3 Answers
আমাদের দেশে হারপিস ভাইরাসের কারণে ঠোঁট আক্রান্ত হতে দেখা যায় যা হারপিসল্যাবিয়ালিস নামে পরিচিত। বারবার হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ঠোঁটে ফুসকুড়ি হতে পারে এবং প্রদাহ দেখা দিতে পারে যা জ্বরঠোসা নামে পরিচিত।
জ্বরঠোসা সাধারণত সাত দিন থেকে দশ দিনের মধ্যে আপনাতেই সেরে যায়। এটা অবশ্য প্রতিকারযোগ্য নয়। তবে জ্বরঠোসার ব্যথা এবং অস্বস্তি থেকে মুক্তির জন্যে:
১. আক্রান্ত স্থানে বরফের টুকরো লাগানো যেতে পারে।
২. ডাক্তারের পরমর্শ অনুযায়ী জ্বরঠোসা প্রতিরোধকারী কোন ক্রিম হাতের নাগালে রাখতে পারেন, এবং লক্ষণ টের পেলেই সেটা ব্যবহার করতে পারেন। যদি আপনি জ্বর-ঠোসা হবার আগ আগ দিয়ে এই ক্রিম ব্যবহার করতে সমর্থ হন, তবে জ্বরঠোসার আক্রমন কম গুরুতর হবে।
৩. টক, ঝাল, মশলাযুক্ত এবং এসিডযুক্ত খাবার পরিত্যাগ করুন, কেননা, এগুলো জ্বরঠোসাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
১. জ্বরঠোসা হয়ে যাবার পর একটা নতুন টুথব্রাশ ব্যবহার শুরু করুন।
২. যদি কাজের বা চিন্তার চাপে আপনার জ্বরঠোসা হবার প্রবণতা থাকে সেক্ষেত্রে শরীর ও মন শীথিলায়নের পদ্ধতি চর্চা করুন, যেমন, নিয়মিত ব্যায়াম করুন, কিংবা যোগ ব্যায়াম চর্চা করুন অথবা মেডিটেশন বা মনোসংযোগ করুন।
৩. জ্বরঠোসায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে চুম্বন করা থেকে বিরত থাকুন।
৪. টুপি পড়ুন কিংবা সূর্যরশ্মীপ্রতিরোধক ক্রিম ঠোঁটে মাখুন, কেননা সূর্যরশ্মী জ্বরঠোসাকে বাড়িয়ে তোলে।
মুখের গোটাকে হেলা নয়অনেকের মুখে গোটা, মেছতা ইত্যাদি হয়ে থাকে। এগুলোকে হেলাফেলা না করে দেখা দেয়া মাত্র চিকিৎসা শুরু করা উচিত। নিজে নিজে বা টোটকা নয়, ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উচিত। নখ দিয়ে এগুলো কোনোমতেই আঁচড় দেয়া বা গলিয়ে ফেলার চেষ্টা করা উচিত নয়, এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ত্বকের স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। সূর্যের তীব্র আলো গোটা, মেছতা বাড়িয়ে দেয়। কাজেই প্রখর সূর্যতাপ থেকে দূরে থাকা উচিত। বেশিরভাগ ত্বক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, মুখকে ধুলাবালি থেকে রক্ষা এবং হালকা সাবান(তেলমুক্ত) দিয়ে নিয়মিত মুখ পরিষ্কারের মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ করা যায়। রিচ ও জাঙ্ক ফুডেও এগুলো বাড়ে, এসব খাবারও পরিহার করা উচিত।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy