কি ভাবে করবো বিস্তারিত বলবেন। আমার রুট বিষয়ে মুঠেও জ্ঞান নেই
2932 views

4 Answers

প্রথমে এখান থেকে http://mmgr.myapp.com/myapp/kdown/img/NewKingrootV4.81_C136_B245_en_release_2016_02_29_248173.apk এপ টি ডাউনলোড করে ওপেন করুন । দেখবেন সব চাইনিজ ভাষায় ! ভয় পায়েন না ভাউ mein hu na ! দেখবেন মাঝে সবুজ গোল একটি বাটন এর মতো। সেটিকে লোড হতে টাইম দিন ৪-৫ সেকেন্ড। তারপর বাটন টায় প্রেস করুন। কিছুক্ষন টাইম লাগবে। ২-৩ মিনিট ও লাগতে পারে। কাজ হলে দেখবেন সবুজ বাটন টা টিক চিনহো (sign) এর মতো হয়ে গেসে।

2932 views

আপনাকে শুরু থেকে বলছি । সিমে কিছু এমবি রাখুন । এবার একটা Latest version এর Kingroot.apk ডাউনলোড করুন ইনস্টাল দিন । আপনাকে রুট করার সময় ডাটা কানেকশন চালু রাখতে হবে এবং সিমে এমবি রাখতে হবে । এবার এপসটি চালু করে নির্দেশনা মত কাজ করুন । তারপর ওখানে রুট করার পার্সেন্টেজ দেখাবে । সাকসেস হলে প্লে স্টোর থেকে একটা রুট চেকার এপস নিয়ে দেখতে পারেন ফোন রুট হয়েছে কিনা । আর বর্তমান Kingroot টির ভাষা ইংরেজি তাই ভয় পাবার কোন দরকার নেই

2932 views

এটি বিস্তারিত দেখুনঃ রুট করার সুবিধা পারফরমেন্স বাড়ানোঃবিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ডিভাইসের অব্যবহৃত ফাইল, টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি নিয়মিত মুছে ফোনের গতি ঠিক রাখা। ওভারক্লকিং করাঃ সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করানো। এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায়। আন্ডারক্লকিং করাঃ যখন ডিভাইস এমনিতেই পড়ে থাকে, তখন সিপিইউ যেন অযথা কাজ না করে যে জন্য এর কাজের ক্ষমতা কমিয়ে আনা। এতে করে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব। কাস্টম ইউআই : আপনার ডিভাইসের হোমস্ক্রিন, লক স্ক্রিন, মেনু ইত্যাদি বিভিন্ন ইউজার ইন্টারফেসের ডিজাইন একটা সময় পর আর ভালো নাও লাগতে পারে। তখন আপনি ডিভাইসে নতুনত্ব আনতে পারবেন নতুন সব কাস্টম ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে। এগুলোকে অন্যভাবে রমও বলা হয়। কাস্টম রম : ইন্সটল করার সুবিধা। অনেক ডেভেলপার বিভিন্ন জনপ্রিয় ডিভাইসের জন্য কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন। এসব রম ইন্সটল করে আপনি আপনার সেটকে সম্পূর্ণ নতুন একটি সেটের রূপ দিতে পারবেন। বাইরে থেকে অবশ্যই এর ডানা-পাখনা গজাবে না বা ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল থেকে ৮ মেগাপিক্সেল হবে না, কিন্তু ভেতরের ডিজাইন ও ক্ষেত্রবিশেষে পারফরম্যান্সেও আসবে আমূল পরিবর্তন। রুট করার অসুবিধা ওয়ারেন্টি হারানোঃ ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে আপনার ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে। তাই রুট করার আগে সাবধান। অবশ্য অনেক সেট আবার আনরুট করা যায়। আর সেট আনরুট করা হলে তা সার্ভিস সেন্টারে থাকা টেকনিশিয়ানরা অনেক সময়ই ধরতে পারেন না যে সেটটি রুট করা হয়েছিল। তবে কাস্টম রম থাকলে ধরা খাওয়া এড়ানোর উপায় নেই। ফোন ব্রিক করাঃ ব্রিক অর্থ ইট। আর ফোন ব্রিক মানে আপনার ডিভাইসকে ইটে রূপান্তরিত করা। অর্থাৎ, এর কাজ করার ক্ষমতা হারানো। রুট করা ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় একটু এদিক-সেদিক হলেই ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে। আপনার ফোনের প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফোনটি আনরুট অবস্থায় দেন যেন এর ক্ষতি না হয়। রুট করার মাধ্যমে আপনি সেই নিশ্চয়তা ভেঙ্গে ফেলছেন। রুট করার পদ্ধতি ও শেষ কথা এই ছিল রুট নিয়ে যত বকবকানি। রুট নিয়ে বা এর করা-না করা, উপকারিতা-অপকারিতা নিয়ে আরও অনেক কথা বলা যায়, কিন্তু এগুলোই হচ্ছে বেসিক কথা। আশা করছি এতটুকু পড়েই আপনারা বেশ স্পষ্ট একটি ধারণা পেয়েছেন ডিভাইস কেন রুট করা হয়, এর সুবিধা-অসুবিধা ইত্যাদি। এখন অনেকেই তাদের ডিভাইস রুট করতে চাইবেন। তাদের জন্য বলছি, একেক ডিভাইস রুট করার পদ্ধতি একেক রকম। স্যামসাং গ্যালাক্সি ওয়াই রুট করার পদ্ধতির সঙ্গে এইচটিসি ওয়ান এক্স রুট করার পদ্ধতির কোনো মিল নেই। এইচটিসি কেন, গ্যালাক্সি ওয়াই-এর সঙ্গে স্যামসাং-এরই অন্য কোনো সেট রুট করার পদ্ধতি এক নয়। এছাড়াও একই ডিভাইস রুট করার একাধিক পদ্ধতিও রয়েছে। আবার একটি পদ্ধতি দিয়ে একাধিক ডিভাইস রুট করা যায়। রুটের বিষয়টি এতোটাই জটিল ও বিস্তৃত যে, রাতারাতিই এ নিয়ে সব লিখে ফেলা যায় না। আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে, নিজেদের হাতে সেট না থাকলে রুট করার পদ্ধতি নিয়ে টিউটোরিয়াল লেখাও যায় না। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বিভিন্ন সময় আমাদের হাতে আসা ও পরিচিতদের ডিভাইস রুট করার পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন সময় পোস্ট প্রকাশ করবো। আর যদি বিশেষ কোনো ডিভাইস নিয়ে রুট করার টিউটোরিয়ালের জন্য একাধিক অনুরোধ আসে, তাহলে আমরা এক্সডিএ থেকে অনুবাদ করে টিউটোরিয়াল দেবো। বলা বাহুল্য, এক্সডিএ অ্যান্ড্রয়েড বিষয়ক সবচেয়ে বড় ফোরাম যেখানে অ্যান্ড্রয়েডসহ বিভিন্ন সিনিয়র রম ডেভেলপারদের সম্মেলন ঘটে।

2932 views

এক সময় এন্ড্রয়েড ফোন রুট করা অনেক কঠিন একটা ব্যাপার ছিল। কিন্তু এখন রুট করাটা অনেক সহজতর ব্যাপার হয়েগেছে। আমি আপনাদের আজকে ০৩ টি উপায়ে রুট করার কৌশল দেখাবো। ০২ টি পদ্ধতী দেখাবো কিভাবে কম্পিউটার ছাড়াও আপনার নিজস্ব মোবাইলের মাধ্যমে রুট করতে হয়। আর ৩য় পদ্ধতীতে দেখাবো কম্পিউটার দিয়ে কিভাবে এন্ড্রয়েড মোবাইল রুট করতে হয়। ০৩ টি পদ্ধতীই খুব সহজ এবং নিরাপদ। যার যার চাহিদামত কম্পিউটার অথবা মোবাইলের মাধ্যমে আপনার প্রিয় এন্ড্রয়েড মোবাইলটি-কে রুট করে নিতে পারবেন। যাদের কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপ নেই তারা চাইবে মোবাইলের সাহায্যে রুট করে নিতে। আর যাদের কম্পিউটার আছে তারা ইচ্ছা করলে ০৩ টির মধ্যে যে কোন একটি উপায়ে রুট করে নিতে পারবেন। সবার চাহিদার কথা ভেবে আমি আপনাদের জন্য এই তিনটি পদ্ধতি একসাথে শেয়ার করে দিলাম। তবে আমার পরামর্শ হচ্ছে যাদের কম্পিউটার আছে তারা অবশ্যই কম্পিউটার এর মাধ্যমে রুট করে নিবেন। কারণ কম্পিউটার এর মাধ্যমে রুট করা সবচেয়ে সহজ এবং নিরাপদ। আপডেটঃ পোষ্টটি সর্বশেষ ১৫/ ১১ /২০১৫ তারিখে আপডেট করা হয়েছে। রুট কিঃ শব্দটি এতোই প্রচলিত হয়ে গেছে যে, রুট ইউজার বলার বদলে সবাই এটিকে সরাসরি রুট বলে থাকে। সবচেয়ে সহজ শব্দে বলা যায়, রুট হচ্ছে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটর বা প্রশাসক। যদিও এর বাংলা অর্থ গাছের শিকড়, লিনাক্সের জগতে রুট বলতে সেই পারমিশন বা অনুমতিকে বোঝায়, যা ব্যবহারকারীকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করে তোলে। রুট হচ্ছে একটি এ্যাডমিনিষ্ট্রেশন পারমিশন বা অনুমতি। এই অনুমতি থাকলে ব্যবহারকারী সেই ডিভাইসে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী এ্যাডমিনিষ্ট্রেটর প্রিভিলেজ ছাড়া সিস্টেম ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন না। লিনাক্সেও তেমনি রুট পারমিশন প্রাপ্ত ইউজার ছাড়া সিস্টেম এ্যাডমিনিষ্ট্রেশনের কাজগুলো করা যায় না। যিনি লিনাক্স-চালিত কম্পিউটার বা সার্ভারে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন অথবা যার সব কিছু করার অনুমতি রয়েছে, তাকেই রুট ইউজার বলা হয়। নিচে আমি বর্ণনা করবো কিভাবে রুট করতে হয়। বিস্তারিত--> http://www.prozokti.com/2015/04/how-to-root-android.html?m=1

2932 views

Related Questions