4 Answers
যদি প্রাপ্ত বয়স্ক অবস্থায় দুইজন প্রাপ্ত বয়স্ক সাক্ষ্যির উপস্থিতিতে বিয়ের প্রস্তাব ও প্রস্তাব গ্রহণ সম্পন্ন করে থাকেন, তাহলে আপনাদের বিয়ে ইসলামী শরীয়া মুতাবিক শুদ্ধ হয়ে গেছে। যদিও আপনাদের পরিবার কিছুই জানে না। কিংবা যদি তারা অনুমতি নাও দিয়ে থাকে। ﻰﻠﺻ ِﻪﻠﻟﺍ َﻝﻮُﺳَﺭ َّﻥَﺃ ؛ٍﺱﺎَّﺒَﻋ ِﻦْﺑ ِﻪﻠﻟﺍ ِﺪْﺒَﻋ ْﻦَﻋ َ:ﻝﺎَﻗ ،ﻢﻠﺳﻭ ﻪﻴﻠﻋ ﻪﻠﻟﺍ ْ«ﻦِﻣ ﺎَﻬِﺴْﻔَﻨِﺑ ُّﻖَﺣَﺃ ُﻢِّﻳَﺄْﻟﺍ ﺎَﻬِّﻴِﻟَﻭ . হযরত আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন, মেয়ে তার ব্যক্তিগত বিষয়ে অভিভাবকের চেয়ে অধিক হকদার। {মুয়াত্তা মালিক, হাদীস নং-৮৮৮, সহীহ মুসলিম, হাদীস ِﺕَﺀﺎَﺟ ” َ:ﻝﺎَﻗ ِﻦَﻤْﺣَّﺮﻟﺍ ِﺪْﺒَﻋ ِﻦْﺑ َﺔَﻤَﻠَﺳ ﻲِﺑَﺃ ْﻦَﻋ َ،ﻢَّﻠَﺳَﻭ ِﻪْﻴَﻠَﻋ ُﻪﻠﻟﺍ ﻰَّﻠَﺻ ِﻪَّﻠﻟﺍ ِﻝﻮُﺳَﺭ ﻰَﻟِﺇ ٌﺓَﺃَﺮْﻣﺍ َ،ﻮُﻫ ُﺏَﺄْﻟﺍ َﻢْﻌِﻧَﻭ ﻲِﺑَﺃ َّﻥِﺇ ِ،ﻪَّﻠﻟﺍ َﻝﻮُﺳَﺭ ﺎَﻳ ْ:ﺖَﻻَﻘَﻓ ﺎًﻠُﺟَﺭ ﻲِﻨَﺤَﻜْﻧَﺃَﻭ ُ،ﻩَّﺩَﺮَﻓ ﻱِﺪَﻟَﻭ ُّﻢَﻋ ِﻪْﻴَﻟِﺇ ﻲِﻨَﺒَﻄَﺧ ِﻪْﻴَﻠَﻋ ُﻪﻠﻟﺍ ﻰَّﻠَﺻ ِﻪَّﻠﻟﺍ ُﻝﻮُﺳَﺭ َﺚَﻌَﺒَﻓ ٌ.ﺔَﻫِﺭﺎَﻛ ﺎَﻧَﺃَﻭ َ:ﻝﺎَﻘَﻓ ،ﺎَﻬِﻟْﻮَﻗ ْﻦَﻋ ُﻪَﻟَﺄَﺴَﻓ ،ﺎَﻬﻴِﺑَﺃ ﻰَﻟِﺇ َﻢَّﻠَﺳَﻭ ُﻝﻮُﺳَﺭ َﻝﺎَﻘَﻓ . ﺍًﺮْﻴَﺧ ﺎَﻬُﻟﺁ ْﻢَﻟَﻭ ﺎَﻬُﺘْﺤَﻜْﻧَﺃ ْ،ﺖَﻗَﺪَﺻ َ:ﻢَّﻠَﺳَﻭ ِﻪْﻴَﻠَﻋ ُﻪﻠﻟﺍ ﻰَّﻠَﺻ ِﻪَّﻠﻟﺍ » ِ،ﻚَﻟ َﺡﺎَﻜِﻧ ﺎَﻟ ِﺖْﺌِﺷ ْﻦَﻣ ﻲِﺤِﻜْﻧﺎَﻓ ﻲِﺒَﻫْﺫﺍ» হযরত সালামা বিনতে আব্দুর রহমান রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক মেয়ে রাসূল সাঃ এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা! কতইনা উত্তম পিতা! আমার চাচাত ভাই আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিল আর তিনি তাকে ফিরিয়ে দিলেন। আর এমন এক ছেলের সাথে বিয়ে দিতে চাইছেন যাকে আমি অপছন্দ করি। এ ব্যাপারে রাসূল সাঃ তার পিতাকে জিজ্ঞাসা করলে পিতা বলে, মেয়েটি সত্যই বলেছে। আমি তাকে এমন পাত্রের সাথে বিয়ে দিচ্ছি যার পরিবার ভাল নয়। তখন রাসূল সাঃ মেয়েটিকে বললেন, “এ বিয়ে হবে না, তুমি যাও, যাকে ইচ্ছে বিয়ে করে নাও”। {সুনানে সাঈদ বিন মানসূর, হাদীস নং-৫৬৮, মুসন্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং-১০৩০৪, উক্ত হাদিস হতে বলা যায় রতে গুনাহ হবে না,হয়তো মা-বাবা কষ্ট পাবেন এইটুকুই।
হ্যাঁ অবশ্যই গুনাহ হবে কারন এতে বাবা মা কষ্ট পাবে। আর বাবা -মাকে কষ্ট দেয়া গুনাহের কাজ। আপনি যদি কাউকে পছন্দ করেন তাহলে আপনার পছন্দকৃত মেয়ের কথা আপনার বাবা-মাকে বলুন। আর বাবা-মাকে বুঝিয়ে বলুন যে আপনি তাকে কতটা ভালবাসেন।
মা একটা মধুর শব্দ । তাঁর দ্বারা আমরা দুনিয়ার আলো দেখতে পাচ্ছি। সারা দুনিয়া এক দিকে আর মা একদিকে। মা যদি আল্লাহ’র কাছে সন্তানের জন্য একবার দোয়া করে তা সাথে সাথে কবুল হয়ে যায়। তেমনি যদি কোন সন্তান মা’কে কষ্ট দেয় সাথে সাথে আল্লাহ’তালার আরশ কম্পিত হয়। তাই ভাই ও বোন দুনিয়াতে যত প্রকার পাপই করনা কেন, একটি বারের জন্য মায়ের আঁচল তলে এসে অনুশোচনা করো। যে ঐ ভুল গুলো আর করবে না। কারন, মায়ের মনে একবার কষ্ট পেলে সেই কষ্ট গুলোর চাইতে অনেক গুন বেশি কষ্ট তোমাকে পেতে হবে। ভেবে দেখো, তুমিও কোন দিন মা হবে বা বাবা হবে। কোন মহপুরুষ বলেছেন, তোমার কর্মফল তুমি দুনিয়াতে ভোগ করবে। তাই আজ তুমি তোমার মা’কে কষ্ট দিলে, ভবিষ্যতে তোমার সন্তানও কোন দিন তোমাকে কষ্ট দিতে পারে। অতএব, তুমি নিজেই নির্বাচন করো , মা-বাবাকে কষ্ট দেয়া গুনাহ নাকি পূণ্য বা ভালো কাজ।
বিয়ের সঠিক সময় এবং সঠিক পদ্ধতি হচ্ছে উপযুক্ত বয়সে স্ত্রীর ভরণ পোষণের ক্ষমতা অর্জনের পর পিতা-মাতার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপযুক্ত পাত্রীকে বিয়ে করা। সময়ের পূর্বে পিতা-মাতার অজান্তে বিয়ে করা একেবারেই অনুচিত। কেননা তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভয়াবহ পরিণাম ডেকে আনে। এক্ষেত্রে এখন আপনার করণীয় হচ্ছে পরিণত বয়সে পিতা-মাতার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিয়ে করা এবং সকল প্রকার অবৈধ কাজ থেকে বিরত থাকা। তবে যদি কমপক্ষে দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বিয়ে করেই ফেলেন, তাহলে যদিও শরিয়তের দৃষ্টিতে বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যাবেÑ কিন্তু সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে তা সম্পূর্ণ অনুচিত হবে। আপনি আখেরাত ও জাহান্নামের কথা স্মরণ করে গুনাহ থেকে বাঁচার চেষ্টা করুন এবং প্রয়োজনে অভিভাবকদের জানিয়ে তাদের পরামর্শক্রমেই বিয়ে করুন। দায় দায়িত্বহীনভাবে গোপনে বিয়ে করা শরিয়তের দৃষ্টিতে পছন্দনীয় নয়। তাছাড়া মেয়ের অভিভাবকদের না জানিয়ে বিয়ে করা তার জন্যও চরম ক্ষতির কারণ হতে পারে।
[আদ দুররুল মুখতার ৩/৫৬, আল বাহরুর রায়েক ৩/১৯২]
সুত্রঃhttp://quranerjyoti.com
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy