স্মার্ট হতে হলে কি করতে হবে...?
2805 views

3 Answers

স্মার্ট হতে হলে আপনার সুরতের চেয়ে আপনার স্টাইল,কথা বলা,হাসি,চাহনী আপনাকে অধিক গুরুত্বপুর্ন করে তুলবে।

এখানে দেখুন কিভাবে নিজেকে স্মার্ট করে তুলবেন--------
• দয়া করে এক জনের কথা আর একজন কে লাগাবেন না।
• নারী প্রেমী আমরা সবাই,কিন্তু ভুলেও প্রকাশ করবেন না।
• সব সময় পোশাক আশাকে ফিটফাট থাকুন,ট্রেন্ড ফলো করা টা গুরূত্বপুর্ন নয়।
• হাটার সময় গোড়ালি আগে ফেলুন।এতে হাটার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
• বন্ধুদের সাথে তাল মিলিয়ে অন্যদের পঁচাবেন না,কিন্তু হাসি হাসি ভাব থাকা টা ভালো।
• শয়তান না হলে লিডার হওয়া যায় না।সব জায়গায় লিডার হওয়ার দরকার নাই।বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে লিডারশিপ দেখান যেখান থেকে আপনি আরো এক সিড়ি উপরে উঠার চান্স পাবেন।এখেত্রে আপনি আপনার এক্সিসটিং লিডার কে কথা,সুতিক্ষনো যুক্তি,দক্ষতা শো অফ করে চুপ করে বসিয়ে রাখেন।
• মনে রাখবেন সবার সামনে আপনার পারফর্মেন্সের সাথে পার্সোনালিটি জড়িত।যদি রেসাল্ট বা কাজ খারাপ হয় তাহলে যতই ভাব মারেন কাজ হবে না।

2805 views

স্মার্ট হতে হলে প্রথম শর্ত হলো আপনাকে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। -পোশাক আশাক সুন্দর করেই যে আপনি স্মার্ট হবেন তা হবে না। -গুছিয়ে কথা বলা; -উপস্থিত বুদ্ধি; -পরিষ্কার পরিছন্ন; -যে কোনো পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেয়া -এবং নিজের আশে পাশের সম্পর্কে ভালো জানা শোনা থাকা স্মার্ট হওয়ার কিছু অন্যতম দিক। এই সব দিক গুলো নিয়মিত চর্চার মাধ্যমেই স্মার্ট হওয়ার অর্জন করা সম্ভম।

2805 views

ইংরেজি ‘স্মার্ট’ শব্দটির মানে একেক জনের কাছে একেক রকম। যদিও এর আভিধানিক অর্থ অবশ্য চটপটে, তীক্ষ্ণাধী বা বুদ্ধিমান। তবে যাই হোক না কেনো সবারই লক্ষ্য থাকে নিজেকে স্মার্ট হিসেবে অন্যের কাছে উপস্থাপনের। তাই স্মার্ট হওয়ার জন্য একেক জনের কর্মকাণ্ডের শেষ নেই। অনেকেই মনে করেন, ইন্টারনেটে বেশি সময় থাকলে, সব সময় দৌড় ঝাঁপের মধ্যে থাকলে বা কথা বেশি বললে কিংবা তর্ক করলে স্মার্ট হওয়া যায়। আদৌ কি তাই? মোটেও না। মনে রাখতে হবে, স্মার্ট হতে হলে অন্যের কথা শুনে তারপর বুঝে কথা বলতে হবে, কারণে-অকারণে দ্বন্দ্বে জড়ানো যাবে না, অন্যকে কথা বলার সুযোগ দিতে হবে, সবসময় দৌড়ঝাঁপের মধ্যে না থেকে ধীর স্থির ভাবে চলতে হবে। মনে রাখতে হবে, স্মার্ট ব্যাক্তিরা কখনো তর্কে জড়ায় না। সমাজে কিছু কিছু মানুষ আছে যারা কারণে অকারণে বন্ধু-বান্ধব, পরিবার, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ায়। তারা কখনো স্মার্ট হতে পারে না। বরং যারা তর্ক এড়িয়ে চলেন তারাই প্রকৃত স্মার্ট ব্যক্তি। অনেকেই জেনে শুনে নানান কাজে ফাঁকি দেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, কাজে ফাঁকি দিয়ে সাময়িক সুবিধা বা আরাম হয়তো পাওয়া যায় কিন্তু এটি স্মার্ট মানুষের লক্ষণ নয়। বরং এই কাজ ফাঁকির প্রবণতা ভবিষ্যতের জন্য দুঃখেরও কারণ হয়ে উঠতে পারে। যারা সত্যিকার অর্থে স্মার্ট তারা কখনো কাজে অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয় না। তারা সব কিছুর আগে কাজকে প্রাধান্য দেয়। তারা অন্যের ওপর নিজের কাজ চাপিয়ে দিয়ে স্বার্থ হাসিল করে না এবং নিজের পেশাকে সম্মান করে। এছাড়া প্রকৃত স্মার্ট হওয়ার জন্য সবাইকেই তার মেধা ও মননকে শাণিত করে তুলতে হবে। বেশি বেশি বই পড়তে পারেন, সংস্কৃতি চর্চায় জড়াতে পারেন, দেখতে পারেন নাম করা সব চলচ্চিত্র। মনোবিজ্ঞানীরাও বলেন, বই কম পড়ে দীর্ঘসময় ফেসবুক, টুইটারে সময় কাটালে স্মার্ট হওয়া যায় না। একমাত্র বই পারে আপনাকে স্মার্ট করে তুলতে। নিয়মিত বই পড়লে শুধু স্মার্ট নয় সেইসঙ্গে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখা যায়।

2805 views

Related Questions