4 Answers

এটার পুরো ব্যাপার টা নির্ভর করে আপনার প্রাকটিসের উপর যত বেশি লেখালেখি করবেন ততই আপনার হাতের লেখা ভাল হবে। লেখা সুন্দর করার উপায়ঃ- ১. বেশি লেখার অভ্যেস গড়ে তোলা উচিৎ লিখতে লিখতে এক সময় অসুন্দর লেখাও সুন্দর হয়ে উঠে, প্রথমে মার্জিন খাতায় লিখা শিখতে হবে তারপর সাদা খাতায়। ২. লেখার সময় নিরিবিলি পরিবেশ থাকতে হবে । মনোযোগ থাকলে লেখা সুন্দর করার চেস্টা করা যায় । ৩. সুন্দর লেখাকে অনুকরন করা উচিৎ । ৪. বাক্য ও বানান নির্ভুল হওয়া উচিৎ তাতে লেখায় কাটা ছেড়া হওয়ার সম্ভবনা কমে যায় । ৫. অনেকের লিখতে গেলে লাইন বাকা হয়ে যায় । এধরনের লেখা কখনো সুন্দর দেখায় না । তাই লেখা সোজা করে লিখতে হবে । ৬. হাতের লেখা সুন্দর করতে হলে ছোট বেলাই হচ্ছে আদর্শ সময় । তাই শিশু কাল হতে লেখার চর্চা করানো উচিৎ । ৭. লেখা শুরু করলে প্রথমে লেখা সুন্দর থাকে পরে ধীরে ধীরে লেখা খারাপ হতে থাকে ।তাই লেখার মাঝে মাঝে বিশ্রাম নিতে হবে । ৮. হাতের লেখা সুন্দর করতে হলে ছোট বেলা হতেই শিশুদের চিত্র আকা শিখাতে হবে । ৯. কিছুদিন পর পর পূর্বের হাতের লেখার সাথে মিলিয়ে তুলনা করে নিতে হবে । সংগৃহীত : বিস্ময়

3277 views

নীচের পরামর্শগুলো অনুসরণ করলে হাতের লেখা অবশ্যই ‘সুন্দর’ হবে। • প্রতিটি অক্ষর বা বর্ণ স্পস্ট হতে হবে, যাতে আলাদা-আলাদা ভাবে বোঝা যায় যে, ঠিক কোন অক্ষর লেখা হয়েছে। বাংলা লেখার ক্ষেত্রে, মাত্রার সঠিক ব্যবহার করতে হবে। ইংরেজির ক্ষেত্রে ‘ক্যপিটাল’ ও ‘স্মল’ লেটার সঠিকভাবে লিখতে হবে। • লেখার স্টাইল বা ধরণ (যেমন, সোজা/খাড়া বা বাঁকা/কাত) যে রকমই হোক না কেন, অক্ষরগুলোর আকার ও আকৃতি একই রকম হতে হবে। অক্ষর ছোট-বড় বা মোটা-চিকন করা যাবে না। • এমন কিছু অক্ষর আছে যেগুলো সঠিকভাবে লিখতে পারলে অন্য অনেক অক্ষরও ভালো ভাবে লেখা যায়। যেমন, ‘ব’ সুন্দর করে লিখতে পারলে আরো লেখা যায় ‘ক’ ‘র’ ‘ধ’ ‘ঝ’ বা ‘ঋ’। আবার কিছু অক্ষর-এর অংশ বিশেষ ব্যবহার করা যায় অন্য অক্ষর-এর মধ্যে। • শব্দ লেখার ক্ষত্রে, অক্ষরগুলোর মধ্যে কম কিন্তু সমান দূরত্ব রাখতে হবে। প্রতিটি শব্দের মধ্যে কমপক্ষে একটি অক্ষরের পরিমাণ দূরত্ব থাকতে হবে। • অবশ্যই লাইন সোজা হতে হবে। লাইন সোজা করতে শুরুতে দাগ টানা খাতায় লেখা চর্চা করা যেতে পারে। • লেখার কগজের বামে, ডানে, উপরে ও নীচে সঠিক মার্জিন রাখতে হবে। প্রয়োজনে, ভাঁজ করা অথবা দাগ টেনে নেওয়া যেতে পারে। • কোনো শব্দ বা লাইন ভুল হলে তা এক দাগে কেটে দিতে হবে। বেশী কাটাকাটি করা যাবে না। • দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলন, ‘আ’কার-‘ই’কার ইত্যাদি ছোট ছোট অংশের প্রতি নজর দিতে হবে। বিন্দু বা গোল চিহ্ন-গুলো সঠিকভাবে গোল করতে হবে।

3277 views

লেখা সুন্দর করার জন্য কিছু পরামর্শ : প্রথমত, আপনাকে অন্য যে কোন একজনের হাতের লেখা অনুস্মরন করতে হবে, যার লেখাকে আপনি সুন্দর মনে করেন।এক্ষেত্রে একসাথে একাধিক হাতের সুন্দর লেখা অনুস্মরন করা মোটেও ঠিক না। দ্বিতীয়ত, যাকে অনুস্মরন করবেন তার কাছ থেকে যদি পারা যায় তাহলে সে কিভাবে লেখে সেটা যেনে নিবেন। অবশ্য এটা জানা খুব জরুরী নয়। কেননা অনেকেই এই বিষয়ে সহযোগিতা করতে চায়না।বিশেষ করে সে যদি ছাত্র/ছাত্রী হয়। তৃতীয়ত, একটা ভালো কলম দরকার। এক্ষেত্রে জেলকালির কলম খুবই উপকারি। ঐ কলমটা আপনি আপনার মত করে ঘোরাতে পারবেন। আর সুন্দর করে লিখতে গেলে কলমকে প্রথমে আপনার আয়ত্বে আনতে হবে। চতুর্থত, যদি আপনি জেলকালির কলম ব্যবহার করতে না পারেন এবং নরমাল বলপেন ব্যবহার করেন তবে অপনি নিউজপ্রিন্ট কাগজ ব্যবহার করবেন। এখানেও আপনি কলম আপনার মত ঘোরাতে পারবেন। পঞ্চমত, লেখা প্রশিক্ষনের সময় খুব ধীরে ধীরে লিখবেন এবং ৫/৬ লাইনের একটা প্যারাগ্রাফ বাচাই করবেন। একই লেখা বারবার লেখবেন। চেষ্টা করবেন আগেরটা থেকে পরেরটা আরো সুন্দর করা যায় কিভাবে। মনে রাখবেন লেখা সুন্দর হলেই কিন্তু সব লেখা সুন্দর করে লেখা যায়না। যেমন পরীক্ষার খাতায় কিন্তু আবার সুন্দর করে লিখা যায়না।তবে অন্যের চেয়ে আপনার লেখা সুন্দর হবে এটা নিশ্চিত।

3277 views

কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। বিস্তারিত:: ১.‘সুন্দর’ করে লেখার বিষয়ে নিজের আগ্রহ বা ইচ্ছে থাকা, ২. হাতের লেখা ‘সুন্দর’ করার সঠিক ও সহজ কৌশল বা উপায় জানা, ও ৩. নিয়মিত হাতের লেখার চর্চা করা। হাতের লেখার মাধ্যমে বোঝা যায়, মানুষের মনোযোগ, স্থিরতা ও চিন্তা করার ক্ষমতা। ‘সুন্দর’ হাতের লেখার প্রশংসা সবাই করে। আর হাতের লেখা ‘সুন্দর’ হলে পরীক্ষায়ও ভালো নম্বর পাওয়া যায়। নীচের পরামর্শগুলো অনুসরণ করলে হাতের লেখা অবশ্যই ‘সুন্দর’ হবে। • প্রতিটি অক্ষর বা বর্ণ স্পস্ট হতে হবে, যাতে আলাদা-আলাদা ভাবে বোঝা যায় যে, ঠিক কোন অক্ষর লেখা হয়েছে। বাংলা লেখার ক্ষেত্রে, মাত্রার সঠিক ব্যবহার করতে হবে। ইংরেজির ক্ষেত্রে ‘ক্যপিটাল’ ও ‘স্মল’ লেটার সঠিকভাবে লিখতে হবে। • লেখার স্টাইল বা ধরণ (যেমন, সোজা/ খাড়া বা বাঁকা/কাত) যে রকমই হোক না কেন, অক্ষরগুলোর আকার ও আকৃতি একই রকম হতে হবে। অক্ষর ছোট-বড় বা মোটা- চিকন করা যাবে না। • এমন কিছু অক্ষর আছে যেগুলো সঠিকভাবে লিখতে পারলে অন্য অনেক অক্ষরও ভালো ভাবে লেখা যায়। যেমন, ‘ব’ সুন্দর করে লিখতে পারলে আরো লেখা যায় ‘ক’ ‘র’ ‘ধ’ ‘ঝ’ বা ‘ঋ’। আবার কিছু অক্ষর-এর অংশ বিশেষ ব্যবহার করা যায় অন্য অক্ষর-এর মধ্যে। • শব্দ লেখার ক্ষত্রে, অক্ষরগুলোর মধ্যে কম কিন্তু সমান দূরত্ব রাখতে হবে। প্রতিটি শব্দের মধ্যে কমপক্ষে একটি অক্ষরের পরিমাণ দূরত্ব থাকতে হবে। • অবশ্যই লাইন সোজা হতে হবে। লাইন সোজা করতে শুরুতে দাগ টানা খাতায় লেখা চর্চা করা যেতে পারে। • লেখার কগজের বামে, ডানে, উপরে ও নীচে সঠিক মার্জিন রাখতে হবে। প্রয়োজনে, ভাঁজ করা অথবা দাগ টেনে নেওয়া যেতে পারে। • কোনো শব্দ বা লাইন ভুল হলে তা এক দাগে কেটে দিতে হবে। বেশী কাটাকাটি করা যাবে না। • দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলন, ‘আ’কার-‘ই’কার ইত্যাদি ছোট ছোট অংশের প্রতি নজর দিতে হবে। বিন্দু বা গোল চিহ্ন-গুলো সঠিকভাবে গোল করতে হবে। খেলাধুলা বা পড়ালেখার মত, হাতের লেখা ভালো করার ক্ষেত্রে নিয়মিত চর্চার বিকল্প নেই। প্রথমে আস্তে আস্তে ভালো করে লিখতে হবে। পরবর্তীতে দ্রুত লিখলেও লেখা ভালো হবে। সংগৃহীত : বিস্ময়

3277 views

Related Questions