2 Answers
র্যাম (RAM) হল এক ধরনের কম্পিউটারের উপাত্ত (ডাটা) সংরক্ষণের মাধ্যম। র্যাম থেকে যে কোন ক্রমে উপাত্ত "অ্যাক্সেস" করা যায়, এ কারণেই একে র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি বলা হয়। র্যান্ডম শব্দটি দিয়ে এখানে বুঝানো হয়েছে - যে কোনো উপাত্ত (তার অবস্থানের উপরে নির্ভর না করে) ঠিক একই নির্দিষ্ট সময়ে উদ্ধার করা যায়। রক্ষনাত্নক দৃষ্টিতে, আধুনিক ডির্যামগুলো র্যান্ডম এ্যাকসেস মেমোরি নয় (যেভাবে এগুলো ডাটা রিড করতে পারে)। একইসাথে, বিভিন্ন ধরনের এসর্যাম, রম, ওটিপি এবং নর ফ্ল্যাশ ইত্যাদি র্যান্ডম এ্যাকসেস মেমোরি। র্যামকে ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয় কারন এতে সংরক্ষিত তথ্য বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর আর থাকে না। আরো কিছু নন-ভোলাটাইল মেমোরি (যেগুলোতে বিদ্যুত চলে যাওয়ার পরও তথ্য মুছে যায় না) যেগুলো রক্ষনাত্মক দৃষ্টিতে র্যাম সেগুলো হল রম, একধরনের ফ্লাশ মেমোরি যাকে নর-ফ্লাশ বলে।
RAM=Random Access Memory ROM=Read Only Memory RAM কে সাধারণত সহায়ক স্মৃতি বলা হয়। উদাহরণ দিচ্ছি ছোট করে। যোগ করছেন ১৩ আর ১৯ দুটি সংখ্যার। এখন যখন ৯+৩ করবেন তখন তার নিজে উত্তর বসানোর সময় লিখবেন ২ হাতে বা মনে রাখবেন ১। এখন কম্পিউটারের বেলাতে এই ১ বা ১০ যেটা হাতে বা মনে রেখেছেন সেটা কোথায় রাখবে? হ্যাঁ, সেটা সে RAM এ সংরক্ষণ করবে। আবার যখন প্রয়োজন তখন ঐখান থেকে দেখে নিবে আর কাজ শেষে মুছে দিবে। ROM মূলত এমন একটা মেমরি যাতে ডাটা স্থায়ী ভাবে সংরক্ষিত থাকে। যেমন CD/DVD ডিস্ক। এতে একবার মাত্র ডাটাকে লিখে পরে শুধু Read বা পড়া হয়। তেমনি যেসকল মেমরি শুধু মাত্র একবার সংরক্ষণের সুবিধা দেয় এবং পরবর্তীতে তা শুধু ঐ সংরক্ষণকে পড়া বা ব্যবহারের কাজ করে থাকে তাকেই ROM বলা হয়।