2 Answers
নদীর পানির সাথে বাহিত হয়ে আসা পলি যখন নদীর মোহনায় এসে জমে তখন সেটা নদীর প্রায় মাঝে বরাবর এসে জমে থাকে। এর কারণ হল দুইপাশের স্রোত বেশি থাকা। এভাবে যখন পলি এসে মাঝ বরাবর জমে আস্তে আস্তে সেটা বৃহত্তর হতে থাকে অর্থাৎ আকারে বাড়ে। এভাবে একসময় সেটা মোটামুটি পরিণত দ্বীপে রূপান্তরিত হয়। কিন্তু মাঝ বরাবর দ্বীপ গঠিত হওয়ায় দুই পাশের জলধারা আবার সেই দ্বীপকে ক্ষয় করতে শুরু করে। ফলে দ্বীপটি বাংলা অক্ষর মাত্রা ছাড়া ‘ব’ এর মত অথবা ইংরেজি অক্ষর উল্টা ‘V’ এর মত আকার পায়। যার ফলে একে ব-দ্বীপ বা বেসিন বলে।
3052 views
Answered
ব-দ্বীপ হলো নদীর মোহনায় সৃষ্টি হওয়া বাংলা ‘ব’ আকৃতির দ্বীপ। নদী প্রবাহ সাগরে পতিত হবার সময় নদীর মোহনায় পানি স্থিতিশীলতার জন্যে বিভিন্ন পদার্থ জমে জমে কালক্রমে ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়। যেহেতু বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ, অসংখ্য নদী-নালা ছড়িয়ে আছে এ দেশে এবং বিশেষত পদ্মা-মেঘনা-যমুনা-ব্রহ্মপুত্র নদী এদেশের মধ্যে দিয়ে গেছে তাই ধারণা করা হয় কালে কালে এসব নদী মোহনায় পলি জমা হয়ে বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়েছে। তাই বাংলাদেশেকে পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ বলা হয়।
3052 views
Answered