মোবাইল চার্জ সম্বলিত?
5 Answers
আমার মনে হয় আপনার মোবাইলের ব্যাটারির সমস্যা দেখা দিছে। আপনি ব্যাটারি পরির্বতন করে দেখতে পারেন
ব্যাটারি সমস্যার সমাধান নিয়ে সম্প্রতি সিএনএন প্রকাশ করেছে একটি প্রতিবেদন। চার্জ দেব কি দেব না? মোবাইল ফোন নিয়ে অনেকেরই জিজ্ঞাসা থাকে, পুরোপুরি চার্জ দেব, নাকি অল্প দেব? চার্জ শেষ হয়ে গেলে আবার চার্জে দেব, নাকি অল্প চার্জ বাকি থাকতেই দেব? বিশেষজ্ঞরা এই প্রশ্নগুলোর উত্তরে বলছেন, একটা সময় রিচার্জেবল ব্যাটারিগুলোতে পূর্ণ চার্জ দিলে এবং সেই চার্জ শেষ করে আবার চার্জে দিলে তা সবচেয়ে ভালো কাজ করত। গত কয়েক বছরে ব্যাটারির উপাদান ও চার্জ দেওয়ার এই নিয়মেও পরিবর্তন এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনকার অধিকাংশ মোবাইল ফোনে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির ব্যবহার দেখা যায়। এ ধরনের ব্যাটারিতে যখন ২০ থেকে ৮০ শতাংশ চার্জ থাকে, তখন সবচেয়ে ভালো কাজ করতে দেখা যায়। তাই সময়ের সঙ্গে মোবাইল ফোনের ব্যাটারি থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে এ নিয়মটি মেনে চললে ভালো। ব্যাটারির নীরব ঘাতক ব্যাটারি-সংক্রান্ত অধিকাংশ বিষয়ই মোবাইলের প্রসেসরের ওপর নির্ভর করে। তবে ফোনের ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়ু হবে কি না, তা ফোনের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, মোবাইল ফোনের মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশনের ব্যবহার ব্যাটারির আয়ু দ্রুত শেষ করে ফেলতে সক্ষম। এসব অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার না করলেও ব্যাটারি থেকে চার্জ খরচ করতে পারে। বেশি তাপে ব্যাটারি কম টেকে ব্যাটারির দীর্ঘায়ুর সঙ্গে তাপমাত্রার বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, বেশি তাপে ব্যাটারি কম টেকে। মোবাইল ফোনটি যদি সব সময় বেশি গরম হয়, তখন ফোনটির ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ট্যাবলেট কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের এ বিষয়টি নিয়ে ব্যবহারকারীর অবশ্য তেমন কিছু করার থাকে না। তবে মোবাইল ফোন কেনার পর যদি দেখেন তা চালানোর পর বেশি গরম হচ্ছে, তখন এর ব্যাটারির আয়ু সম্পর্কে ধারণা করে নিতে পারবেন। চার্জ পূর্ণ হওয়ার পর দীর্ঘক্ষণ চার্জার লাগিয়ে রাখার বিষয়ে সতর্ক থাকুন সমস্যা সমাধানে করণীয় ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে, এখন কী করা যায়? বিশেষজ্ঞরা জানান, ব্যাটারি দীর্ঘায়ু করতে ঘন ঘন চার্জ দিন, তবে চার্জ দেওয়াটা যেন আবার অতিরিক্ত পর্যায়ে চলে না যায়। চার্জ কমে গেলে যেমন চার্জ দেবেন কিন্তু মাঝেমধ্যে আবার ব্যাটারির চার্জ সম্পূর্ণ শেষ করে ফেলবেন। আপনার ফোনের ব্রাইটনেস বা ঔজ্জ্বল্য যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখবেন। ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে কোন অ্যাপ্লিকেশনটি বেশি চার্জ খরচ করছে, সেটি খুঁজে বন্ধ করে দিন। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সাধারণ কিছু অভ্যাসের মাধ্যমে ব্যাটারির চার্জ বেশি সময় ধরে রাখা যায়। ব্যাটারির চার্জ একটু বেশি সময় ধরে রাখতে খুব অল্প সময়ে এ ধরনের পরিবর্তন আনা যেতে পারে। পর্দার ঔজ্জ্বল্য কমিয়ে রাখা স্মার্টফোনের পর্দার ঔজ্জ্বল্য কমিয়ে রাখা ভালো। ফোনের সেটিংস থেকে এটি পরিবর্তন করা যায়, আবার কোনো কোনো মোবাইলে ব্রাইটনেস পরিবর্তনের জন্য শর্টকাট কি-ও থাকে। প্রয়োজন ছাড়া সব বেতার সংযোগ বন্ধ জিপিআরএস/এজ, জিপিএস, ওয়াই- ফাই, ব্লুটুথের মতো বেতার সংযোগগুলো প্রয়োজনের সময় ছাড়া বন্ধ রাখা উচিত। কারণ, এই সংযোগগুলো চালু থাকলে সেগুলো নিকটবর্তী সংযোগের উৎসটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে থাকে। আর এই সময়ে যে পরিমাণ ব্যাটারি খরচ হয়, তা সেবা ব্যবহারের সময়ের চেয়েও বেশি। পুশ নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা ই-মেইল, ফেসবুক, গুগল প্লাস, টুইটারসহ আরও বিভিন্ন ধরনের অ্যাপলিকেশনে ‘পুশ নোটিফিকেশন’ নামের একটি সুবিধা থাকে। যেটি চালু থাকলে মোবাইল ফোনটি একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর সার্ভার থেকে নতুন তথ্য সংগ্রহ করে। ফলে প্রয়োজন না থাকলেও নির্দিষ্ট সময় পর পর ফোনটি নিজের মতো করে কাজ করবে, আর চার্জ খরচ হবে। দ্রুত চার্জ শেষ করে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের ব্যবহার নির্দিষ্ট ধরনের অ্যাপ্লিকেশন স্মার্টফোনে বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করা যায়। এগুলোর ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন মাত্রার মেমোরি, প্রসেসিং পাওয়ার লাগে। মোবাইল কেনার সময় সতর্ক থাকা মোবাইল ফোন কেনার সময় তাতে কী ধরনের ব্যাটারি রয়েছে তা যাচাই করে নিন। ফোন বেশি গরম হয় কি না—পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। ওয়ারেন্টি দেখে কিনুন।
স্মার্টফোনের চার্জ ধরে রাখার আট উপায় স্মার্টফোনের চার্জ বাঁচাতে হলে বুদ্ধি খাটিয়ে ফোন ব্যবহার করতে হবে। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা আধুনিক প্রযুক্তির সব সুবিধা ভোগ করলেও একটা দুর্ভোগ রয়েছে। সেটা হলো দ্রুত চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ার সমস্যা। অ্যানড্রয়েড, আইফোন ও উইন্ডোজ সব অপারেটিংয়ে চালিত স্মার্টফোনেই রয়েছে এ সমস্যা। যাদের বেশির ভাগ সময়ই স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয়, তাদের দিনে অন্তত দুবার তো চার্জ দিতেই হয়। আর সে জন্য সঙ্গে রাখতে হয় আলাদা একটি পাওয়ার ব্যাংক। ব্যাটারির চার্জ সাশ্রয়ের জন্য বিভিন্ন রকমের অ্যাপ্লিকেশনও রয়েছে। তবে এর বাইরেও স্মার্টফোন ব্যবহারের কিছু নিয়ম আছে, যেগুলো মেনে চললে কিছুটা সাশ্রয় করতে পারবেন ব্যাটারির চার্জ। এসব পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ভারতীয় দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়ার অনলাইন সংস্করণে। ১. ডিসপ্লের ঔজ্জ্বল্য কমিয়ে ফেলুন এটা হয়তো অনেকেই জানেন এবং প্রয়োগ করে থাকেন। যাঁরা এখনো এই কাজটা করেন না, তাঁরা ডিসপ্লের ঔজ্জ্বল্য বা ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখা শুরু করুন। এ পদ্ধতি