টাইগার , স্পীড এবং অন্যান্য সফট ড্রিংস হালাল না হারাম?
টাইগার , স্পীড এবং অন্যান্য সফট ড্রিংস হালাল না হারাম?
অন্যন্য হারাম খাদ্যবস্তুর নামগুলো কি কি?
5 Answers
যে সব পানীয় পান করলে
নেশা হয়,দূগন্ধ হয়,এবং জ্ঞানহারা হয় যায়,
সেই সব ড্রিংস হারাম।
অার যেসব ড্রিংস এর মধ্যে এলকোহল থাকে
সেইই সব হারাম,
সো টাইগার, স্পিড এইগুলা হারাম নয়।
বাংলাদেশে বৈধভাবে বাজারজাত করতে কোনো প্রতিষ্ঠানকে কোন নামেই 'এনার্জি ড্রিংকস' তৈরির নিবন্ধন দেয়নি কোনো সরকারি সংস্থা। 'এনার্জি ড্রিংকস' লেখা সাঁটিয়ে যেসব পানীয় বিক্রি হচ্ছে তা অবৈধ। কার্বোনেটেড বেভারেজ হিসেবে যা বাজারজাত করছে বিভিন্ন কোম্পানি, অধিকাংশ ক্রেতা-বিক্রেতার কাছে তা এনার্জি ড্রিংকস বা সফট ড্রিংকস হিসেবে পরিচিত। ওই কার্বোনেটেড বেভারেজের প্রায় সবগুলোতেই নির্ধারিত মাত্রার অনেক বেশি ক্যাফেইন পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনের পর দিন সিলডেনাফিল, অতিরিক্ত ক্যাফেইন, ভায়াগ্রা, ইয়াবা ও অ্যালকোহল মিশ্রিত তথাকথিত এনার্জি ড্রিংকস পান করার কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি, গর্ভপাত, মারমুখী আচরণসহ মানবদেহে ও মনে নানা উপসর্গ বাড়ছে।
সুতরাং বাজারে প্রচলিত প্রায় সকল তথাকথিত ভেজাল এনার্জি ড্রিংকস মানুষের শরীরের জন্য দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষতিকর এবং জেনে-বুঝে এই সমস্ত ক্ষতিকর পানীয় পান করা হারাম।
এগুলোতে কোনো উপকার নেই বরং এগুলো স্বাস্থ্যগত ঝুকি বয়ে নিয়ে আসতে পারে। এগুলোতে থাকে ক্যাফেইন এবং এলকোহল যা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুকি সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে। তাছাড়াও এগুলোতে আরো অনেক রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই বিপজ্জনক। তাছাড়াও এগুলোতে অতিরিক্ত পরিমানে চিনি ব্যাবহার করা হয় যা স্বাস্থ্যঝুকি বাড়িয়ে দিতে ভূমিকা পালন করে।
প্রিয় প্রশ্নকারী ভাই, ইসলামী বিধি–বিধানের যে অংশগুলো যুগ যুগ যাবৎ অন্যদের থেকে অনন্য ও প্রশংসিত, যে বিষয়গুলো অন্য জাতিরাও শ্রদ্ধার সঙ্গে বরণ করে নেয় এবং ইসলামী উম্মাহ যেসব বিধি–বিধান নিয়ে গর্ব করে থাকে– সেসবের মধ্যে মদের নিষিদ্ধতা অন্যতম। ধনদৌলতের দিক থেকে উন্নত জাতি ও দেশগুলো এই মদের যন্ত্রণা নিয়ে বর্তমানে কঠিন বিপদগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে। শুধু মদের কারণে ওইসব দেশে এবং তাদের অনুসারীদের মাঝে মুসলিম দেশেও লাখো লাখো মানুষ চরম পর্যায়ের রোগ–ব্যাধিতে আক্রান্ত। ইসলাম বহু আগেই এ ব্যাপারে সতর্ক হয়েছে এবং দুনিয়াবাসীকে সতর্ক করেছে।
ইসলামের দৃষ্টিতে যে কোনো প্রকারের মাদক হারাম। কম–বেশি সবটুকুই হারাম। বিয়ারও মদ হিসেবেই বিবেচ্য। মদের যে বিধান এরও একই বিধান তথা বিয়ার পান করা হারাম। কুরআনে কারীমের বিভিন্ন জায়গায় মাদকদ্রব্য হারামের কথা বর্ণিত হয়েছে। এক জায়গায় মদ সম্পর্কে এরশাদ হয়েছে
رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّیْطٰنِ ‘শয়তানের গান্ধা কর্ম’ (সূরা মায়েদা ৫ : ৯০)
এছাড়া বহু হাদীসেও মদের ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এসেছে। হাদীস শরীফে একবার মদপানকারীদের শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে বেত্রাঘাত ও জুতাপেটা কিছুই বাদ না যাওয়ার একটি বর্ণনাও রয়েছে। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট বলেছেন : ما أسكر كثيره فقليله حرام যে বস্তু বেশি পরিমাণ খেলে নেশা হয় তার সামান্য পরিমাণ খাওয়াও হারাম। (জামে তিরমিযী ১৮৬৫;সুনানে ইবনে মাজাহ৩৩৯৩;সুনানে আবু দাউদ,৩৬৮১)
এমনকি মদের খালি পাত্র–বোতলগুলো ঘরে রাখার ব্যাপারেও স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। আর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণই হচ্ছে এসব বোতল চোখে পড়ার কারণে নিষিদ্ধ মদের প্রতি যেন আগ্রহ জেগে না ওঠে।
হাদীসে মদকে সকল অশ্লীলতার মূল আখ্যা দেয়া হয়েছে। রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রিয় সাহাবী হযরত মুআয রা.-কে যে বিশেষ দশটি অসিয়ত করেছিলেন তার মধ্যে একটি ছিল ولا تشربن خمرا فإنه رأس كل فاحشة অর্থাৎ কখনো কোনো প্রকারের মদ পান করবে না। কারণ এটি সকল অশ্লীলতার মূল।
প্রসঙ্গক্রমে আরেকটি বিষয়ে দৃষ্টিপাত করতে চাই তা হচ্ছে, যা সরাসরি মাদকদ্রব্য হিসেবে প্রচলিত নয়। সেই সাথে তা নেশাগ্রস্থ করে না, তাহলে এসব পণ্যে অন্য কোন হারাম উপাদান না থাকলে হারাম বলার সুযোগ নেই। যেমন পেপসি, সেভেন আপ, এসব কোনটিই মাদকদ্রব্য হিসেবে প্রচলিত নয়। আর এসব খাওয়ার দ্বারা ব্যক্তি মাতালও হয় না। তাই এসব সাধারণ পানীয়তে অন্য কোন হারাম উপাদান থাকার নিশ্চয়তা পাওয়া না গেলে পান করাতে কোন সমস্যা নেই।
তবে আধুনিক বিজ্ঞানের গবেষণায় যেহেতু এগুলো ক্ষতিকর প্রমাণিত হয়েছে তাই এগুলো গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকাই কাম্য।
উত্তর দিয়েছেন
মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী নকশবন্দী
সুত্রঃhttp://quranerjyoti.com
বাজারে যে খাবার হালাল বা ভ্যাজাল মুক্ত ইসলামিক দেশ গুলোতে বা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একটি হালাল লোগো থাকে । বাংলাদেশে লেখা থাকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন হালাল । এটা দেখে খাবেন । সেটা সাধারণ পানিই হোক ড্রিংকস হৌক আর চিপস, আইস্ক্রিম হোক ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy