বাংলাদেশ - জার্মান টেকনিকাল ট্রেনিং সেন্টার সম্পকে সবকিছু জানতে চাই?
1 Answers
স্বল্প শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল ও সনদ অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছে স্কিলস অ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট (স্টেপ)। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এ প্রকল্পের আওতায় ২০১০ সাল থেকে অনুমোদিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলো কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশ, বিদেশে মানসম্মত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্ঠির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতি মাসে দুবার তিন দিন করে কারিগরি শিক্ষার বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণের পাশাপাশি অভিজ্ঞতার সনদ দিয়ে থাকে। দেশের ১০টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে এসব প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। স্টেপের পরামর্শক মো. জিল্লুর রহমান বলেন, এখান থেকে প্রশিক্ষণ ও সনদ নিয়ে কেউ বেকার থাকেন না। এ সনদটি একজন কর্মীকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলবে। সনদধারীরা এ সনদ দেখিয়ে দেশ-বিদেশে খুব সহজেই ভালো চাকরি করতে পারবেন। জিল্লুর রহমান আরও বলেন, এ প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজে উদ্যোগী হয়েও ব্যবসা করা সম্ভব। ২০১৪ সালে গাজীপুর থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন নিখিল চন্দ্র রায়। বর্তমানে তিনি একটি ওয়ার্কশপের মালিক। তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সনদধারীদের ভালো মূল্যায়ন করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন মিলকারখানায় ওয়্যারিংরের কাজ করেও ভালো উপার্জন করা যায়। এখানে যেসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় তার মধ্যে ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন অ্যান্ড মেইনটেনেন্স (সিভিল কনস্ট্রাকশন), প্লাম্বিং, মোটরসাইকেল সার্ভিসিং, ব্লক বাটিক অ্যান্ড স্ক্রিন প্রিন্টিং, সুইংমেশিন অপারেশন, টেইলারিং অ্যান্ড ড্রেস মেকিং প্রভৃতি বিষয় উল্লেখযোগ্য। সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিষয়ভেদে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এসব প্রশিক্ষণে আবেদন করতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আবেদনকারীকে কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার কিছু অভিজ্ঞতাথাকতে হয়। প্রশিক্ষণ নিতে হলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলো থেকে বা স্টেপের ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে। আবেদনপত্রে প্রার্থীকে তাঁর নাম, পিতা মাতার নাম, স্থায়ী ঠিকানা, কর্মস্থলের ঠিকানা, পদবি, পছন্দের বিষয়, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি উল্লেখপূর্বক দুই কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি, কাজের অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র, শিক্ষাসনদ (যদি থাকে) সংযুক্ত করে নিকটস্থ বা পছন্দের কেন্দ্রের অধ্যক্ষ বরাবরে জমা জমা দিতে হবে। জিল্লুর রহমান জানান, আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রথমে দুই দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে । তিনি বলেন ‘এই দুই দিনে মূলত প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আর তৃতীয় দিনে তাঁরা হাতে-কলমে যে কাজগুলো করবে, তার মূল্যায়ন করা হবে।’ প্রশিক্ষণার্থীদের থাকা, খাওয়া, যাতায়াত ভাতাসহ নানা ধরনের সুবিধা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেই দেওয়া হবে। বিস্তারিত জানতে খোঁজ নিতে পারেন বাংলাদেশ-জার্মান টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, মিরপুর-২, ঢাকা। মোবাইল: ০১৭১৮১১৬২০৭
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy