4 Answers
বেশি
পরিমাণে পানি, শরবত এবং রসালো ফল থেকে
হবে, শাকসবজিও বেশি খেতেহবে এবং যতটুকু
সম্ভব মানসিক টেনশন মুক্ত হয়ে নির্জন
পরিবেশে একনিষ্ঠভাবেশিশুকে বুকের দুধ।
শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় মা
অন্যমনস্ক থাকলে দুধখেতে শিশুর কোনো
সমস্যা হচ্ছে কি না- সেটি তার নজরে আসে না।
শিশু যতদিনবুকের দুধ পান করে ততদিন পর্যন্ত মা
যদি নিজে প্রতিদিন আধা লিটারের মতো দুধপান
করেন, তাহলে মায়ের বুকে শিশুর জন্য বেশি
পরিমাণে এবং অধিক পুষ্টিকরদুধ তৈরিতে সহায়তা হয়।
তাছাড়া ছোট মাছ, কচুশাক, কাঁচাকলা, কলার মোচা ও
থোড়-ইত্যাদিতে বেশি পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং
আয়রন থাকে বলে এগুলো
খেলেস্তন্যদানকারী মায়ের নিজের স্বাস্থ্য
যেমন ভালো থাকে তেমনি শিশুও
যথেষ্টপরিমাণে বুকের দুধ পেতে পারে। মা
বিভিন্ন রকম দেশী ফল যেমন, বরই,
আমলকী, আমড়া, বৈঁচি, পেয়ারা, জাম্বুরা, কামরাঙ্গা
ইত্যাদি ফল প্রতিদিন পরিমান মতোযদি খান তাহলে মা
এবং বুকের দুধ পানকারী শিশু।
মনে রাখা দরকার, শিশুরজন্মের পর থেকেই
মাকে বেশি করে সব ধরনের মাছ-মাংস, দুধ,
শাকসবজি এবং ফলখাওয়ালে মায়ের স্বাস্থ্য যেমন
ভালো থাকে, তেমনি শিশুর জন্য বেশি
পরিমাণেবুকের দুধও উৎপন্ন হয়।
পুষ্টিকর খাবার খাওয়ান।
মসুরের ডাল খাওয়ালে প্রচুর
দুধ পাওয়া যেতে পারে।
প্রতি বার খাবারের সাথে
এটা যোগ করুন।
আর রিফাত ভাই সব
লিখে দিয়েছে।
আমি সংক্ষিপ্ত আকারে কয়েকটি বিষয় বলছি যা খেলে বুকের দুধ বাড়ে। লাউ, জালি কুমড়া, সাক সবজি, কালো জিরা, দুধ, tab- motigut তিন বেলা তিনটা, tab- momvit প্রতি রাতে একটা। আর খাবার ও পানি বেশি করে খেতে হবে। ইনশাআল্লাহ কাজ হবে।
উপরের উত্তর গুলো অনেক কাজ হবে,
নিয়মিত উপরের পরামর্শ গুলো মানুন।
সাথে সিরাপ সিনকারা খাওয়াবেন, 6 চা
চামুচ করে দিন দুইবার।
গবেষণায় প্রমানিত হয়েছে যে সিনকারা
প্রতিটি দুগ্ধদানকারী মায়ের দগ্ধ বৃদ্ধি করে।
তাই চিকিত্সকগন দুগ্ধদানকারী মায়েদের
সিনকারা খাওয়ার পরামর্শ দিতে থাকে, এটি
সম্পূর্ণ নিরাপদ সিরাপ। নির্ধারিত মাত্রায়
সেবনে কোন পার্শপ্রতিক্রীয়া নাই।