7 Answers
ধৈর্য মহত্ত্ব এর লক্ষণ, সব কাজে আমি সফল হব,তা কখনো সম্ভব নয়,বরং বিফলতায় হতে হবে সফলতার অনুপ্রেরণা, আর এই লক্ষ্যে ধৈর্য ধরে এগিয়ে যান,আশা করি কাং্খিত লক্ষ্যে পৌছাঁতে পারবেন।
আপনি যখন ব্যর্থ হয়ে যান তখন মনিষীদের কথা চিন্তা করুন।তারা জীবনে কতবার ব্যর্থ হয়েছেন।তার পরও তারা একসময় সফল হয়েছেন।নিউটনের তো গবেষণার সব কাগজপত্র পুডে ছাই হয়ে গেছিল।আসলে ব্যর্থতাই সফলতার চাবিকঠি।
যত বেশি ব্যার্থ হবেন মনে ততবেশি ধোর্য যোগাবেন, আপনার দুরন্তপনা ব্যার্থতাকে একসময় হারিয়ে সফলতা বয়ে আনবে।
রবার্ট ব্রুক যখন তার রাজকার্যে যুদ্ধে পরাজিত হন, একে একে তার সব সৈন্য নিহত হতে দেখে, তিনি কোনরকমে সেখান থেকে পালিয়ে এক গুহার ভিতর আশ্রয় নেন, সেখানে তিনি খেয়াল করলেন যে, একটা মাকড়সা গুহার দেয়ালে জাল বানানোর চেষ্টা করছে, এবং বারবার ব্যর্থ হয়ে একবার সফল হয়ে গেল। তখন রবার্ট ব্রুক এর থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজ্য জয় করলেন, এ থেকে প্রমানীত হয় মানুষের ধৈর্যই হচ্ছে প্রধান শক্তি।
ভাই ওলি হাসান, আপনি অবশ্যই জানেন কুরআন শরিফে বলা হয়েছে তোমরা ধৈর্য্য ও নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করো।। মনে রাখবেন ব্যর্থতায় সাফল্যের বীজ নিহিত।। আর আপনি এটাও জানেন যে, বিজ্ঞানী এডিসন হাজারবার ব্যর্থ হয়েও হাল ছেড়ে দেন নাই।পরবর্তিতে তিনি সফল হয়েছিলেন বৈদ্যুতিক বাল্ব আবিষ্কার করে।তাই ভেঙ্গে না পড়ে এগিয়ে যান।সাফল্য একদিন আপনার কাছে ধরা দিবে।
বার বার কোন কাজে ব্যার্থ হবার পর মানুষ যখন সেই কাজটায় সফল হবার জন্য আরো কঠিনভাবে পরিশ্রম করে তখন সে সেই কাজটায় সফল হয়। অর্থাৎ ব্যার্থতা মানুষকে সফলতার দিকে নিয়ে যায়। ®হোঁচট খাওয়া মানেই হেরে যাওয়া নয়। জয়ের অনীহা থেকেই পরাজয় শুরু হয়।
পবিত্র কুরআন শরিফে আছে ইন্নাল্লাহা মায়া ছবিরিন।নিশ্চয় আল্লহ তায়ালা ধৈর্যশীলকে পছন্দ করেন।এজন্য কোন কাজে ব্যার্থ হলে আল্লাহকে স্বরন করা যেমন আলহামদুলিল্লাহ