4 Answers
স্থায়ীভাবে ফর্সা হওয়ার দুটি সহজ উপায়
টিপস নাম্বার ১: রূপচর্চারজন্য ব্যবহার করুন কাঁচা হলুদ ও দুধ। প্রত্যেকদিন ১ গ্লাস উষ্ণ গরম দুধ নিন আধা চামচ এর সাথে কাঁচা হলুদ মিশিয়ে পান করুন। আপনি চাইলে মধু মিশিয়ে পান করতে পারবেন।হলুদ মেশানো দুধ ত্বককে ভিতর থেকে উজ্জ্বল করে তোলে।
আপনি যদি চান তবে অন্য একটা কাজ ও করতে পারেন।ইঞ্চি দেড়েকের মত এক টুকরা হলুদ নিন।এরপর টুকরা টুকরা করে কেটে ফেলুন এবং দুধে ভিজিয়ে ফুটান।দেকবেন গাঢ় হলুন রং ধারণ করব্ এই পানি পান করুন নিয়ম মেনে।
টিপস নাম্বার ২: হলুদ রূপচর্চার সেই আদিকাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে।ত্ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করেবাহ্যিক রং উজ্জ্বল করতে হলুদের ভূমিকা অপরিসীম।
বিশেষ করে কালচে ছোপ দূর করতে এই পদ্ধতি খুব কার্যকর।
তাছাড়া একটা ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন:
উপকরণঃ- ১ চামচ লেবুর রস ১ টেবিল চামচ কাঁচা হলুদ বাটা ও দুধ।
ব্যবহার করার নিয়ম- প্রথমে দুধ লেবুর রস ও হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। সারা মুখে লাগান।শুকনো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ঠান্ডা জল দিয়ে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। কখনো গরম জলে মুখ ধোবেন না এবং অন্তত ১২ ঘণ্টা রোদে যাবেন না।
দুধ হলো আল্লাহর এক বিরাট নিয়ামত। আর দুধ গোসল ত্বককে ফর্সা হতে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি সাহায্য করে। এ দিয়ে গোসল করলে আলাদা করে সাবান বা শ্যাম্পুর প্রয়োজন হয় না, ত্বকও ফর্সা হয়ে ওঠে।
ডাবের পানি:
ডাব বা নারকেলের জল ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী। ত্বকের উজ্বলতা ফেরাতে, কালো ছোপ দূর করতে এর জুড়ি নেই।
লেবু:
ত্বকের রং ফেরাতে লেবু সবসময়ই ব্যবহার করা হয়। লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে চামড়ায় লাগান। এটি স্বাভাবিক ব্লিচের কাজ করবে ও ত্বকের জেল্লা বাড়াবে।
গোলাপ জল:
গোলাপ জল মিশিয়ে গোসল করুন। তাতে অনেকটা লেবুর রসও মিশিয়ে দিন। লেবু ব্লিচের কাজ করবে ও গোলাপ জল গোসলের পরে জেল্লা ফিরিয়ে আনবে।
ডিমের কুসুম:
ডিমের সাদা অংশের পাশাপাশি কুসুমও ত্বকের জন্য উপকারী। কুসুম ফেটিয়ে তা ত্বকে মাখতে পারেন। তবে তা তোলার সময়ে ভিনিগার ব্যবহার করবেন। তাতে গন্ধ চলে যাবে আর আপনি ত্বক ফর্সা হবে।
দই:
ত্বকের রং ফেরাতে টক দই ও লেবুর রসের মিশ্রণ তৈরি করে ত্বকে লাগান। এতে খানিক জ্বালা ভাব অনুভূত হলেও ফর্সা হতে দারুণ কাজ দেবে।
জিরে:
গোসলের পানিতে জিরে ভিজিয়ে রেখে তা ব্যবহার করুন। এটির ব্যবহারে মাত্র ১০ দিনেই ত্বকের জেল্লা না ফিরলেও দারুণ কাজ দেবে। জিরে বেঁটে নিয়ে তাতে দুধ মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করেও লাগাতে পারেন। ত্বকের রং ফেরাতে দারুণ কাজ দেবে।এভাবে আপনি সাত দিনই নিজের ত্বককে ফর্সা ও উজ্জ্বল করে তুলতে পারেন সহজেই।
১। ত্বক ফর্সা করতে মুখে দই লাগালে সবথেকে বেশি উপকার প্রাপ্তি হয়। সপ্তাহে ৩ দিন ২০ মিনিট করে দই লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন, কার্যকরি ফল পাবেন ই পাবনে। ২। শরীরের রঙ উজ্জ্বল করতে বেসন, দই,হালকা মধু আর সামান্য হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। গোসলের সময় সাবানের বদলে এটি ব্যবহার করুন নিয়মিত। চাইলে একটু কাচা দুধও দিতে পারেন। ৩। তৈলাক্ত ত্বক হলে মুগ ডালের গুড়ো পানি দিয়ে মিশিয়ে প্রতি সপ্তাহে একদিন করে মুখে স্ক্রাবের মত লাগাল ত্বকের উপরের মরা কোষ গুলো চলে গিয়ে আপনার ত্বকের তেল চিটচিটে ভাবে চলে যাবে। কারণ মরা কোষের কারণেই মুখ কালো দেখায় এবং তেম বেশি জমে। ৪। কিছু কলা নিয়ে চটকে তাতে চালের গুড়ো বা বেসন, মধু, ৪-৫ ফোঁটা শসার রস মেশান। এবার এটি মুখে গলায় লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ত্বক উজ্জল হয়ে গেছে। ৫। সারা গায়ের ত্বক উজ্জ্বল করতে বেসন ও খাঁটি সরিষার তেল একসাথে মিশিয়ে গোসলের আগে সারা গায়ে মেখে নিন। ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ৬। ৫০ গ্রাম আমন্ড গুঁড়ো, ২ চামচ দুধের মাঠা, গোটা একটা লেবুর রস, ২ চামচ চায়না ক্লে তারপর সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে মুখ ও গলায় লাগান। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি শুষ্ক ত্বকের অধিকারীদের জন্য। ৭। যাদের স্বাভাবিক ত্বক চাইলে তারাও ফর্সা হতে এই উপায় অবলম্বন করতে পারেন। ১ চামচ চন্দনবাটা , ১ চামচ পাকা পেঁপের শাঁস একসঙ্গে মিশিয়ে সারা মুখে মেখে নিন। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ৮। ত্বক তৈলাক্ত হলে, ৪ চামচ চন্দন গুঁড়ো, ১ চামচ মুলতানি মাটি, ১ চামচ কমলালেবুর খোসার শুকনো গুঁড়ো, দুধ দিয়ে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।
ফর্সা হতে যা করবেন
– বেসন, লেবুর রস ও কাঠবাদাম একসাথে পেস্ট
করে ১০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা
পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ফেলুন। বেসন ও
লেবুর রস মুখের মৃত কোষ, কালোদাগ দুর করতে
সহায়তা করে। কাজু বাদাম ত্বকের আর্দ্রতা ধরে
রাখে।
– কলা ও দুধ একত্রে পেস্ট করে মুখে ও ঘাড়ে ১৫
মিনিট রেখেদিন। তারপরে পরিষ্কার ঠান্ডা
পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বক মসৃন করতে কলার
কোন জুড়ি নেই।
– মধুর ঔষধি গুনের কথা কে না জানে। ত্বক উজ্জ্বল
ও মসৃন করতেও মধু খুব কার্যকর। দই, মধু ও লেবুর রস
একসাথে মিশিয়ে ২০ মিনিট ধরে মুখে লাগিয়ে
রাখুন। এতকিছু হাতের কাছে না থাকলে শুধু মধুই ২০
মিনিট মুখে লাগিয়ে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে
ফেলুন। নিয়মিত করলে কিছুদিন পরেই দেখতে
পাবেন আপনার ত্বক আগের থেকে অনেক বেশী
উজ্জ্বল হয়ে গেছে।
– আলু বা টমেটো শুধু ভাল সবজীই নয় বরং এক একটা
রং ফসর্াকারী এজেন্ট। আলু এবং টমেটো পেস্ট
প্রতিদিন ব্যবহার করলে আপনি পাবেন দ্যুতিময়
ত্বক।
– মসুরের ডাল, দুধ লেবুর রস এবং চালের গুড়া
একসাথে পেস্ট করলেই হয়ে যাবে সুন্দর ও কার্যকরী
স্ক্রাব। সপ্তাহে তিন দিন ব্যাবহার করুন। আপনার
ত্বক হবে আরো পরিষ্কার।
– ডিমের সাদা অংশ ও মধু একসাথে মিশিয়ে ২০
মিনিট মুখে মেখে রাখুন। তার পরে ধুয়ে ফেলুন।
ত্বক উজ্জ্বল ও টান টান ভাব আনতে সাহায্য করবে
এই ফরমুলা।
– এক চামচ চিনির সাথে দুই চামচ লেবুর রস
মিশিয়ে আলতো ভাবে মুখে ডলতে থাকুন যতক্ষন
পর্যন্ত চিনি পুরোপুরি গলে না যায়। এমনকি পুরো
শরীরেও লাগাতে পারেন।
– শিশুদের মত কোমল ও মসৃন ত্বক পেতে দুই চামচ
চিনির মধ্যে তিন চামচ বেবী ওয়েল দিয়ে পেস্ট
বানিয়ে মুখে নিয়মিত ব্যবহা