1 Answers
কুরবানির সুন্নতি নিয়ম
-মুফতী সাইয়্যিদ আহমদ আবূ সাফওয়ান।
কুরবানীর পশুর মাথা দক্ষিণ দিকে এবং পা পশ্চিম দিকে রেখে অর্থাৎ ক্বিবলামুখী করে শোয়ায়ে পূর্ব দিক থেকে চেপে ধরতে হবে, তারপর কুরবানী করতে হবে। আর কুরবানী করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে, সীনার উপরিভাগ এবং রক্তনালীর মাঝামাঝি স্থানে যেন যবেহ করা হয়। আরো উল্লেখ্য যে, গলাতে চারটি রগ রয়েছে, তন্মধ্যে গলার সম্মূখভাগে দু’টি- খাদ্যনালী ও শ্বাসনালী এবং দু’পার্শ্বে দু’টি রক্তনালী। এ চারটির মধ্যে খাদ্যনালী, শ্বাসনালী এবং দুটি রক্তনালীর মধ্যে একটি অবশ্যই কাটতে হবে। অর্থাৎ চারটি রগ বা নালীর মধ্যে তিনটি অবশ্যই কাটতে হবে, অন্যথায় কুরবানী হবে না। যদি সম্ভব হয়, তবে ছুরি চালানোর সময় বেজোড় সংখ্যার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। কুরবানীর নিয়ত: (যবেহ করার পূর্বে) “ ইন্নী ওয়াজ্জাহ্তু ওয়াজ্হিয়া লিল্লাযী ফাত্বারাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বা হানীফাঁও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকীন। ইন্না ছলাতী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহ্ইয়াইয়া ওয়া মামাতী লিল্লাহি রব্বিল আলামীন। লা শারীকালাহু ওয়া বি যালিকা উর্মিতু ওয়া আনা মিনাল মুসলিমীন। আল্লাহুম্মা মিন্কা ও লাকা।” এ দোয়া পড়ে ‘বিস্মিল্লাহি আল্লাহু আকবর’ বলে যবেহ করতে হবে। যবেহ করার পর এ দোয়া পড়বে- “আল্লাহুম্মা তাক্বাব্বালহু মিন্নী কামা তাক্বাব্বালতা মিন্ হাবীবিকা সাইয়্যিদিনা রসূলিনা হাবীবিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাইয়্যিদিনা হযরত খালীলিকা ইব্রাহীমা আলাইহিস সালাম।” যদি নিজের কুরবানী হয়, তবে ‘মিন্নী’ বলতে হবে। আর যদি অন্যের কুরবানী হয়, তবে ‘মিন্’ শব্দের পর যার বা যাদের কুরবানী, তার বা তাদের নাম উল্লেখ করতে হবে। আর যদি অন্যের সাথে শরীক হয় তাহলে ‘মিন্নী’ও বলবে অতঃপর ‘মিন্’ বলে অন্যদের নাম বলতে হবে। কেউ যদি উপরোক্ত নিয়ত না জানে, তাহলে যবেহ করার সময় শুধু ‘বিস্মিল্লাহি আল্লাহু আকবর’ বলে কুরবানী করলেও শুদ্ধ হয়ে যাবে। কারণ নিয়ত অন্তরের সাথে সম্পর্কযুক্ত। তবে অবশ্যই প্রত্যেক যবেহকারীর উচিৎ উপরোক্ত নিয়ত শিক্ষা করা। কেননা উপরোক্ত নিয়ত পাঠ করে কুরবানী করা সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত ।
ইমাম জাফর সাদ্বিক আঃ নিম্ন দোয়াটি আকিকা করার সময় পাঠ করতেন। (মেয়েদের ক্ষেত্রে)
“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বিসমিল্লাহে ওয়া বিল্লাহে আল্লাহুম্মা হাযিহী আক্বিকাতুন আন ফোলানিন (সন্তানে নাম ও পিতার নাম) লাহমুহা বে লাহমেহী ওয়া দামুহা বে দাহমেহী ওয়া আযমুহা বে আযমেহী আল্লাহোম্মাজ আলহা ওয়া ক্বাস আন লাহো বে আলে মোহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহো আলায়হে ওয়া আলেহি ওয়া সাল্লাম।লাহ মোহা বে লাহ মেহা ওয়া দামোহা বে দামেহা ওয়া আযমোহা বে আযমেহা। বিসমিল্লাহে ওয়া বিল্লাহে ওয়াল হামদু লিল্লাহে ওয়াল লাহো আকবার ইমানান বিল্লাহে ওয়া সানা আন আলা রাসুলিল্লাহে সাল্লালাহো আলায়হি ওয়া আলেহি ওয়াল ইসমাতু লে আমরেহী ওয়াস শোকরু লে রিযকেহী ওয়াল মারেফাতো বেফাযলেহী আলায়না আহলিল বায়েত।
যদি ছেলে সন্তান হয় “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আল্লাহোম্মা ইন্নাকা ওয়াহাবতা লানা যাকারান ওয়া আন্তা আল্লামু বেমা ওয়াহাবতা ওয়া মিনকা মা আ তায়তা ওয়া কাল লামা সানাতা ফাতাক্বাব বাললাহো মিন্না আলা সুন্নাতেকা ওয়া সুন্নাতেকা নাবীয়েকা ওয়া রাসুলেকা সাল্লাল্লাহু ওয়া আলেহী ওয়াখসো আন নাস শাইতানার রাজীম লাকা সাফাক তওঁ দেমা লা শারিকা লাকা ওয়াল হামদুলিল্লাহে রাব্বিল আলামিন আল্লাহুম্মা লাহমুহা বে লাহ মেহী ওয়া দামোহা বে দামেহি ওয়া আযমুহা বে আযমেহী ওয়া শা-রো হা বে শাহরেহী ওয়া জিলদুহা বে জিলদেহী আল্লাহুম্মায আলহা ফিদা আন লে ফালানিবনে ফালানে (সন্তানে নাম ও পিতার নাম)।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy