1 Answers
#9 সম্প্রতি দেশজুড়ে আলোচনায় বৈধ বোলিং অ্যাকশন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হয়েছেন অনেক বোলার। এই পর্যন্ত ৯ জন বোলার বিভিন্ন মেয়াদে ক্রিকেট থেকে নির্বাসিত হয়েছেন।
আইসিসির বোলিং নীতিমালায় বলা হয়েছে, বল ডেলিভারি দেয়ার সময় ১৫ ডিগ্রির চেয়ে বেশি মাত্রায় হাত সোজা থাকলে সেটা অবৈধ।
আর অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের বিরুদ্ধে প্রথম রায় দেয়া হয় ১৯৯৯ সালে। তার পর থেকে আজ পর্যন্ত ১০ বোলারকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সর্বশেষ রায় আজমলের বিপক্ষে।
১৮৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু হওয়ার পর অনেক বোলারের বিরুদ্ধেই অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ উঠেছে। তবে সবাই নিষিদ্ধ হননি। কেউ সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ হলেও বোলিং অ্যাকশন পরিবর্তন করে আবার খেলায় ফিরেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার ইয়ান ম্যাকিফ, ইংল্যান্ডের টনি লক ও জিম্বাবুয়ের গ্রান্ট ফ্লাওয়ারের বিরুদ্ধে অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ উঠেছিল। তবে তাদের নিষিদ্ধ হতে হয়নি।
এই ব্যাপারটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে ১৯৯৫ সালে মেলবোর্নে অস্ট্রোলিয়া-শ্রীলঙ্কার বক্সিং ডে টেস্টে। লঙ্কান স্পিনার মুত্তিয়া মুরালিধারনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন আম্পায়ার ড্যারেল হেয়ার। এই ঘটনার ঠিক ১০ দিন পর ব্রিজবেনে
ওয়ানডে ম্যাচে মুরালির বল নো ডাকা হয়।
এর তিন বছর পর ফের অস্ট্রেলিয়া সফরে মুরালির বল নো ডাকা হয়। যার দরুণ সফরই বয়কটের হুমকি দিয়েছিলেন অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গা। বহু বিতর্ক হলেও ১৯ বছরের ক্যারিয়ারে কখনই নিষিদ্ধ হতে হয়নি।
অভিযোগ উঠেছিল ভারতের স্পিনার হরভজন সিং, পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ ও অসি স্পিড স্টার ব্রেট লি’র বিপক্ষেও। তবে তাদেরও নিষিদ্ধ হতে হয়নি।
এবার দেখা যাক অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের জন্য আইসিসি কর্তৃক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে স্থায়ী ও সাময়কিভাবে নিষিদ্ধ ক্রিকেটার কারা।
অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের জন্য প্রথম বোলার হিসেবে ১৯৯৯ সালে নিষিদ্ধ হন পাকিস্তানের শোয়েব আকতার। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে। তবে মেডিকেল পরীক্ষা দিয়ে ফের খেলায় ফিরে আসেন ‘রাওয়াল পিন্ডি এক্সপ্রেস’।
নিষিদ্ধ হওয়া দ্বিতীয় বোলারও পাকিস্তানি। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে অভিযোগ উঠলে ১২ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা পেসার সাব্বির আহমেদকে। পরে অবশ্য অ্যাকশন পরিবর্তন করে আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেছেন তিনি।
২০০৫ সালে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস কর্তৃক নিষিদ্ধ করা হয় জেমস কাইটলিকে। মেডিকেল পরীক্ষার পর ফের খেলায় ফেরেন তিনি। তবে ২০১০ সালে ক্যারিয়ার শেষ করা আগ পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের কড়া স্ক্যানারের তলায় থাকতে হয়েছে তাকে।
২০০৬ সালে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার জোহান বোথাকে। বোলিং অ্যাকশন পরিবর্তন করে ক্রিকেটে ফেরেন ২০০৭ সালে। এরপরও বেশ কয়েকবার তাকে মেডিকেল পরীক্ষা করতে হয়েছে।
২০০৮ সালে অভিযোগ উঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্পিনার মারলন স্যামুয়েলস ও বাংলাদেশের আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে। পরে রাজ্জাকের ডেলিভারি বৈধ ঘোষিত হলেও স্যামুয়েলস শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলে যাওয়ার অনুমতি পান।
২০১০ সালে নিষিদ্ধ করা হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্পিনার সেন শিলিংফোর্ডকে। এক বছর পর ক্রিকেটে ফিরলে আবারো তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে। শেষ পর্যন্ত ২০১৩ সালে ‘দুসরা’ না দেয়ার শর্তে খেলার অনুমতি দেয়া হয় তাকে।
২০১৪ সালের এ পর্যন্ত মোট তিন জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আইসিসি। জুলাইতে শ্রীলঙ্কান স্পিনার সুচিত্রা সেনানায়েক ও নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসনকে নিষিদ্ধ করে সংস্থাটি। পরে সেনানায়েক অনুমতি পেলেও উইলিয়ামসনকে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলার অনুমতি দিয়েছে আইসিসি।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy