3 Answers
রক্তে হিমগ্লোবিন কম থাকল হিমগ্লোবিন বাড়াতে হবে। রক্তের মধ্যে হিমোগ্লোবিন এর মাত্র কম থাকা মানেই রক্তের কার্যকারিতা কমে যাওয়া নিচে কিছু খাবারের মাধ্যমে হিমগ্লোবিন বাড়ানোর নিয়ম দেওয়া হলো : - আমাদের রক্তের লোহিত কণিকা বা এর হিমোগ্লোবিনের সংশ্লেষের জন্য চাই পর্যাপ্ত পরিমাণ লৌহ, আমিষ, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি১২। খাদ্যে এসব উপাদানের অভাব হলে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যেতে পারে। দেখা দিতে পারে রক্তশূন্যতা। লৌহের ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতাই বেশি দেখা যায়। আমাদের মলমূত্র ও ঘামের সঙ্গে প্রতিদিনই দশমিক ৫ থেকে ১ মিলিগ্রাম পরিমাণ লৌহ ক্ষয় হয়। মেয়েরা মাসিকের সময় আরও দশমিক ১ মিলিগ্রাম করে লৌহ হারায়। এ ছাড়া কৃমি বা পরজীবী সংক্রমণে লৌহের অভাব দেখা দেয়। কচু, কচুশাক, বিট, কাঁচাকলা ইত্যাদি সবজি এবং মাংস, কলিজা লৌহের উৎস। লৌহ অন্ত্রে সঠিকভাবে শোষণ করার জন্য চাই পর্যাপ্ত আমিষ ও ভিটামিন সি। কেবল লৌহসমৃদ্ধ খাবার খেলে চলবে না, ভিটামিন সি পাওয়ার জন্য নিয়মিত খেতে হবে লেবু, জাম্বুরা, চালতা, জাম, আমড়া, কমলা, মালটা ইত্যাদি। ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন বি১২ এর অভাবে ভিন্ন ধরনের রক্তশূন্যতা হয়ে থাকে, যার নাম মেগালোব্লাস্টিক এনিমিয়া। তাজা সবজি, ফলমূল, কলিজা, ডিম ও দুধ খেলে ফলিক অ্যাসিডের অভাব মিটবে। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় ফলিক অ্যাসিডের অভাব হলে গর্ভস্থ শিশু বিকলাঙ্গ হতে পারে।
আমাদের রক্তের লোহিত কণিকা বা এর হিমোগ্লোবিনের সংশ্লেষের জন্য চাই পর্যাপ্ত পরিমাণ লৌহ, আমিষ, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি১২। খাদ্যে এসব উপাদানের অভাব হলে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যেতে পারে। দেখা দিতে পারে রক্তশূন্যতা। লৌহের ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতাই বেশি দেখা যায়। আমাদের মলমূত্র ও ঘামের সঙ্গে প্রতিদিনই দশমিক ৫ থেকে ১ মিলিগ্রাম পরিমাণ লৌহ ক্ষয় হয়। মেয়েরা মাসিকের সময় আরও দশমিক ১ মিলিগ্রাম করে লৌহ হারায়। এ ছাড়া কৃমি বা পরজীবী সংক্রমণে লৌহের অভাব দেখা দেয়। কচু, কচুশাক, বিট, কাঁচাকলা ইত্যাদি সবজি এবং মাংস, কলিজা লৌহের উৎস। লৌহ অন্ত্রে সঠিকভাবে শোষণ করার জন্য চাই পর্যাপ্ত আমিষ ও ভিটামিন সি। কেবল লৌহসমৃদ্ধ খাবার খেলে চলবে না, ভিটামিন সি পাওয়ার জন্য নিয়মিত খেতে হবে লেবু, জাম্বুরা, চালতা, জাম, আমড়া, কমলা, মালটা ইত্যাদি। ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন বি১২ এর অভাবে ভিন্ন ধরনের রক্তশূন্যতা হয়ে থাকে, যার নাম মেগালোব্লাস্টিক এনিমিয়া। তাজা সবজি, ফলমূল, কলিজা, ডিম ও দুধ খেলে ফলিক অ্যাসিডের অভাব মিটবে।
রক্তে যখন হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায়, তখন সে অবস্থাকে আমরা রক্তস্বল্পতা বলে থাকি। আমাদের দেশে রক্তস্বল্পতা প্রধানত আয়রনের অভাবের কারণেই হয়ে থাকে। সাধারনত গর্ভবতী মহিলা এবং বাড়ন্ত বয়সের শিশুদের আয়রনের ঘাটতি বেশি হয়। কারণ এ সকল অবস্থায় শরীরে আয়রনের চাহিদা বেড়ে যায়। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে আক্রান্ত থাকার ফলে আয়রনের ঘাটতি হয়ে থাকে এবং আয়রন স্বল্পতার কারণেই তাদের শরীরে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। মূলত হিমোগ্লোবিন লেভেল দেখেই অ্যানিমিয়া শনাক্তকরণ করা হয়ে থাকে। মহিলাদের ক্ষেত্রে নরমাল হিমোগ্লোবিন লেভেল ১১ থেকে ১৫ এর মধ্যে থাকে। যদি হিমোগ্লোবিন লেভেল ১১ এর চেয়ে কম থাকলে আমরা ধরে নিই যে রোগী অ্যানিমিয়াতে আক্রান্ত। পুরুষের ক্ষেত্রে নরমাল হিমোগ্লোবিন লেভেল ১২ থেকে ১৫ পর্যন্ত ধরা হয়ে থাকে। যদি হিমোগ্লোবিন লেভেল ১২ এর চেয়ে কম থাকলে আমরা ধরে নিই যে রোগী অ্যানিমিয়াতে আক্রান্ত। আমাদের দেশে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয় অপুষ্টির অভাবে। আমাদের দেশে রক্তস্বল্পতায় আক্রান্ত বেশিরভাগ রোগী হলো মহিলা এবং বাড়ন্ত বয়সের ছেলেমেয়েরা। তাই তাদের অপুষ্টি প্রতিরোধ করতে নিউট্রিশনাল সাপ্লিমেন্ট ও আয়রন দেয়া যেতে পারে। সাধারণত রক্তস্বল্পতার কারণ শনাক্ত করে সে অনুযায়ী চিকিৎসা দেয়া হয়। যাদের শরীরে আয়রন এর অভাব আছে, তাদের আয়রন সাপ্লিমেন্ট দেয়া হয়। আর যাদের ভিটামিন বি-১২ কম তাদের বি-১২ সাপ্লিমেন্ট দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। কিন্তু বেশি রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে তাদের ক্ষেত্রে ব্লাড ট্রান্সফিউশনের ব্যবস্থা করা হয়। অ্যানিমিয়া আমাদের দেশে কিডনি রোগীদের জন্য এক নম্বর বেসিক সমস্যা। রক্ত তৈরি করার একটা উপাদান হলো ইরাইথ্রোপয়েটিন। ইরাইথ্রোপয়েটিনের অভাব জনিত কারণে কিডনি রোগীর রক্তস্বল্পতা হয়। এছাড়া তাদের ডায়ালাইসিস করার কারণে ব্লাড লসও বেশি হয়। এসব কারণে কিডনি রোগীদের রক্তস্বল্পতা বেশি হয়। যদিও অনেক কারণে রক্তস্বল্পতা হয়, তার মধ্যে অন্যতম একটি কারণ হলো আয়রনের অভাব। শরীরে আয়রনের শোষণ কমে গেলে সাধারণত এ সমস্যা হয়ে থাকে। আর যাদের খাওয়ার রুচি কম থাকে তাদের নিউট্রিশনাল ঘাটতি থাকে। এ থেকেও রক্তস্বল্পতা হয়ে থাকে। এদের ক্ষেত্রে আমরা তাদের আয়রন লেভেল ঠিক আছে কিনা তা দেখে থাকি। যাদের আয়রন কম আছে তাদের প্যারেনটেরাল বা ইনজেকশনের মাধ্যমে আয়রণ সাপ্লিমেন্ট দিয়ে আয়রনের অভাব পূরণ করে থাকি। তারপরও যদি আয়রনের অভাব পূরণ না হয় তাহলে আমরা ইরাইথ্রোপয়েটিন দিয়ে থাকি। সুত্র:-সপ্তাহের বাংলাদেশ (সাপ্তাহিক) ডা. রতন দাশগুপ্ত এমবিবিএস, এফসিপিএস (মেডিসিন) এমডি (নেফ্রোলজি) মেডিসিন ও কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক, নেফ্রোলজি বিভাগ ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল মোবাইল ফোন : ০১৭১১-১০১৮৯২ চেম্বার
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy