1 Answers
কুকুরে কামড়ালে যে বিষয়গুলির ব্যাপারে সাবধান থাকা জরুরিঃ
১. কখনোই ক্ষতস্থান কাটবে না বা শুষবে না, এতে ইনফেকসন হতে পারে।
২. কখনোই ক্ষতস্থানে বরফ লাগাবে না, এতে ফ্রস্ট বাইট হতে পারে।
৩. কখনোই ক্ষতস্থানে ইলেক্ট্রিক সক দেবে না।
৪. কখনোই ক্ষতস্থানে তাগা বা ডোরা (টরনিকুয়েট) বাঁধবে না, যেটি সাপে কামড়ালে বাঁধতে হয়।
বিশেষ জ্ঞাতব্যঃ
১. কুকুর বিড়াল বা যে কোন গৃহপালিত পশুর দেহেই জলাতঙ্ক বা র্যাবিসের জীবাণু থাকতে পারে। তবে এ প্রাণিগুলির কোনটিই জীবাণুটির ক্যারিয়ার নয় অর্থাৎ এরা লক্ষণ বা উপসর্গবিহীন তাদের শরীরে জীবাণুটি বহন করতে পারে না। এদের শরীরে জীবাণুটি ঢুকলে প্রাণিগুলিও আক্রান্ত হয় এবং মারা যায়।
২. র্যাবিস একটি ভাইরাস। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাকে র্যাবিস বা বাংলায় জলাতঙ্ক বলে।
৩. এ ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হলে কোন কিছু গিলতে গেলে গলার মাংশপেশীগুলি সাংঘাতিকভাবে কন্ট্রাক্ট করে বা সঙ্কুচিত হয়ে অসহ্য ব্যথা হয়। পানি গিলতে গেলেও ঘটনাটি ঘটে বলে পানি দেখলে রোগী খুব ভয় পায়। একারণেই রোগটিকে জলাতঙ্ক বলে। জল দেখে আতঙ্ক বলেই জলাতঙ্ক।
৪. প্রচলিত মিথ অনুযায়ি পাগলা কুকুরে কামড়ালে রোগীর পেটে কুকুরের বাচ্চা হতে পারে, এটি একেবারেই ঠিক নয়।
৫. প্রচন্ড অসুস্থতার কারণে রোগী তার স্বাভাবিক বুদ্ধিজ্ঞান প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয় বলে নানান অস্বাভাবিক আচরণ করে। কুকুর যেমন পাগল হয়ে যায় মানুষের ক্ষেত্রেও তেমন হতে পারে।
৬. র্যাবিস প্রতিরোধযোগ্য রোগ তবে প্রতিশেধকযোগ্য নয়। অর্থ্যাৎ রোগটির লক্ষণ দেখার পূর্বেই টিকা নিলে আর রোগটি হয় না, তবে একবার হয়ে গেলে আর তা সারানো সম্ভব নয়, নিশ্চিত মৃত্যু।
৭. কুকুরে, বিড়ালে কামড়ালে যদি তাদের শরীরে র্যাবিস জীবাণু থাকে তবে তাদের শরীরেও রোগের লক্ষণ দেখা যাবে এবং কামড়ানো প্রাণিটি মারা যাবে। যদি দেখা যায় যে প্রাণিটি সুস্থ্য আছে তবে ধরে নিতে হবে নিজের শরীরেও জীবাণুটি ঢোকেনি। তবে সন্দেহ না রেখে টিকা নিতে কোন অসুবিধা নেই।
৮. কুকুরে, বিড়ালে কামড়ালে যদি তাদের শরীরে র্যবিসের জীবাণু না-ও থাকে তবে টিকা নিতে কোন অসুবিধা নাই বরং নেওয়াই শ্রেয়।
৯. দেশে র্যাবিসের ঠিকা পর্যাপ্ত পরিমান মজুদ আছে। যে কোন অসুবিধায় ঢাকার মহাখালিস্থ ইনফেকসাচ ডিজিজ হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে। এটি একটি সাততলা হাসপাতাল বলে ঐ এলাকার নামও সাততলা।
১০. ব্যবিসের জীবাণু শরীরে ঢুকলেও চিন্তার কোন কারণ নেই। জীবানুটি শরীরে ঢোকার পরে ১৪ দিন পর্যন্ত নিস্ক্রিয় থাকে। ফলে ১৪ দিনের মধ্যে টিকা শুরু করতে পারলেই হয়। ৫টি টিকা নিলে রোগটি হবার কোন নম্ভাবনা থাকে না।
১১. দেশের উপজেলা হাসপাতালগুলিতে র্যবিসের টিকা পাওয়া যায়। এজন্যে বেসরকারী হাসপাতালে না যাওয়াই শ্রেয়। টিকার জন্য অবশ্যই সরকারী হাসপাতালে যাবেন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy