3 Answers
#যষ্টিমধু
যষ্টিমধু মূলত গাছের শিকড়। আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে, পৃথিবীতে যত ওষুধ তৈরি হয়, তার প্রায় প্রতিটিতে যষ্টিমধু দেওয়া হয়।
ঔষধির বহুগুনে গুনাম্বিত এই যষ্টিমধু। যষ্টি মধু খেলে বেশি যে উপকারটুকু পাবেন তাহল আমাদের সাড়াদিন চলার পথে শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে কন্ঠ নালীতে যে ধুলাবালি গুলো জমা হয় তা পরিস্কার করতে সাহায্যে করে।
আর কন্ঠনালীতে অতিরিক্ত ধুলাবালী জমার কারনে যে খুশখুশি কাশি হয় তা নিবারণ করতে সাহায্য করে এই যষ্টিমধু।
বুকের ভিতর জমে থাকা পুরোনো সর্দি,কফ,কাশ পরিস্কার করে থাকে। সর্বোপরি নিয়মিত যষ্টিমধু খেলে আপনার কন্ঠনালিটাকে পরিস্কার ও সুন্দররাখে।
যষ্টি মধু মুখের দুর্গন্ধ, খুশখুশি কাশি ও কফ নিবারক, রুচি বৃদ্ধি কারক, কণ্ঠ পরিষ্কারক এছাড়াও কণ্ঠকে শ্রুতি মধুর করে।
-----------------------------------------------------------------------------
#এই_যষ্টিমধু_সাতক্ষীরা_শপ_ডট_কম_আপনাদের_দিচ্ছে_সম্পূর্ণ_ফ্রিতে।
►প্রতি ৫০০গ্রাম মধুর সাথে পাচ্ছেন ৫০ গ্রাম যষ্টিমধু।
►প্রতি ১কেজি মধুর সাথে পাচ্ছেন ১০০ গ্রাম যষ্টিমধু।
☼☼☼☼☼☼সিমীত সময়ের জন্য☼☼☼☼☼☼
------------------------------------------------------------------------------
#যষ্টিমধুর_ব্যবহার_এবং_উপকারিতা
◄ কাশি, গলাব্যথা, রক্তক্ষরণ বন্ধ করতেও যষ্টিমধুর তুলনা নেই।
◄ যাঁরা এসিডিটিতে ভোগেন, তাঁরা ফুটানো পানিতে যষ্টিমধু ভিজিয়ে ঠাণ্ডা করে ওই পানির ভেতর মধু দিয়ে পান করুন, উপকার পাবেন।
◄ স্মৃতিশক্তি বাড়াতে দুধের সঙ্গে যষ্টিমধুর গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন, স্মৃতিশক্তি বাড়বে।
◄ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে যষ্টিমধু ও ঘি একত্রে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এছাড়া ত্বকের বলিরেখা, ব্রণ ও দাগ দূর করে।
◄যষ্টিমধু, তিলের তেল ও আমলকী একত্রে মিশিয়ে চুলে লাগালে চুল পড়া বন্ধ হয়, খুশকি থাকে না।
◄ কাশি, গলাব্যথা, রক্তক্ষরণ বন্ধ করতেও যষ্টিমধুর তুলনা নেই।
◄ যাঁরা এসিডিটিতে ভোগেন, তাঁরা ফুটানো পানিতে যষ্টিমধু ভিজিয়ে ঠাণ্ডা করে ওই পানির ভেতর মধু দিয়ে পান করুন, উপকার পাবেন।
◄ স্মৃতিশক্তি বাড়াতে দুধের সঙ্গে যষ্টিমধুর গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন, স্মৃতিশক্তি বাড়বে।
◄ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে যষ্টিমধু ও ঘি একত্রে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এছাড়া ত্বকের বলিরেখা, ব্রণ ও দাগ দূর করে।
◄যষ্টিমধু, তিলের তেল ও আমলকী একত্রে মিশিয়ে চুলে লাগালে চুল পড়া বন্ধ হয়, খুশকি থাকে না ।সোর্স
যষ্টিমধু বানিয়ার দোকানে কিনতে পাওয়া যায় ।
ঠান্ডা লেগে গলা বসে গেলে বা কাশি হলে সেই সময় যষ্টি মধু একটু চিবিয়ে খেলে ভাল উপকার পাওয়া যায়। যষ্টি মধুর গুড়া লেবুর রসের সাথে পান করলে সর্দি আরাম হয়। শুকনো আমলকির ২/৩ টুকরো আর ১ গ্রাম যষ্টিমধু থেঁতো করে ৫/৬ ঘন্টা আধ কাপ গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে ২/৩ বার ছেঁকে তরলটুকু দিয়ে চোখ ধুয়ে নিলে চোখ ঝাপসা দেখা রোগ কমে যায়। সাদাস্রাব হলে এই গাছের শিকড় চিবিয়ে খেলে দুর্বলতা ভাল হয়। এটি হৃদরোগে বেশ কার্যকারী। এক কাপ দুধ দিয়ে ১-২ গ্রাম যষ্টিমধু চূর্ণ মিশিয়ে সকাল বিকাল দুবার খেলে ২ /৪ দিনের মধ্যেই হৃদরোগের উপশম হয়। চলতে ফিরতে বুকের ভিতরে ধকধকানিও চলে যায়। গলা ব্যথা বা টনসিল হলে এর পাতা চিবিয়ে খেলে ভাল উপকার পাওয়া যায়। মৃগি রোগেও যষ্টিমধুর উপকার দেখা যায়। এক্ষে এ ১/২ গ্রাম মাত্রায় যষ্টিমধু নিয়ে আধ কাপ পাকা চাল কুমড়োর রস মিশিয়ে কয়েক দিন খেতে হবে। এতে মৃগি রোগের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy