'Migrain problem' নামক রোগের কি কোন চিকিৎসা আছে?
2 Answers
Migraine ) আধকপালি ব্যথা বা মাইগ্রেন আধকপালি ব্যথা বা মাইগ্রেন ( Migraine ) ( যারা মাইগ্রেনে আক্রান্ত বা এ ধরনের মাথা ব্যথা বলে মনে করেন তাদের জানা উচিৎ — ইউনি ব্রীস্টল, ইউনি লিভারপুল, মাইগ্রেন রিসার্চ,ও বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অনুসুরন থেকে সংগৃহীত। মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথা ব্যথা। মাইগ্রেন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ হেমিক্রেনিয়া থেকে। হেমি অর্থ অর্ধেক আর ক্রেনিয়া অর্থ মাথার খুলি বা করোটি। এই ব্যাথা অর্ধ মাথায় হয় বলে এর নামকরণ করা হয় হেমিক্রেনিয়া। মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যে কোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে তা বিস্তৃত আকার ধারণ করে। রক্তে সেরোটোনিন বা ফাইব এইচটির মাত্রা পরিবর্তিত হলে মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। মস্তিষ্কের বহিরাবরণে যে ধমনিগুলো আছে সেগুলো মাথাব্যথার প্রারম্ভে স্ফীত হয়ে ফুলে যায়। অর্থাৎ রক্তবাহী শিরাগুলো যখন মস্তিস্কে ঠিকমতো রক্ত সরবরাহ করে না, তখন সেটাকে অনেকে মাইগ্রেনের ব্যথা হিসেবে চিহ্নিত করেন তবে টেনশন বা অন্য কারণেও এটা হতে পারে। তাছাড়া রক্তবাহী শিরাগুলো কখনও কোনো কারণে অতিরিক্ত রক্ত সরবরাহ করলে মাথাব্যথা হতে পারে। এই ব্যথা মাইগ্রেনের ব্যথার চেয়ে তীব্র; সে জন্য মনে রাখবেন মাইগ্রেনের ব্যথার সাথে অন্যান্য মাথা ব্যথার সাথে বুঝতে ভুল হতে পারে- রিসার্চ ( টেনশন বা প্রাকৃতিক কারণ থেকে সৃষ্ট মাইগ্রেনের ব্যথা উঠার প্রারম্ভে মস্তিস্কে রক্ত সরবরাহ কমে যায়- যার কিছুটা প্রভাব পড়ে অক্সিপিটাল এবং প্যারাইটাল নামক মস্তিস্কের দুটি অংশের কার্যকারিতার উপর। ফলে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়াস্বরূপ মাথাব্যথার সৃষ্টি হতে শুরু করে। আবার যখন পুরোপুরিভাবে মাথাব্যথা শুরু হয়ে যায়, তখন বহিঃমস্তিস্কের ধমনিগুলোর প্রসারণ ঘটে- যা মূলত রক্তের মাঝে বিদ্যমান ৫- হাইড্রেক্সি ট্রিপটামিন (5-Hydroxy Tryptamine) নামক ব্রেনের উপাদানের উপস্থিতির পরিমাণের উপর নির্ভর করে। তবে এই উপাদানটির সঠিক ভূমিকা সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা আর ও গবেশনা করিতেছেন। ডায়াগনোসিস ঃ আপনার চিকিৎসক সম্পুন ইতিহাস জেনে এবং মাথা ব্যথার নমুনার ধরন ইত্যাদি পরিক্ষা ও ডায়রি রেকর্ড ভুক্ত করে নিশ্চিত হতে পারেন যে আপানআর মাইগ্রেন জাতিয় অসুখ কি না – তার পর ও প্রয়োজনে সন্দেহ জনিত রক্ত পরিক্ষা সহ – কম্পিউটারাইজড tomography ( সিটি ) স্ক্যান ( to look for