2 Answers
ভুগোল তত্ব মতে, কৃষ্ঞ সাগরের আকাশ বছরের প্রায় সময়ই মেঘে ঢাকা থাকে, যার জন্য পানির রঙ কালচে দেখায়। এজন্য, এটার নাম কৃষ্ঞ সাগর।
প্রথমদিকে গ্রিকরা একে "অনতিথিপরায়ণ" বা "Inhospitable sea" নামে ডাকতো, কারণ এই সাগরে দিক নির্ণয় করা কঠিন ছিলো এবং এর তীর ছিলো গ্রিকবিরোধীদের বাসস্থান। পরবর্তীতে গ্রীক ঔপনিবেশিকদেরা উপকূল অঞ্চলে উন্নতি সাধন করলে এর নাম হয় "অথিপরায়ন বা Hospitable sea"
কৃষ্ণ সাগরের গভীরতা ১৫০ মিটার এবং এর অন্তত দুই কিলোমিটার হাইড্রোজেন ও সালফার দ্বারা পূর্ন। এছাড়াও এর গভীরতম স্তরে সালফার ব্যাকটেরিয়া ছাড়া আর কোনো জীব বসবাস করতে পারেনা।
কৃষ্ণ সাগর নামকরণের পিছনে বেশকিছু হাইপোথিসিসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি কারন হলো-
১. এতে কোনোকিছু ডুবে গিয়ে কিছুদিন থাকলে হাইড্রোজেন সালফাইডের ঘনত্বের কারনে তার রঙ হয়ে যেতো কুচকুচে কালো।
২. এই সাগরের নাবিকদের মতে যখন ঝড় ওঠে তখন এই সাগরের পানি কালো রঙ ধারণ করে।
এসব বৈশিষ্ট্যের কারনে একটা সময় লোকমুখে এর নাম হয়ে যায় ব্ল্যাক সি বা কৃষ্ণ সাগর।