ল্যাপটপ, ট্যাবের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ২. কালো ওয়ালপেপার ব্যবহার করুন অ্যামোলেড স্ক্রিনের ফোনে কালো বা এ ধরনের রঙের ওয়ালপেপার ব্যবহার করলে চার্জ কম খরচ হয়। কারণ, অ্যামোলেড স্ক্রিনের আলো খরচ হয় বিভিন্ন রঙের পেছনে। তাই যত রঙিন ওয়ালপেপার দেওয়া হবে, আলোর খরচ বাড়বে, সে সঙ্গে চার্জও খরচ হবে। ৩. লো-পাওয়ার মোড আপনার ফোনে যদি অ্যানড্রয়েড ৫ দশমিক শূন্য বা এর পরের ভার্সনের অপারেটিং সিস্টেম থাকে, তাহলে আপনার কপাল ভালো। কারণ, ফোনের চার্জ ১৫ শতাংশের কম হলেই এসব অপারেটিং সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লো- পাওয়ার মোড চালু হয়ে যায়। অ্যানড্রয়েড অপারেটিংয়ের মার্শম্যালো ভার্সনে রয়েছে ‘ডোজ’ নামে একটি নতুন ফিচার। স্মার্টফোনের চার্জ কমে গেলে এই ফিচার ফোনটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হাইবারনেশন মোডে নিয়ে যায় আর অনেকক্ষণ ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় থাকা অ্যাপগুলো বন্ধ করে দেয়। ৪. লক স্ক্রিন নোটিফিকেশন চালু করুন স্মার্টফোনের চার্জ বাঁচানোর আরেকটি ভালো বুদ্ধি হচ্ছে লক স্ক্রিন নোটিফিকেশন চালু করে রাখা। এতে বারবার আপনাকে লক খুলে নোটিফিকিশেন দেখতে হবে না। ফলে চার্জ কম খরচ হবে। ৫. ব্যবহারের পর অ্যাপস বন্ধ করুন ঠিকমতো বন্ধ না করার কারণে অনেক সময় বিভিন্ন অ্যাপস চালু থাকে, যেটা অনেকে খেয়াল করেন না। বিশেষ করে জিপিএস ও ওয়াই-ফাইয়ের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারটা বেশি ঘটে। আর এ দুটি অ্যাপস চালু থাকলে দ্রুত চার্জ ফুরিয়ে যায়। তাই কাজ শেষ হওয়ার পর অ্যাপস বন্ধ করুন। ৬. অ্যাপস ডাউনলোড ও আপডেট অ্যাপস ডাউনলোড ও আপডেটের ক্ষেত্রে ওয়াই-ফাই সংযোগ ব্যবহার করুন। মোবাইলের ডাটা ব্যবহার করলে চার্জ বেশি খরচ হবে, এ ছাড়া সময়ও যাবে বেশি। সে ক্ষেত্রে দ্রুতগতির ওয়াই-ফাই সংযোগ ব্যবহার করলে তাড়াতাড়ি অ্যাপসগুলো ডাউনলোড ও আপডেট হয়ে যাবে। মোবাইলের চার্জও কম খরচ হবে। ৭. এয়ারপ্লেন মোড চালু করুন স্মার্টফোনটি এয়ারপ্লেন মোডে থাকলে সব ধরনের ওয়ারলেস ফিচার বন্ধ হয়ে যায়। এতে ফোনের চার্জ কম খরচ হয়। ৮. আসল ব্যাটারি ব্যবহার করুন স্মার্টফোনের ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে আসল ব্যাটারি ব্যবহারের চেষ্টা করুন। এতে আপনার ফোন ভালো থাকবে এবং চার্জও থাকবে অনেকক্ষণ।
এরূপ ক্ষেত্রে যেটা হতে পারে তা হল ঃ আপনার মোবাইল ফোনের ব্যাটারি দুর্বল হয়ে যেতে পারে অথবা আপনার ফোনটার কোন সার্কিট সর্ট হয়ে যেতে পারে যার ফলে চার্জ কম যাচ্ছে । আপনি ফোনের ব্যাটারি পরিবর্তন করে দেখুন এতে কাজ না হলে আপনার ফোনটা নিয়ে কাস্টোমার কেয়ারে দেখান আর না হলে ভালো কোন সার্ভিস সেন্টারে দেখাতে পারেন ।
এটার কারণ হলো আপনার ফোনের ব্যেটারি নষ্ট হয়েগেছে। আপনি আপনার ফোন থেকে ব্যেটারিটা বের করে দেখুন ব্যেটারি নরম হয়ে গেছে,যার ফলে এমনটা হচ্ছে। তবে চিন্তার কারণ নেই ব্যেটারি পরিবর্তন করুন একদম ঠিক হয়ে যাবে। তবে হেঁ একদম Original ব্যেটারি ব্যেবহার করবেন। Original ব্যেটারির দাম পরবে ৪৫০-৫০০ টাকার মাঝে।