আমার ধারনা!?

আমি একজন মুসলিম, আমি মুসলিম হয়েও বেদ, গিতা, ত্রিপিটক, বাইবেল এসব পাঠ করতাম+এখন ও করি।। । কারন আমার ধর্ম সঠিক কিনা তা জানতে হলে অবশ্যই অন্যের ধর্মম সম্পর্কে জানতে হবে। । ৯৯.৯৯% মুসলিম অন্যের ধর্ম সম্পর্ককে জানতে চায়না। কারন সে মনে করে তার ধর্ম সঠিক। । তেমনি হিন্দু, ক্রিশ্চান , বোদ্ধ রাও তাদের ধর্ম গ্রন্থ ছাড়া অন্য কিছু পড়েনা। । এখন কথা হল আমি যে ধর্মেরই হইনা কেন, আমার কি উচিত না অন্যের ধর্ম সম্পর্ক এ জানা? । অন্যের ধর্মের মাঝে যদি ভাল কিছু থাকে তা কি গ্রহন করা উচিত না? । যেমন : কৃষ্ণ অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন। তার কিছু বানির সাথে কোর আনের আয়াত মিলে যায়। । । যেমন অসত লোকের বিরুদ্ধে লড়াই কর সে যদি তোমার আত্মিয় ও হয়।
2962 views

2 Answers

হ্যা এটা অবশ্যই ভালো অন্য ধর্ম সম্পর্কে জানা। তবে কোনো অন্যায় বা অপ্রাসঙ্গিক কিছু গ্রহন করা যাবেনা।ভালো কিছু ও আদর্শ গ্রহনীয় হতে পারে।জানার কোনো শেষ নেই।তাই কোনো কিছু সম্পর্কে জানা যেতেই পারে।

2962 views Answered

জ্ঞান অর্জনের জন্য কুরআন ছাড়া অন্য কোনো গ্রন্থ পাঠ করা অথবা গ্রহণ করা যাবেনা। যারা সত্যিকারের ইমান এনেছে তারা কুরআন ছাড়া অন্য কোনো গ্রন্থ জ্ঞান অর্জনের জন্য ব্যবহার  অথবা গ্রহণ করবেনা। আর অন্য ধর্মের গ্রন্থে যা রয়েছে মূলত তা কুরআন থেকে সংকলিত। তাই কুরআন ছাড়া অন্য গ্রন্থ পড়ার কোনো প্রয়োজন পড়েনা।   বিখ্যাত ইহুদিদের দালাল কাফির নায়েক/জাকির নায়েকের কারণে মানুষের ইমান নষ্ট হচ্ছে তা আপনার মাধ্যমেই প্রমাণ হল। জাকির নায়েক কুরআনের সঙে অন্য গ্রন্থগুলোর তুলনা করে আজ মানুষের ইমান নষ্ট করছে। নাউজুবিল্লাহ।


আল্লাহপাক ইরশাদ করেন,

 

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِن تُطِيعُوا الَّذِينَ كَفَرُوا يَرُدُّوكُمْ عَلَىٰ أَعْقَابِكُمْ فَتَنقَلِبُوا خَاسِرِينَ ﴿١٤٩﴾

 

অর্থ:হে ঈমানদারগন তোমরা কাফিরদের অনুসরন করো না,তাহলে তারা তোমাদেরকে সৎপথ থেকে ফিরিয়ে নিবে।অর্থাৎ তোমাদেরকে কুফরী করাবে ফলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তভুত্ত হবে।(সুরা-আলে ইমরান)

তাই কাফেরদের কিতাব পড়া যাবেনা এবং তাদের অনূসরণ করা যাবেনা।

বিঃদ্রঃ- পড়া যাবে শুধুমাত্র জ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে । এছাড়া অন্য ক্ষেত্রে পাঠ করলে ইমান নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে তাই এগুলো পাঠ করার আগে ১০০ বার ভাবুন ধন্যবাদ। 

2962 views Answered

Related Questions

Next steps