6 Answers
ইচ্ছাশক্তি এ আপনাকে আপনার গতিপথ পরিবর্তন করে দিতে পারে। মনকে খারাপ চিন্তা হতে দূরে রাখুন। রুটিন মেনে পড়ার চেষ্টা করেন।ধর্মীয় বিধি-নিষেধ মেনে চলুন।ইচ্ছাশক্তিতে বলীয়ান হয়ে আপনি আপনার মতকে পাল্টাতে পারেন। তাই আমি বলব ইচ্ছাশক্তি এ পারে আপনার পড়ায় মান বসাতে।
পড়ালেখা করতে চাই একটি স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশ।যেখানে আপনি যাবতীয় ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকবেন।থাকতে হবে একটি সুনির্দিষ্ট রুটিন।যাকে ফলো করেই পড়া চালিয়ে যেতে হবে প্রতিদিন।জীবনে একজন আর্দশ ব্যক্তি হতে হলে পড়ালেখা করতেই হবে।তাই পড়ার সময় যাবতীয় চিন্তা ছেড়ে দিয়ে শুধু পড়ালেখায় মনোযোগী থাকুন।সব ঠিক হয়ে যাবে।
ভবিষ্যতের কথা ভাবুন, মা-বাবার কথা ভাবুন। আশা করি আপনি আপনার মা-বাবাকে সবচেয়ে বেশী ভালোবাসেন। আর তাদের যদি ঠিকই ভালোবেসে থাকেন তাদের কথা ভেবে আপনাকে পড়াশুনায় মনোযোগী হতে হবে। কারণ তাদের একটাই স্বপ্ন তাঁদের সন্তান পড়াশুনায় ভালো ফলাফল করে অনেক বড় প্রতিষ্ঠিত হবে। আপনাকে পড়াশুনা করানোর জন্য অনেক কষ্ট করছেন তাঁরা। তাই আপনাকে মনোযোগী হতে হবে। আনন্দদায়কভাবে পড়ার চেস্টা করুন। যে শিক্ষকের সাথে সম্পর্ক ভালো তাঁর সাথে কথা বলে পরামর্শ নিতে পারেন।
পড়া-লেখায় মনযোগী হওয়ার উপায় হলো, ভবিষ্যৎ জীবনে একজন বড় কিছু হওয়ার স্বপ্ন দেখা। যেটা আপনার প্রয়োজন। তাহলে আপনি মনযোগী হতে পারেন।
পড়ায় মনোযোগ বাড়ানোর জন্য নিচের টিপসগুলো অনুসরন করুন।তাহলে পড়ায় মন বসবে।নিচে উপায়গুলো দেয়া হল: ০১. মনস্থিরঃ অমনোযোগীতা আনতে পারে এমন সব বিষয় মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। আপনার পড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু হাতের কাছেই রাখুন যাতে বারবার উঠতে না হয়। অনেকের বারবার ফোন আসে পড়ার সময়।খুব বেশি দরকার না হলে ফোন বন্ধ করে রাখতে পারেন। পড়তে বসার অন্তত ৫ মিনিট আগ থেকে মনস্থির করুন। ০২. শিক্ষকতাঃ আপনি যে বিষয় পড়বেন সেটা অন্য কাউকে শিক্ষা দিন।এমন কাউকে যে সে বিষয়টা সম্পর্কে জানেনা। শিক্ষকতা নিজের জ্ঞান আহরণের জন্য সবচেয়ে উত্তম উপায়। যেমন- আপনি যদি গণিত কম বোঝেন বা গণিত নিয়ে পড়তে চান ভবিষ্যতে আপনার উচিত এখন থেকেই গনিতের উপর শিক্ষা দান করা অন্যদের। এতে আপনার নিজেরও চর্চা থাকবে বিষয়টির উপর। ০৩. ইন্দ্রিয় সক্রিয়ঃ আপনার সব ইন্দ্রিয় সক্রিয় করুন। আপনি একটি বিষয় যতই পড়ুন না কেন সারাদিন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি তা মনে রাখতে পারবেন না অথবা বুঝবেন না যতক্ষণ না আপনি বিষয়টি আপনার চারপাশের কিছুর সাথে সম্পৃক্ত করতে পারছেন। চারপাশের জিনিসের সাথে আপনি আহরণ করা জ্ঞান মিলিয়ে নেয়ার চেষ্টা করুন। ০৪. সংযোগঃ প্রত্যেকটি বিষয়, ধারণার মাঝে সংযোগ স্থাপন করতে শিখুন। একটি আরেকটির সাথে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে আপনার নিজের জ্ঞানের পরিধিও অনেক বাড়বে। ০৫. নতুন ধারণা ও পরিচিত ধারণার মাঝে সংযোগঃ আপনি যখন নতুন কোন বিষয় বা তথ্য সম্পর্কে জানবেন তখন তা আপনার বর্তমানের পরিচিত কোন জানা তথ্য বা ধারণার সাথে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করুন। এতে পরীক্ষার সময় আপনার সে নতুন তথ্য ভুলে যাবার আশঙ্কা কম থাকে। ০৬. মস্তিষ্কের উপর চাপ না দেয়াঃ পরীক্ষার আগে কিছুদিন পড়লে আপনার মস্তিষ্কের উপর চাপ পড়তে পারে। তাই সবসময় অল্প অল্প পড়ার মাঝে থাকবেন। এতে করে আপনার উপর কোন মানসিক চাপও থাকবেনা আর আপনি পরীক্ষার আগে একটু রিভিশন দিলেই আপনার হয়ে যাবে। ০৭. তথ্যের ধরনঃ পড়ার সময় প্রত্যেকটি তথ্যের ধরন বোঝার চেষ্টা করুন। যেমন- যে তথ্য দেয়া আছে সেটা কি গাণিতিক তথ্য, নাকি ঐতিহাসিক কোন তথ্য, নাকি কোন ব্যক্তি বা দেশ সম্পর্কে তথ্য এসব বিষয়ে ভালো করে বুঝে তারপর মুখস্ত করতে হবে। না বুঝে মুখস্ত করলে তা কোনদিন মনে থাকবেনা। ০৮. সুদৃঢ় জ্ঞানের ভিতঃ সব সময় পুস্তকি বিদ্যার সাথে সম্পৃক্ত করলে হবেনা। অন্যান্য বিভিন্ন বই থেকে আহরিত জ্ঞানের সাথেও সম্পৃক্ত করতে হবে। সেজন্য দেশ ও দেশের বাইরের অনেক লেখকের বই পড়ার অভ্যাস সব সময় রাখতে হবে। এটা শুধু মাত্র বিনোদনের জন্য নয়, বরং অনেক কিছু সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করা যায় আর নিজের জ্ঞানের ভিত্তিটা অনেক মজবুত ও শক্ত করে গড়ে তোলা যায় যাকে ভিত হিসেবে ধরে আপনি আপনার জ্ঞানের পরিধি বাড়িয়ে নিতে পারেন। ০৯. নিজস্ব রীতিঃ যখন কোন বিষয় পড়বেন তখন নিজের একটা আলাদা রীতি অনুসরণ করার চেষ্টা করুন আর বিষয়টির একটি ছবি আপনার মনের মধ্যে এঁকে নিন। এতে বিষয়টি আপনার খুব সহজেই মনে থাকবে। ১০. নোটঃ আপনার পড়ার মূল লক্ষ্য কিন্তু সেটাকে বুঝে জ্ঞান আহরণ করা আর পরীক্ষায় ভালো করা। কিন্তু আপনি যদি নাই বোঝেন তাহলে ভালো করার প্রশ্নই আসেনা। তাই যে বিষয়টি বুঝবেন না তার পেছনে একটু বেশি মনোযোগী হন। প্রয়োজনে খাতায় লিখে, করে বোঝেন। কারণ না বুঝে মুখস্ত করে সেটা বেশিক্ষণ মনে রাখা কোন ছাত্রের পক্ষেই সম্ভব নয়।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy