিহা, খ) আয়াতাল কুরসী, গ) সূরা বাক্বারার শেষের দুটি আয়াত, ঘ) সূরা ইখলাছ, ঙ) সূরা ফালাক, চ) সূরা নাস ইত্যাদি পাঠ করে জিনে ধরা ব্যক্তিকে ফুঁ দিবে। এরূপ তিনবার বা ততোধিকবার করবে।
#ওয়াস্ওয়াসা_বা_কুমন্ত্রনার_চিকিৎসা:
১) আঊযুবিল্লাহ্… পাঠের মাধ্যমে শয়তান এবং তার কুমন্ত্রনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করবে। ২) সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করবে। ৩) আল্লাহ্ তায়ালার যিকির করবে। কেননা তা হচ্ছে ওয়াস্ওয়াসা দুর করার সর্বাধিক উপকারী চিকিৎসা। ৪) মনের কুচিন্তা বা ওয়াস্ওয়াসার দিকে দৃষ্টিপাত না করে তার প্রতি কোন গুরুত্ব দিবে না। মনে যে সমস্ত কুচিন্তা বা ওয়াস্ওয়াসার উদ্রেক হয় সে সম্পর্কে মুসলিম ব্যক্তি জিজ্ঞাসিত হবে না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “মানুষের অন্তরে যে সমস্ত কুচিন্তা জাগ্রত হয় আল্লাহ্ তা আমার উম্মত থেকে ক্ষমা করে দিয়েছেন, যতক্ষন তারা তা মুখে উচ্চারণ না করবে বা কর্মে বাস্তবায়ন না করবে।” (বুখারী ও মুসলিম)
#জখম_বা_ফোঁড়ার_চিকিৎসা:
ইমাম নবুবী বলেন, তর্জনী আঙ্গুলে থুথু লাগাবে তারপর তা দ্বারা মাটি স্পর্শ করবে এবং সেই মাটি জখম বা ফোঁড়ার স্থানে লাগাবে ও সে সময় এই দু’আ পাঠ করবে:
بِسْمِ الله، تُرْبَةُ أرْضِناَ بِرِيْقَةِ بَعْضِناَ، يُشْفَى سَقِيْمُناَ بإذْنِ رَبِّناَ
“আল্লাহর নামে, আমাদের যমীনের কিছু মাটি, আমাদের একজনের থুথুর দ্বারা আমাদের রবের অনুমতিতে আমাদের রুগীর আরোগ্য হবে।” (বুখারী)
*বিষধর প্রাণী বা সাপে কাটলে চিকিৎসা:
বারবার সূরা ফাতিহা পড়ে রুগীকে ঝাড়-ফুঁক করবে। আরবের জনৈক ব্যক্তিকে সাপে কাটলে ছাহাবী আবূ সাঈদ খুদরী (রা:) সূরা ফাতিহা দ্বারা তার চিকিৎসা করেছিলেন এবং নবী তা সমর্থন করেছিলেন। (বুখারী)
*জ্বরের চিকিৎসা:
রুগীর মাথায় পানি ঢালবেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “জ্বর জাহান্নামের উত্তাপ থেকে। একে তোমরা পানি দ্বারা ঠান্ডা কর।” (বুখারী)
*ব্যাথা-বেদনায় চিকিৎসা:
শরীরের যে স্থানে ব্যাথা অনুভূত হয় সেখানে হাত রেখে তিনবার “বিসমিল্লাহ্” বলবেন। তারপর এই দু‘আ পড়বেন সাতবার:
أعُوْذُ بِعِزَّةِ اللهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ ماَ أجِدُ وَاُحاَذِرُ
“আল্লাহর ইজ্জত ও ক্ষমতার উসীলায় যে ব্যাথা আমি অনুভব করছি এবং যা ভয় করছি তার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।” (মুসলিম)
*বিপদ ও দুশ্চিন্তা দুর করার চিকিৎসা
১) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনও দুঃশ্চিন্তা বা পেরেশানী বা বিপদ অনুভব করলে এ দু‘আ পাঠ করতেন:
لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ رَبُّ السَّمَوَاتِ وَرَبُّ الْأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ
১) ‘লাইলাহা ইল্লাল্লাহুল আযীমুল হালীমু লাইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুল আরশিল আযীম, লাইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুস্ সামাওয়াতি ওয়া রাব্বুল আরযি ওয়া রাব্বুল আরশিল কারীম।’ (বুখারী)
لا إِلَهَ إِلّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
২) ‘লাইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্যালেমীন। (তিরমিযী)
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ
৩) আল্লাহুম্মা ইন্নী আঊযুবিকা মিনাল্ হাম্মি ওয়াল্ হুযনি ওয়া আঊযুবিকা মিনাল জুবনী ওয়াল বুখ্লি ওয়া আঊযুবিকা মিন গালাবাতিদ্ দায়নি ওয়া কাহর্রি রিজাল। (বুখারী)
*****সন্তান_প্রসবের_ক্ষেত্রে_জটিলতা_দেখা_দিলে:
এই আয়াতগুলো পাঠ করে মহিলার উপর ফুঁক দিবে: ১) সূরা রা‘দের ৮নং আয়াত ২) সূরা ফাতির ১১ নং আয়াত ৩) সূরা নাহাল ৮৭নং আয়াত এবং ৪) সূরা যিলযাল।
