নামাজ না পড়লে লজ্জা লাগে না। কিন্তু কুরবানি না করলে লজ্জা লাগে এটা কেন ঘটে??
2746 views

2 Answers

ভাই নামাজ পড়ে এমন লোকের সংখ্যা অনেক কম। কিন্তু গরু কোরবানি বেনামাজি থেকে শুরু করে,  যাদের অল্প সম্পদ আছে তারাও দিয়ে থাকে । এ জন্য আপনি মধ্যবিত্ত হলেও যদি সামার্থ্য না থাকে তাইলে কুরবানি দিতে পারেন না। যার কারণে আপনার লজ্জা পাওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু লজ্জার কিছুনাই। কোরবানির সওয়াব টাই হল বড়। গোস্ত খাওয়া নয়। তাই এমন কিছু এবাদত আছে যা করলে কুরবানির সওয়াব পাওয়া যায় তা পালন করুন দেখবেন এ লজ্জা আর লজ্জা মনে হবেনা।


2746 views

এর কারন হচ্ছে আমরা কোরবানির মর্মার্থ না জেনে-বুঝেই লোক দেখানো পশু জবাই করি মাংস খাওয়ার উৎসব করার  জন্য।

কোরবানির মূল বিষয় হচ্ছে উৎসর্গ। । কুরবা থেকে কোরবানি। কুরবা অর্থ নৈকট্য। কোরবানি অর্থ ত্যাগ। অর্থাৎ ত্যাগটাকে আমি কতটা আন্তরিকতার সাথে করতে পারি। নিজের সামান্য ইচ্ছাকে ত্যাগ করাও কোরবানি। কিন্তু সব চেয়ে বড় কোরবানি হচ্ছে আত্মজ কিছু ত্যাগ করা। যে জিনিসের সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক তাকে ত্যাগ করা মানে সর্বোচ্চ ত্যাগ। সেই সর্বোচ্চ ত্যাগ করার জন্যই তো এই ধর্মীয় নির্দেশ এসেছিল। আর যুগে যুগে কালে যারা যত বিলিয়ে দিতে পেরেছেন ত্যাগ করতে পেরেছেন তাঁরাই অনন্ত প্রশান্তি ও সম্মান লাভ করেছেন।

যেদিন সবাই মি‌লে মহান এই ত্যাগের উৎসবকে কেবল চিরাচরিত হিংস্র পশুর মত মাংস খাওয়ার উৎসবে পরিনত না করে আত্মশুদ্ধির উৎসব করবে আর হারাম টাকায় বনের পশুকে লোক দেখানো কোরবানি দেয়ার আগে মনের ভেতরের পশুত্বটাকে কোরবানি করলেই কোরবানির প্রকৃত উদ্দেশ্য পালন হবে।

তাছাড়া ধর্মী কোন বিধান পালনের সাথে লজ্জা লাগা বা না লাগার কোন সম্পর্ক নেই।

2746 views

Related Questions