3 Answers
ডাক্তারদের হাতের লেখা খারাপ। কেনো? সম্ভবত,তাদের অনেক লিখতে হয় বলে,লিখতে ভালো লাগে না বলে অথবা প্রেশক্রিপশন যত দূর্বোধ্য হবে,রোগী ততই বিদ্বান ডাক্তার বলে মনে করবে বলে। কেউ বাজে হাতের লেখার ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন।তবে আপনার বক্তব্যের সাথে একমত,প্রেসক্রিপশনের লেখা অবশ্যই পরিষ্কার হওয়া উচিত।কারণ, ভুল ওষুধের জন্য মানুষের মৃত্যু হতে পারে। এজন্য বিদেশে কম্পিঊটারে প্রেসক্রিপশন লেখা হয়,তাই ঝামেলা নাই।বাংলাদেশও এটা এতোদিনে চালু হওয়া উচিত ছিল।
সব ডাক্তারের হাতের লেখা যে বাজে তা বলা যাবে না। তবে ডাক্তরা সব সময়ই ব্যাস্ত থাকেন এবং এবং এনাদের ছাত্র জীবন থেকেই হাতের লখা দ্রুত করতে হয়। আর লেখা খরাপ হলেওতো ব্যবস্হাপত্র দেখে ঔষুদ গ্রহন করা সম্ভব।
আমি কক্সবাজার সরকারী হাসপাতালের ডাক্তার মহিউদ্দিন আলমগীর সাহেব কে হাতের লিখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম।কারণ উনি আমার খুব এই পরিচিত ছিলেন।উনি হাতের লিখা সম্পর্কে আমাকে বলেছিলেন,ডাক্তার যখন নাকি বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন তখন নাকি উনাদেরকে বেশী বেশী সংকেত দিয়ে লিখা শিখাতেন।যেমন রোগী দেখার পর যখন প্রেসক্রিপশন লিখেন তখন শুধু ওষুধের সংক্ষিপ্ত নামটাই লিখতে বলা হত।এমনকি ওষুধের নাম বরাবর লিখতে গেলে অনেক সময় বানানের ও গরমিল দেখা দিত।তাই ডাক্তাররা ওষুধের প্রথম লেটার টি বরা বর লিখে বাকি লেটার গুলো টানায় লিখে দেন।তার কারণ হলো অনেক সময় দেখা যায় ওষুধের নাম এর বানান স্পষ্ট করে লিখলে অনেক সময় ওষুধ ক্রেতার সাথে ফার্মেচি ওয়ালাদের বাক বিতন্ডিতা হয়ে যায়। কারণ ফার্মেচি ওয়ালারা অনেক গুলো কোম্পানি'র ওষুধ রাখে বিধায় তারা বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে একই রকম কোম্পানি'র ওষুধের পরিবর্তে অন্য কোম্পানি'র ওষুধ দিয়ে দেই।যেমন পেরাসিটামল এর অনেক গুলো নাম বা কোম্পানি আছে।এই ক্ষেত্রে ওষুধের নাম লিখা আছে পেরাসিটামল কিন্তূ আপনাকে দিল প্যরাপাইরল অথচ কাজ কিন্তূ অনেকটা সমান.এর পর বিক্রেতারা নিতে চায়না।কারণ রেসক্রিপশন এর ব্যতিক্রম নিতে ক্রেতারা আগ্রহী নন।তাই এই সব দিখ বিবেচনা করেই ডাক্তাররা নাকি ইচ্ছা করেই এমনটি লিখে থাকেন যা অনেকের পক্ষেই পড়া সম্ভব হয় না।তাই ডাক্তার দের হাতের লিখা সুন্দর দেখায় না।