1 Answers

পৃথিবীর তিনটি শক্তিশালী বোমার মধ্যে হাইড্রোজেন বোমা অন্যতম। এটি থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা নামেও পরিচিত। নক্ষত্রের যে প্রক্রিয়ায় আলো তৈরি হয়, হাইড্রোজেন বোমা ঠিক সেই প্রক্রিয়ায় কাজে করে। হাইড্রোজেন বোমায় নিউক্লিয়াস একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় চারটি হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াসকে সংযুক্ত করে একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস গঠন করা হয়। আর এই একীভূতকরণের সময় সৃষ্টি হয় প্রচণ্ড তাপ। হাইড্রোজেন বোমার ভেতরে একটি মিনি সাইজের এটমবোমাও থাকে। বিস্ফোরণের আগে বোমার ভেতরে একীভবনের ক্রিয়াটি শুরু করার জন্যই একে ধরে রাখা হয়। মূল বোমাটি বিস্ফোরণের আগেই এটি বিস্ফোরিত হয়। তখন তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যায়। এই তাপমাত্রাতেই ডয়টেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম মিলে হিলিয়াম নিউক্লিয়াস সৃষ্টির কাজ করে। তাতে তাপমাত্রা বেড়ে যায় আরো বহুগুণ। এই প্রক্রিয়ায় শুধু হিলিয়ামই উৎপন্ন হয় না, সঙ্গে সঙ্গে নিউট্রনও উৎপাদিত হয়। তখন আবার নিউট্রন বোমার মতো কাজ করতে থাকে এবং একই ভবন ক্রিয়াকে চালু রাখে। তাই এই বোমা পারমাণবিক বোমা থেকে অনেক শক্তিশালী। হাইড্রোজেন বোমায় হাইড্রোজেনের ডিউটারিযাম ও ট্রাইটিয়াম নামক দুটি আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণে লক্ষ লক্ষ ডিগ্রী তাপমাত্রার সৃষ্টি হয়।

3198 views