other problems that could be causing your headache ) কম্পিউটারাইজড tomography ( সিটি ) স্ক্যান ( to look for brain abnormalities, and to look closely at the blood vessels in the brain ) -এমআরআই ( to look for brain abnormalities, and to look closely at the blood vessels in the brain )-ইত্যাদি পরিক্ষা গুলো করাতে পারেন – চিকিৎসা ঃ- রোগ নির্ণয় করার পরে সাধারণত দুই ধরণের চিকিৎসা ব্যবস্থার দরকার হয়। প্রথমত রোগ নিয়ন্ত্রণ, দ্বিতীয়ত রোগ প্রতিরোধক। বেশির ভাগ মাইগ্রেনের রোগীর উভয় বিধ চিকিৎসার দরকার হয়। সাধারণত যেসব রোগীর মাসে দুইয়ের অধিক আক্রমণ হয় তাদের অবশ্যই প্রতিষেধক চিকিৎসা দিতে হবে। মাইগ্রেন দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও চিকিৎসা গ্রহণ করবেন – নিজে যা যা চেস্টা করা উচিৎ ঃ- ভলেন্টারী আপনি যদি মনে করেন আপনার কি করলে মাইগ্রেনের ব্যথা চলে আসে এবং সে জন্য কি করা আপনার জন্য ভাল না, তা এড়িয়ে চলবেন । ( যেমন . উদাহরণস্বরূপ, আপনার ঘুমের নিদর্শন বা খাদ্যাভাস বা অন্যান্য বদ অভ্যাস থাকলে তা থেকে বিরত থাকা ) . আপনআর মাথায় যে চাপ আপনার মাইগ্রেন আরম্ভ করতে পারে সে জন্য যোগব্যায়াম এবং শিথিলকরণ কৌশল সহায়ক হতে পারে., darkened রুমে বিশ্রাম করতে পারেন – যদি ঘুম হয় তা হলে অনেক সময় সেড়ে যায় – আপনি যদি মনে করেন একটি গামছা আবৃত একটি বরফ প্যাক বা বরফ হিসাবে ব্যাবহার করে দেখতে পারেন , একটি ঠান্ডা কম্প্রেস ব্যবহার করে চেষ্টা করতে পারেন. এটি আপনার ত্বকের ক্ষতি হতে পারে আপনার ত্বক থেকে সরাসরি বরফ প্রয়োগ করবেন না. বা অনেকের গরম কম্প্রেস সাহায্য করতে পারে. এছাড়াও আপনি আপনার কপাল বা ঘাড় পাশ দিয়ে পালস পয়েন্ট চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করতে পারেন. ঘুমানুর কিছু অং ভঙ্গি পরিবর্তন করে দেখতে পারেন ইত্যাদি – সাধারণ চিকিৎসা হিসাবে চিকিৎসকরা চিকিৎসা দেওয়ার সময় নিম্নের বিষয় গুলো অবশ্যই নিষেধ করে থাকেন ঃ- .১ যে সব খাবার মাইগ্রেনের ব্যথাকে ত্বরান্বিত করে সেসব খাবার পরিত্যাগ করা। (যা কারণসমূহের সাথে বর্ণনা করা হয়েছে)। .২ যদি কোনো মহিলা জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খেতে থাকেন, তিনি সেই বড়ি খাওয়া বন্ধ রাখবেন এবং অন্য যে কোনো প্রকার বিকল্প পদ্ধতি গ্রহণ করবেন। .৩ পরিবেশগত কারণে যদি ধোয়া বা ধূলাবালি বা প্রচণ্ড গরম বা শীতের বাতাসের মাঝে বের হতে হয় তবে মাস্ক বা রুমাল ব্যবহার করবেন – ইত্যাদি চিকিৎসা ঃ- যদি আপনার মাইগ্রেন হালকা ভাবে এটাক্ট করে তখন এ্যাসিটামিনোফেন , ibuprofen , বা এসপিরিন হিসাবে ওভার দ্য কাউন্টার ওষুধ ব্যথা কমাতে প্রায়ই সহায়ক ( NSAIDs ) তবে এই সব ঔষধ ব্যাবহারে সচেতন থাকবেন কারন সপ্তাহের অধিক 3 দিন গ্রহণে মাথাব্যাথা প্রতিঘাত হয়ে উঠতে পারে. বা অত্যধিক এ্যাসিটামিনোফেন গ্রহণ আপনার যকৃতের ক্ষতি হতে পারে. অত্যধিক ibuprofen বা এসপিরিন আপনার পেট irritate/ঘা জাতিয় কিছু করতে পারে । এ সব ঔষধ কাজ না করলে আপনার চিকিৎসক অন্যান্য যে সকল বেবস্তা করতে পারেন – প্রতমত ভেগাস নার্ভকে অচেতন বা বমি বন্দের জন্য , Metoclopromide(মেটোকোপ্রোমাইড) বাজারে যা মোটিলন, নিউট্রামিড, অ্যান্টিমেট বা মেটোসিড নামে পরিচিত অথবা প্রোকোরপিরাজিন (prochlorperazine) বাজারে যা স্টিমিটিল, ভারগন বা প্রম্যাট নামে পাওয়া যায়- এসব দিয়ে থাকেন অথবা ক্লাসিকেল মাইগ্রেনের জন্য – আরগোটামিন টারট্রেট (Ergotamine Tartrate) ০.৫-১.০ মি.গ্রা. জিহ্বার নিচে, পায়ুপথে বা ইনহেলার বা শ্বাসের সাথে নিতে বলতে পারেন -তবে মনে রাখবেন এ সকল ঔষধ চিকিৎসা তখনই দেয়া হয় যখন বেশি ব্যথার সাথে সাথে দৃষ্টিজনিত অসুবিধা বা স্নায়ুঘটিত সমস্যার লক্ষন প্রকাশিত হয়। ( তবে সাবধান থাকবেন -গর্ভাবস্থায়– ইশকেমিক হার্ট ডিজিজ (IHD — প্রান্তীয় রক্তনালীর বিশৃঙ্খলতা (Peripheral Vascular Disease) এই সব অসুখের বেলায় ) ( বর্তমানে সব চেয়ে ভাল কার্যকর এই ঔষধ টি) – , সহসা আক্রান্ত মাইগ্রেনে সুমাট্রিপট্যান (sumatriptan যা ব্রেনের উপাদান সিরোটোনিন এর কাজের সহায়ক নূতন এক সংযোজজিত ওষুধ। – মাত্রা : ১০০ মি.গ্রা. ২৪ ঘণ্টায় – এটি ইনজেকশন হিসাবে ও দিতে পারেন ৬ মি. গ্রা. চামড়ার নিচে। লক্ষণীয়; ২৪ ঘণ্টার মাঝে যেন দু’টির বেশি ইনজেকশন না পড়ে। এর কার্যকারিতা খুবই ভালো তবে খুব ব্যয়সাধ্য ঔষধ । এ ছাড়া নিবারক হিসাবে ( Beta Blockers )ট্যাবলেট প্রপানোলোল (বাজারে কার্ডিনল, ইনডিভার, প্রপ্রানোল, এডলক হিসাবে পরিচিত) ট্যাবলেট পিজোটিফেন (pizotifen) ) ট্যাবলেট অ্যামিট্রিপটাইলিন (বাজারে অ্যামিট্রিল, সেরোনিল, অ্যামিট্রিনটাইলিন, ট্রিপটিন নামে পরিচিত) ইত্যাদি ঔষধ চিকিৎসকরা দিয়ে থাকেন – নিম্নের ঔষধ গুলো বাজারে ভাল রিজাল্ড দিতেছে , যেমন ট্যাবলেট ফ্লুনারিজিন (Flunarizine) (১০-৫০ মি.গ্রা. করে প্রতিদিন খেলে মাইগ্রেনের তীব্রতা কমে আসে)। হটাত অ্যাটাকের সময় ট্যাবলেট রিজাট্রিপটিন (Rizatryption—5mg) ইত্যাদি খেলে তৎণাৎ ব্যথা কমে যায়। ‘স্টাডল’ ইঞ্জেকশন বা নেসাল স্প্রে হিসাবে খুভি ভাল একটি নারকটিক হিসাবে বাজারে খুভি ভাল সুনাম রয়েছে যা ব্যাথা কমানুর জন্য খুবি ভাল মনে করেন অনেক বিশেষজ্ঞ আর ও আধুনিক নতুন কিছু ঔষধ এফ ডি এ অনুমতি দিয়েছে এবং খুভি সুফল পাইতেছেন রোগিরা – Zomig নেসাল স্প্রে বা ট্যাবলেট ব্যাবহার হইতেছে।
