স্নায়ুবিক দুর্বলতা ও হিমোগ্লোবিন কম?
স্নায়ুবিক দুর্বলতার কারনে কি দু মাসের বেশি সময় ঘুম কম এবং পিঠের নিচের দিকে মাংস পিন্ডে ব্যাথা হতে পারে?সাথে রক্তের হিমোগ্লোবিন কম ছিলো ৭.৫ যার রেফারেন্স ভেল্যু মিনিমাম ১৩.৫?
3 Answers
আপনি স্নায়বিক দূর্বলতা দূর করার জন্য বেক্সিমকো কোম্পানির "এরিস্টোভিট এম" একটা ফাইল কিনে প্রতিদিন রাতে খাবার পর একটা করে ট্যাবলেট খাবেন। আর স্কয়ারের আয়রন ক্যাপসুল "জিফ" প্রতিদিন সকালে খাবার পর একটা করে ১৫ - ২০ দিন খান। আশা করি সুস্থ হবেন।
হিমোগ্লোবিন হল লোহিত রক্ত কনিকার একটি গুরুত্ববপূর্ণ উপাদান।এটি তৈরী হয় লোহা/আয়রন দিয়ে।এইহিমোগ্লোবিনের জন্যই রক্তের রং লাল হয়ে থাকে। হিমোগ্লোবিনের কাজ হল ফুসফুস হতে অক্সিজেন টিস্যুতে(অনেকগুলো কোষ এক সাথে) আর টিস্যুতে জৈবিক ক্রিয়ায় তৈরি কাবন-ডাই-অক্সাইড ফুসফুসে নিয়ে আসা,যা আমরা নিঃশ্বাস দিয়ে বের করে দেই।হিমগ্লোবিন কমে গেলে টিস্যুতে অক্সিজেন পরিমান কমে যায়।যা কোষের রাসায়নিক-বিপাকীয় ক্রিয়ায় ব্যঘাত ঘটায়। টিস্যুতে অক্সিজেন কমে যাওয়ার জন্যই আমাদের দুর্বল (fatigue) লাগে।রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়াকে মেডিকেলিয় ভাষায় এনিমিয়া বলে।
কারন -
অতিরিক্ত রক্তখরন(দুঘটনা,পেপটিক আলসার,অর্শ্ব)
লোহিত কনিকার পরিমান কম(আয়রন,ভিটামিন বি১২ সল্পতা)
লোহিত কনিকার গাঠনিক অসমতা(সিকেল সেল এনিমিয়া,এপলাস্টিক এনিমিয়া,থেলাসেমিয়া)
গর্ভকালিন সময় দেহের দরকারেই লোহিত রক্ত কনিকার চাহিদা বেরে যায়।যা খুব স্বাভাবিক।
আবার কিছু রোগে হিমোগ্লোবিন কমে যেতে পারে,যেমন-
থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
দীর্ঘদিনের কিডনির সমস্যা
লুপাস ডিজিস
বয়োবৃদ্ধতা
অনেক কারনেই রক্তের হিমোগ্লোবিন কমে যেতে পারে।তাই হিমোগ্লোবিন কমে যাবার সঠিক কারন বের করা উচিত।হিমোগ্লবিন বেশী কমে গেলে দেহে রক্ত দিতে হতে পারে।
স্নায়ুবিক দুর্বলতা ও রক্তস্বল্পতা দুর করতে ইবনে সিনা কোম্পানির "Vinsina" সিরাপ সেবন করেন|স্নায়ুবিক দুর্বলতা ও রক্তস্বল্পতা দুর হয়ে যাবে|