1 Answers
নাকের পলিপ দুই ধরণের হয়ে
থাকে। যেমন:
ইথময়ডাল পলিপ: এলার্জির
কারণে হয়, দুই নাকে হয় এবং
মধ্যম বয়সে দেখা যায়।
এন্ট্রোকোয়ানাল পলিপ:
ইনফেকশনের কারণে হয়, এক
নাকে হয় এবং শিশু বা কিশোর
বয়সে দেখা যায়।
নাকে পলিপ হওয়ার কারণ
পলিপ কেন হয় তার সঠিক কারণ
এখনো অজানা। তবে বেশির ভাগ
ক্ষেত্রে অ্যালার্জিজনিত
কিংবা দীর্ঘমেয়াদি নাক ও
সাইনাসের প্রদাহই এর প্রধান
কারণ। এক-তৃতীয়াংশ রোগীর
ক্ষেত্রে সঙ্গে হাঁপানিও থাকে।
দুই শতাংশ ক্ষেত্রে ঋতু
পরিবর্তনজনিত অ্যালার্জি
দায়ী।
কীভাবে বুঝবেন নাকে পলিপ
হয়েছে
নাকে পলিপ থাকলে ঘন ঘন যে
সমস্যাগুলো দেখা দিতে থাকে
তা হলো: নাক বন্ধ থাকা—এক
বা দুই নাসারন্ধ্র একসঙ্গে
বন্ধ থাকতে পারে। নাক দিয়ে
পানি পড়া, বেশি হাঁচি পাওয়া,
নাকে কোনো গন্ধ না পাওয়া,
মাথাব্যথা থাকা, নাকিসুরে কথা
বলা, মুখ হা করে ঘুমানো
ইত্যাদি। এই সমস্যাগুলো
বারবার হলে একজন নাক, কান
ও গলা বিশেষজ্ঞকে দিয়ে
ভালো করে নাক পরীক্ষা করে
নিলেই বিষয়টি ধরা পড়বে।
নাকে পলিপ হলে যে সমস্যা
দেখা দিতে পারে!
নাক বন্ধ থাকা- এক বা দুই
নাসারন্ধ্র একসঙ্গে বন্ধ
থাকতে পারে
নাক দিয়ে পানি পড়া
বেশি হাঁচি পাওয়া
নাকে কোনো গন্ধ না পাওয়া
মাথাব্যথা থাকা
নাকিসুরে কথা বলা
মুখ হা করে ঘুমানো
চিকিৎসা
নাকের পলিপের চিকিৎসা হলো
অপারেশন। অপারেশন করলে
সাধারণত নাকের পলিপ ভালো
হয়ে যায়। তবে এই পলিপ বার
বার হতে পারে এবং
প্রয়োজনবোধে কয়েকবার
অপারেশন করা লাগতে পারে।
এলার্জি থেকে দূরে থাকলে এই
রোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব।
বিনা অস্ত্রোপচারে পলিপের
পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সম্ভব নয়।
তবে অ্যান্টিহিস্টামিন-জাতীয়
ওষুধের মাধ্যমে অ্যালার্জি
নিয়ন্ত্রণের ফলে পলিপের
ফোলা ভাব কিছুটা কমে আসতে
পারে। এ ছাড়া পলিপের
চিকিৎসায় প্রাথমিক অবস্থায়
স্টেরয়েড জাতীয় সেপ্র নাকে
ব্যবহার করা হয়, এতেও
পলিপের আকার ছোট হয়ে
আসতে পারে। আধুনিক
পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচারে
নিরাময়ের হার বেশ ভালো।
কোথায় চিকিৎসা করাবেন?
জেলা সদর হাসপাতাল
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
বেসরকারী হাসপাতাল
এটি চোট্ট একটা অপারেশনেই সেরে
যায়, ভয়ের কিছুই নাই।