মাইগ্রেন এক ধরনের মাথাব্যথা যা অত্য- কষ্টদায়ক। শতকরা প্রায় ২০ ভাগ লোক কোন না কোন সময়ে এই ধরনের মাথাব্যথায় ভূগে থাকেন। যাদের মাইগ্রেন নেই তারা ধারনাও করতে পারবেন না কতটা কষ্টদায়ক এই রোগ। মাইগ্রেন কথাটির অর্থ আধা মাথা ব্যথা। প্রচণ্ড মাথাব্যথার সাথে বমিও হতে পারে। মাইগ্রেন ব্যথার উপসর্গঃ মাইগ্রেনব্যথার সাথে বহু ধরনের উপসর্গ থাকতে পারে। এর মধ্যে প্রাধান হচ্ছে, চোখ অস্বচ্ছ দেখা, চোখের সামনে ছোট ছোট আলোর বিন্দু দেখা, বমি বমি ভাব, মাথার ভিতরে ধপ ধপ করা ইত্যাদি।
মাইগ্রেন ব্যথার কারণঃ মাইগ্রেন মাথাব্যথার সঠিক কারণ আজ পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি তবে, বলা হয়ে থাকে যে, ব্রেনের ভিতরে রক্তবাহী নালীসমূহ কোন কারণে সংকুচিত হয়। এটা হলে মস্তিস্কে রক্ত চলাচলের তারতম্যের জন্যই এই প্রচণ্ড ধপ ধপ করে মাথাব্যথা শুরু হয়। বমি না হওয়া পর্য- এই ব্যথা কমে না। মাইগ্রেন মাথাব্যথা একবার শুরু হলে কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক দিন পর্য- একাধারে চলতে পারে। এমন কি, স্বাভাবিক কাজ বা পড়ালেখার ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আমেরিকাতে কাজ থেকে ছুটি নেওয়ার সব চেয়ে বড় কারণ মাইগ্রেন।
মাইগ্রেন ব্যথা হওয়ার আগেঃ যাদের মাইগ্রেন ব্যথা আছে, তাদের অনেকগুলো পূর্বাভাস ব্যথা ওঠার আগে অনুভূত হতে পারে। টেনশন, পরীক্ষা বা চাকুরির অত্য- চাপ, মানসিক অশাি-, বাস বা গাড়ীতে অনেকক্ষণ যাত্রা করা, মহিলাদের বেশীক্ষণ গরমে রান্না ঘরে থাকা, মাসিকের সময় ইত্যাদি নানাবিধ কারণে মাইগ্রেন শুরু হতে পারে। সাধারণ মাইগ্রেন হলে সাধারণতঃ খুব বেশী মাথাব্যথা হয় না। বমি ভাব থাকতে পারে। ক্লাসিক মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে ব্যথা শুরু হওয়ার আগেই রোগী বুঝতে পারে যে, ব্যথা আসবে, কেউ কেউ চোখের সামনে আলোক বিন্দু দেখতে পান। আলো বিন্দুগুলো চোখের সামনে কাঁপতে থাকে এবং ধীরে ধীরে বড় হয়। কারো শরীরের একটা অংশ অবশ লাগতে পারে। এই ধরনের মাইগ্রেন যাদের থাকে, তাদেরপ্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে, বমি হয় এবং ব্যথা ২-৩ ঘন্টা বা তারও বেশী সময় থাকে। জটিল মাইগ্রেন যাদের হয়, তাদের মাথাব্যথার সাথে অন্যান্য নিউরোলজিক্যাল উপসর্গ দেখা যায়। গুচ্ছ মাইগ্রেন সব মাথাব্যথা থেকে বেশী গুরুত্বর। প্রচণ্ড মাথা ব্যথার সাথে সাথে নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ দিয়ে পড়া, গাল লাল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি উপসর্গ থাকে। কয়েকদিন ধরে প্রতিদিন এই ব্যথা চলতে থাকে। কখনও এক বা দুই সপ্তাহ প্রচণ্ড মাথাব্যথা থাকে এবং রোগী ব্যথায় ছট ফট করেন বা ঘুম থেকে সকালে উঠেই ব্যথা শুরু হয়।
