2 Answers

রুট করার সুবিধা পারফরমেন্স বাড়ানোঃবিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ডিভাইসের অব্যবহৃত ফাইল, টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি নিয়মিত মুছে ফোনের গতি ঠিক রাখা। ওভারক্লকিং করাঃ সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করানো। এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায়। আন্ডারক্লকিং করাঃ যখন ডিভাইস এমনিতেই পড়ে থাকে, তখন সিপিইউ যেন অযথা কাজ না করে যে জন্য এর কাজের ক্ষমতা কমিয়ে আনা। এতে করে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব। কাস্টম ইউআই : আপনার ডিভাইসের হোমস্ক্রিন, লক স্ক্রিন, মেনু ইত্যাদি বিভিন্ন ইউজার ইন্টারফেসের ডিজাইন একটা সময় পর আর ভালো নাও লাগতে পারে। তখন আপনি ডিভাইসে নতুনত্ব আনতে পারবেন নতুন সব কাস্টম ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে। এগুলোকে অন্যভাবে রমও বলা হয়। কাস্টম রম : ইন্সটল করার সুবিধা। অনেক ডেভেলপার বিভিন্ন জনপ্রিয় ডিভাইসের জন্য কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন। এসব রম ইন্সটল করে আপনি আপনার সেটকে সম্পূর্ণ নতুন একটি সেটের রূপ দিতে পারবেন। বাইরে থেকে অবশ্যই এর ডানা-পাখনা গজাবে না বা ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল থেকে ৮ মেগাপিক্সেল হবে না, কিন্তু ভেতরের ডিজাইন ও ক্ষেত্রবিশেষে পারফরম্যান্সেও আসবে আমূল পরিবর্তন।

2739 views Answered

১.ইচ্ছামত অ্যাপ /সিস্টেম অ্যাপস রিমুভঃ রুট করার ফলে আপনি এডমিন এক্সেস পাচ্ছেন মানে আপনার ডিভাইস এ আপনার সম্পূর্ণ কন্ট্রোল এসেছে। এখন আপনি ইচ্ছামত আপনার ডিভাইস এর অ্যাপ /সিস্টেম অ্যাপস রিমুভ করতে পারবেন। ২.ডিভাইস এর ফুল ব্যাকআপ নিনঃ ডাটা আমাদের অনেক ইম্পরট্যান্ট। আর সে জন্যে অনেক সময় আমাদের মোবাইল অথবা ট্যাব এর ডাটা ব্যাকআপ করা লাগে। নরমালি দেখা যায় একসাথে সব ব্যাকআপ করা যায় না অথবা গেলেও অনেক কিছু মিসিং থাকে। কারন আপনার ডিভাইস এর এডমিন এক্সেস আপনার নেই। আর এডমিন এক্সেস পেতে হলে আপনার রুট করতে হবে। আর রুট করলে আপনি আপনার ডিভাইস এর অ্যাপস ডাটাথেকে শুরু করে সম্পূর্ণ রম ব্যাকআপ করতে পারবেন। ৩.ডিভাইস এর বাহ্যিক সৌন্দর্যঃ এই কথাটি দ্বারা আমি আপনার ডিভাইস এর কাভার,কেসিং, রঙ বুঝাই নি। এই সৌন্দর্যের মানে আপনার ডিভাইস এর সিস্টেম এর সৌন্দর্য বাড়ানো। রুট করলে আপনি অনেক কিছু এডিট,কাস্টমাইজ করতে পারবেন যাতে করে নরমাল ডিভাইস এর চেয়ে আপনার ডিভাইস টি থাকবে এক ধাপ এগিয়ে।

2739 views Answered

Related Questions

Next steps