বন্ধুরা বলে দিতে পারবে?
4 Answers
না ঘুমের ঔসুধ খেয়ে ঘুমাবেন না।এতে আপনার স্বাস্থের ক্ষতি হবে।অতিরিক্ত চিন্তা করলে রাতে ঘুম হয় না।আর সকালে উঠতে তারাতারি উঠা এটা আপনি চেষ্টা করলেই পারবেন।
ঔষধ খেয়ে ঘুমানু খুবই ক্ষতি কর। এইখানে ৫ টি উপায় দেখুন ! - ১. প্রথমত ঘুমানোর কমপক্ষে ১ ঘন্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন ২. রাতের খাবার খেয়ে ৫-১০ মিনিট একটু হাটাহাটি করুন ! এর ফলে খাবার হজমে সুবিধা হবে আর ক্লান্তি ও আসবে ৩. নির্দিষ্ট সময়ই গিয়ে বিছানায় ঘুমানো উচিত যদি ঘুম না আসে তাও ! আর ঘুমানোর জন্য আলাদা ভাবে কোনো চেষ্টা করার দরকার নেই ! ৪. চাইলে একটা একঘেয়ে টাইপ এর বই পরা যেতে পারে , তবে তা মোটেও মনযোগ দিয়ে পড়ার দরকার নেই ! (এইক্ষেত্রে অনেকের পড়াশুনার বই কাজে আসে !) ৫. আরেকটি পদ্ধতি হলো সবচাইতে চমত্কার এইটা আমি বেশিরভাগ সময়ই করে থাকি ,অনেকটা মেডিটেশন টাইপ এর ! তাহলো চোখ বন্ধ করে বাসার ছাদ বরাবর তাকিয়ে থাকা এবং চোখের মনি আনুমানিক ১৯ ডিগ্রী অ্যাঙ্গেল এ রাখা ! (সঠিক হওয়ার দরকার নেই কল্পনা করে নিলে হলো!) তারপর বাসার ছাদে একটা বিশাল সাদা রং এর পর্দা কল্পনা করা আর তার মধ্যে হালকা নিল রঙের একটা সংখ্যা কল্পনা করা আর তাহলো ১৯ ! এর পর তা আসতে আসতে মিলিয়ে যাচ্ছে এবং আবার আসতে আসতে আরেকটা সংখ্যা আসছে আর তাহলো ১৮ ! এইভাবে উলটপ করে কাউন্ট করতে থাকুন ! তবে তা খুব ধীরে ধীরে এবং কাউন্ট এর সাথে সাথে কিন্তু ঐভাবে কল্পনাও করতে হবে ! এইভাবে কিছুক্ষণ করার পর দেখবেন আপনার ঘুম চলে আসবে ! সত্যি বলতেকি আমি এইভাবেই বেশিরভাগ সময় ঘিমুয়ে থাকে যখন মনে করে ঘুম আসাটা দরকার কিন্তু এখন ঘুম আসছেনা ! আশা করি কাজে আসবে ধন্যবাদ I
এটা মোটেই ভালো হবে না, ২০ মিনিট পর্যন্ত ঘুম আসছে না? তাহলে বিছানা ছেড়ে উঠে পড়া ভালো। এমন কিছু খুঁজে নিতে হবে, যা করলে মন শিথিল হয়। বিরক্তি বা রেশ কেটে না গেলে ঘুমাতে যাবেন না। ঘুমানোর আগে টিভি দেখা, অফিসের কাজ করা— এসব কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। শোবার ঘরে মৃদু আলো, তাজা ফুল রাখতে পারেন। শোবার ঘর হবে শান্ত, অন্ধকার কিন্তু শীতল। যেন গুহার মধ্যে শয়ন। বাদুড়ের মতো ঘুম। বাদুড় ঘুমায় ১৬ ঘণ্টা। গুহার সাপ শীতলতায় থাকে বলেই এত নিদ্রা। চেষ্টা করবেন একই সময়ে শুয়ে পড়তে। আবার একই সময়ে ঘুম থেকে উঠে পড়বেন। ছুটির দিনগুলোতেও এই নিয়ম মেনে চলবেন। ঘুমানোর আগে হালকা গরম পানিতে গোসল করলে সতেজ লাগবে। দিনের বেলা না ঘুমানোই ভালো। ঘুমালেও বিকেল তিনটার পর ২০ মিনিটের বেশি ঘুমাবেন না। জীবনযাপনের সব ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে চললে দেখবেন ঘুম চলে আসছে।
নিচের রুটিন টি কিছুদিন চালিয়ে যান আশা করি ফলাফল পাবে-
১. চা বা কফি পান করার পর শরীরে অনেকক্ষণ ক্যাফিনের প্রভাব থাকে। দুপুরের পর আর চা বা কফি খাবেন না। সন্ধ্যাবেলা আপনি গরম কোনো পানীয় খেতে চাইলে, হয় দুধ বা অন্য কোনো ক্যাফিনমুক্ত পানীয় পান করুন।
২. বেশি রাতে ভারী খাবার খাবেন না। নৈশভোজ সন্ধ্যার দিকে সারতে পারলেই ভালো।
৩. আপনার রাতে ঘুম না হলে, পরদিন দিনের বেলা ঘুমোবেন না। তাহলে ফের সেদিন রাতে ঘুম আসতে অসুবিধা হবে। এই পন্থায় চলে, তাও যদি আপনার ঘুম না আসে, আপনার ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
ঘুমের ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না।