মাইগ্রেন রোগের চিকিৎসাঃ প্রথমেই বুঝতে হবে যে,কারো মাইগ্রেন থাকলে কোন ওষুধে এই রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় করা সম্ভব নয়। যাদের মাইগ্রেন মাথাব্যথা থাকে, সারাজীবনই কোন না কোন সময়ে কোন না কোন কারণে এই মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। সাধারণ মাইগ্রেন হলে সাধারণতঃ ব্যথার ওষুধ যেমন প্যারাসিটামল খেলেই কাজ হয়। যদি মাইগ্রেন বার বার হতে থাকে এবং কাজে বাধা সৃষ্টি করে, তবে কিছু শক্ত ব্যথানাশক ওষুধ এবং এর সাথে যাতে বার বার ব্যথা ফিরে না আসে সে জন্য কিছু প্রতিষেধক ওষুধ দেওযা হয়। কখনও কখনও সামান্য চশমার পাওয়ার দিতে হয়। মাইগ্রেনের মতো মাথাব্যথা অন্যান্য জটিল নিউরোলজিক্যাল রোগও হতে পারে। তাই যদি বার বার মাথাব্যথা হয় বা খুব বেশি মাথাব্যথা হয়, তবে কিছু পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। ডাক্তার পরীক্ষা করে নিশ্চিত হলে এবং ওষুধ দিলে সেগুলো ব্যবহার করতে হবে। শেষ কথাঃ মাইগ্রেন এক ধরনের মাথাব্যথা। শিশুদেরও মাইগ্রেন হতে পারে। যাদের মাইগ্রেন থাকে, তাদের মাঝে মাঝে মাথাব্যথা হবেই। যখন প্রয়োজন, যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু ওষুধ খেতে হবে কারণ সব ওষুধই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। মাইগ্রেন ধরা পড়লে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। তবে অন্যান্য অনেক রোগেও মাথাব্যথা হতে পারে। তাই মাইগ্রেন জাতীয় ব্যথা হলে অবিলম্বে ডাক্তার দেখানো উচিত এবং সঠিক পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়ার পর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়া উচিত। মাইগ্রেন ব্যথা কখনও অবহেলা করা উচিত নয়। সকল নিউরোলজিক্যাল, চক্ষু, নাক, সাইনাস, দাঁত ইত্যাদি পরীক্ষা করেই শুধুমাত্র নিশ্চিত হওয়া সম্ভব রোগটি মাইগ্রেন কিনা। এই রোগের চিকিৎসা বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে করা উচিত। মাইগ্রেন ব্যথার জন্য বহু ধরনের ওষুধ রয়েছে। এক এক রোগীর এক এক প্রকারের ওষুধে ভাল কাজ হয়। তাই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ওষুধ মাত্রায় খাওয়া উচিত। জটিল বা হঠাৎ মাথা ব্যথা হলে সব পরীক্ষা করার পর নিশ্চত হলে তবেই আপনার ডাক্তার আপনাকে সঠিক ওষুধ দিতে পারবেন। অন্য কোন রোগের জন্য মাথা ব্যথা হলে তার চিকিৎসাও সঙ্গে সঙ্গে করা উচিৎ। মাথা ব্যথা হলে অবহেলা না করে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
অধ্যাপক ডাঃ এস এম মুনীরুল হকঅধ্যাপক চক্ষু বিভাগ, হলিফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy