একটি গণতান্ত্রিক দেশের নাগরিক হিসেবে আপনি কতটুকু সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন সরকার কতৃক?? আর সুযোগ-সুবিধাগুলো যদি সঠিকভাবে না পেয়ে থাকেন? এর পিছনে কারন কি? এবং এর সমাধান কি হতে পারে?
3286 views

5 Answers

দেখুন একটা দেশের সরকার সব সময় তার দেশের নাগরিক দের সব রকম সুবিধা দিতে চায়।এবং সেটা নিয়ে কাজও করে।কিন্তু কিছু বাজে মানুষ এর কারনে সেগুলু নাগরিকের কাছে সব গুলো যায়না। এর দায় মাঝে মাঝে আমাদের নিজেরও।। কারন আমার সচেতন নই।এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আস্তে হবে।তবেই এর সমাধান সম্ভব।।।। 

3286 views

দেশের সকল নাগরিক তাদের সব ধরনের সমস্যার বিষয়ে সরকারকে অবগত করতে হবে, বেকার যুবকদের আত্বকর্মসংস্তান তৈরি করতে সরকারকে দেশের মানুষ অবগত করাতে হবে, সকলের দলিয় মত দেশের বেকার মানুষের উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হবে।

3286 views

একজন নাগরিক হিসাবে তার অধিকার ১.শিক্ষা ২.চিকিৎসা ৩, খাদ্য ৪. বস্ত্র ৫. বাসস্থান  সংবিধানে স রকার অংগিকার বদ্ধ এসবে পর ও কিছু নাগরিক অধিকার রয়েছে যেমন জান মালের নিরাপত্তা এক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে রয়েছি। তাছাড়া বত'মানে একটি বড় নাগরিক সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে তা হল যানযট ! যা নগর জীবনে দিনে দিনে বড় বিপয'য় ডেকে আনছে! একদিকে যেমন মানুষের মুল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে অন্যদিকে বিশেষজ্ঞের মতে একারণে দিনে দিনে মানুষিক রুগী বাড়ছে। যদিও সরকার ফ্লাইওভার নিমা'নে কিছু  পদক্ষেপ নিয়েছে তবে এ পদক্ষেপই শুধু নয়। যানযট নিরসনে রাস্তার পাশে অবৈধ  স্থাপনা, যেখানে সেখানে গাড়ী পাকি'ং ও ফুটপথ দখল মুক্ত করতে পারলেই সম্ভব যানযট মুক্ত নাগরিক জীবন। 

3286 views

  একজন নাগরিক সরকার কর্তৃক মৌলিক যে পাঁচিটি অধিকার পেয়ে থাকে আজকে যদিও আমি সেগুলি পুরোপুরি না পেলেও কিছুটা হলেও পাচ্ছি। ১০০% সুযোগ সুবিধা আমি পাচ্ছি না- এটা বলাই যায়। সুযোগ সুবিধা না পাওয়ার কারণ হিসেবে আমি দুর্নিতি ও অনিয়মকেই দায়ি করব। দুর্নিতির কারণেই একজন মানুষ তার পুরোপুরি অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। দুর্নিতির কারণেই একজন ছাত্রকে অসাধু শিক্ষকের কাছে অহেতুক টাকা গুণতে হয়। দুর্নিতির কারণেই একজন রোগিকে সরকারি হসপিটাল এ গিয়েও ভুড়ি ভুড়ি টাকা গুণতে হয়। আবার অনেককে হয়ত দুর্নিতির কারণেই শিশু বাচ্চার কিডনী বিহীন লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরতে হয়। আর দুর্নিতির কারণেই হয়ত মন্টু ঝন্টুর ঘরে ভাত না জুটলেও আমাদের দেশের আমলারা প্রতিদিন ভাত ফেলে দিয়ে ডাস্টবিন ভর্ত করেন। 

সুতরাং এসব দুর্নিতি প্রতিরোধে সরকার এবং প্রশাসনকে অবশ্যই অগ্রনী ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিককে সচেতন হতে হবে এবং নির্ভয়ে এসব দুর্নিতিবাজদের প্রতিরোধ করতে হবে। তাহলেই এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব । অন্যথায় এ সমস্যার সমাধান অধরাই থেকে যাবে। 

সুতরাং আসুন আমরা দুর্নিতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই। 

{বিঃদ্রঃ “দুর্নিতি” শব্দটির বানান হবে “দুর্নীতি”}image

3286 views

 (ক) নাগরিক কাকে বলে? 

উত্তর: নাগরিক হলো তারা, যারা রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করে। রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত থাকে। রাষ্ট্রের কল্যাণ কামনা করে। রাষ্ট্রের কাছ থেকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে এবং রাষ্ট্রের প্রতি বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে। বিশ্বের সব মানুষ কোনো না কোনো দেশের নাগরিক। আমাদের জন্ম বাংলাদেশে। তাই আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।


 (খ) নাগরিক রাষ্ট্রের কাছ থেকে কী কী অধিকার ভোগ করে? 

উত্তর: নাগরিক রাষ্ট্রের কাছ থেকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে। এমন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করা আমাদের নাগরিক অধিকার। নিচে নাগরিকের রাষ্ট্রীয় অধিকার উল্লেখ করা হলো। 

১। নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার। 

২। নির্বাচিত হওয়ার অধিকার। 

৩। রাষ্ট্রের যেকোনো স্থানে বসবাসের অধিকার। 

৪। বিদেশে অবস্থানকালীন নিজ রাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরাপত্তা লাভের অধিকার। 

৫। সরকারি চাকরি লাভের অধিকার।

৬। ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষার অধিকার। 

৭। সরকারের সমালোচনা করার অধিকার।


 (গ) নাগরিকের সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকারের মধ্যে পার্থক্য কী? 

উত্তর: নাগরিকের সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকারের মধ্যে পার্থক্যঃ রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আমরা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকি এবং রাষ্ট্রের কাছ থেকে সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করে থাকি। নিচে নাগরিকের সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকারের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরা হলো। 

সামাজিক অধিকারঃ নাগরিকের জীবন রক্ষার অধিকার দেয়। নিজের মতামত প্রকাশের অধিকার দেয়। রাষ্ট্রের সর্বত্র অবাধে চলাফেরার অধিকার দেয়। শিক্ষা লাভের অধিকার দেয়। নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার দেয়। আইনের চোখে সমান অধিকার দেয়। সম্পত্তি ভোগের অধিকার দেয়। 

রাজনৈতিক অধিকারঃ নাগরিকের নির্বাচিত হওয়ার অধিকার দেয়। সরকারের সমালোচনা করার অধিকার দেয়। রাষ্ট্রের যেকোনো স্থানে বসবাসের অধিকার দেয়। সরকারি চাকরি লাভের অধিকার দেয়। ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষার অধিকার দেয়। বিদেশে অবস্থানকালীন নিজ রাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরাপত্তা লাভের অধিকার দেয়। ভোট দেওয়ার অধিকার দেয়।

 (ঘ) নাগরিকের কেন কর প্রদান করা উচিত? কর প্রদান না করলে কী হবে? 

উত্তর: নাগরিকের কর প্রদানের কারণঃ নাগরিক রাষ্ট্রের কাছ থেকে বিভিন্ন অধিকার ভোগ করে। পাশাপাশি প্রতিটি 

নাগরিককে রাষ্ট্রের প্রতি কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। দেশের শাসনকাজ পরিচালনা ও উন্নয়নমূলক কাজ করার জন্য অর্থের প্রয়োজন। নাগরিকের ওপর কর আরোপ করে রাষ্ট্র এই অর্থ সংগ্রহ করে। তাই রাষ্ট্রীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য নাগরিকের কর প্রদান করা উচিত। 

কর প্রদান না করলে অসুবিধাঃ নাগরিকেরা রাষ্ট্রের কাছ থেকে যেরূপ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে থাকেন, তেমনি রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকেরও কিছু কর্তব্য পালন করতে হয়। সমাজে সুষ্ঠুভাবে জীবিকা নির্বাহের জন্য আমাদের অর্থনৈতিক অধিকার প্রয়োজন। নাগরিকের জীবন সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য ও রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কাজ করার জন্য রাষ্ট্রের অর্থের প্রয়োজন হয়। রাষ্ট্র নাগরিকের ওপর কর আরোপ করে অর্থ সংগ্রহ করে। তাই নিয়মিত কর প্রদান করা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। কর প্রদান না করলে রাষ্ট্রের শাসনকাজ পরিচালনা করতে অসুবিধা হবে এবং দেশের উন্নয়নমূলক কাজে ব্যাঘাত ঘটবে।


(ঙ)


 (চ) সুষ্ঠু নির্বাচনে নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য কী? নাগরিক এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে কী সমস্যা দেখা দিতে পারে? 

উত্তরঃ সুষ্ঠু নির্বাচনে নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরণের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা নাগরিকের অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিম্নরূপ- 

১) নির্বাচনের মাধ্যমে সৎ, ন্যায়পরায়ণ ও উপযুক্ত প্রতিনি

3286 views

Related Questions