শায়খ ইবনু ঊছাইমীন (রহ:) বলেন, ‘গর্ভবতীর সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে কষ্টের সময় এসমস্ত আয়াত পড়ার মাধ্যমে আল্লাহ্ অনেকের উপকার দান করেছেন। একজন মহিলা এআয়াতগুলো পাঠ করে সন্তান প্রসবীনীর উপর ফুঁক দিবে। অথবা যে কোন লোক তা পাঠ করে পানিতে ফুঁক দিবে। তারপর সে পানি গর্ভবতীকে পান করাবে এবং তা দিয়ে তার পেট মালিশ করবে।’
******যে_কোন_রোগের_চিকিৎসায়:
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, কোন ব্যক্তি যদি এমন রুগীকে দেখতে যায়, যার মৃত্যু সমাগত হয়নি; তারপর তার নিকট নিম্ন লিখিত দু’আটি পাঠ করে, তবে আল্লাহ্ তাকে আরোগ্য দান করবেন। দু’আটি এই:
(أسْألُ اللهَ الْعَظيْمَ رَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ أنْ يَشْفِيَكَ)
“আমি সুমহান আল্লাহর কাছে- সুবিশাল আরশের প্রভুর কাছে প্রার্থনা করছি, তিনি আপনাকে আরোগ্য দান করুন। (আবু দাঊদ ও তিরমিযী, হাদীছটির সনদ উত্তম)
*****মধু_দ্বারা_চিকিৎসা:
আল্লাহ্ তায়ালা মধুর উপকারীতা বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন,
يَخْرُجُ مِنْ بُطُونِهَا شَرَابٌ مُخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاءٌ لِلنَّاسِ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَةً لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ
“মৌমাছির পেট থেকে বিভিন্ন রঙের সুস্বাদু পানীয় বের হয়। এতে রয়েছে মানুষের জন্য আরোগ্য। নিশ্চয় এর মধ্যে রয়েছে চিন্তাশীল জাতির জন্য নির্দশন।” (সূরা নাহাল- ৬৯)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তিনটি বস্তুর মধ্যে আরোগ্য রয়েছে: ১) মধু পানে ২) শিঙ্গা লাগানোতে এবং ৩) লোহা পুড়িয়ে তা দিয়ে দাগ লাগানো দ্বারা। তবে আমার উম্মতকে দাগ লাগাতে নিষেধ করছি। (বুখারী ও মুসলিম)
*******যমযম_পানি_দ্বারা_চিকিৎসা:
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবু যর (রা:)কে বলেন, যখন কিনা তিনি যমযম পানি ছাড়া অন্য কোন খাদ্য পাননি: “নিশ্চয় এ পানি খাদ্য হিসেবে উপযুক্ত খাদ্য।” তিনি আরো বলেন, “যে উদ্দেশ্যে যমযম পানি পান করা হয় তা পূরণ হয়।” (সুনান ইবনু মাজাহ্)
★★★কালো_জিরা_দ্বারা_চিকিৎসা:
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমরা অবশ্যই এই কালো জিরা ব্যবহার করবে; কেননা মৃত্যু ছাড়া এতে সকল রোগের ঔষধ রয়েছে।” (বুখারী)
শরীয়ত সম্মত ঝাড়-ফুঁক এবং জ্যোতির্বিদ্যা, যাদু ও গণনা ইত্যাদির মধ্যে পার্থক্য করার উপায়ঃ
যে ব্যক্তি জ্যোতির্বিদ্যা, যাদু ও গণনা ইত্যাদির মাধ্যমে চিকিৎসা করে তার পরিচয় হল,
১) সে রুগী এবং তার বাবা-মার নাম জিজ্ঞেস করবে।
২) রুগীর কোন বস্তু যেমন: টুপি বা কাপড় বা চুল ইত্যাদি তলব করবে।
৩) নির্দিষ্ট কোন বৈশিষ্টে প্রাণী যবেহ করার কথা বলবে। বা মোমবাতি, আগরবাতী ইত্যাদি দান করার জন্য বলবে।
৪) তাবিজ-কবচ যেমন: নম্বরের মাধ্যমে বা বিচ্ছন্ন অক্ষরের মাধ্যমে ছক আঁকিয়ে প্রদান করবে।
৫) ঝাড়-ফুঁক করার সময় দুর্বোধ্য শব্দে গুণগুন করে মন্ত্র পাঠ করবে।
৬) রুগীকে এমন কিছু প্রদান করবে যা যমীনে বা কবরস্থানে বা নিজ গৃহে পুঁতে রাখতে বলবে।
৭) রুগীকে তার ব্যক্তিগত ব্যাপারে (অতিত, ভবিষ্যত) সম্পর্কে কিছু খবর প্রদান করবে।
৮) কিছু সুষ্পষ্ট পাপাচার তার মধ্যে দেখা যাবে। যেমন: দাড়ি মুন্ডন, মোচ লম্বা, টাখনুর নীচে কাপড়, জামাআতের সাথে ছালাত আদায়ে উদাসীনতা…. প্রভৃতি।
উল্লেখ্য যে, বালা মুছিবত থেকে রক্ষার জন্য বা রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তি লাভের জন্য সব ধরণের তাবীজ-কবচ ব্যবহার করা শির্কের অন্তর্ভূক্ত। কেননা রাসূলুল্লাহ্ (ছাঃ) বলেন:
مَنْ عَلَّقَ تَمِيمَةً فَقَدْ أَشْرَكَ
“যে ব্যক্তি তাবিজ লটকাবে সে শির্ক করবে।” (ছহীহ্ সনদে আহমাদ, হাকেম প্রভৃতি)
আল্লাহ্ সবাইকে সকল প্রকার যাদু-টোনা, বদনযর প্রভৃতি থেকে বাঁচিয়ে রাখুন। আর সব ধরণের শির্ক ও তার উপকরণ থেকে দূরে থাকার তাওফীক দিন। আমীন