2 Answers
১। জামের ২৪ গ্রাম ফুল ২৫০ মিলিমিটার পানিতে ভিজিয়ে কিছু পর তুলে পিষে নিতে হবে। মিহি কাপড় দিয়ে ছেঁকে দ্বিগুণ পরিমাণ মিছরি দিয়ে শরবত তৈরি করে বোতলে ভরে রাখুন। সকাল বিকাল ৩ চামচ করে সেবন করুন। মেহ রোগ সমস্যা থাকবে না।
২। রাম তুলসির শুকনা মঞ্জুরি আগের দিন ঠাণ্ডা পানিতে বিজিয়ে পরের দিন ঐ পানিতে চিনি মিশিয়ে সকালে খেলে মেহ আরোগ্য হয় । মঞ্জুরি ৩ গ্রাম, দেড় কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে । আর চিনির পরিমাণ হবে ২ কাপ।
৩।দূর্বার শিকড়ের রস ছানার সাথে খেলে পুরাতন মেহ রোগ সেরে যায় ।
৪। পাথরকুচির পাতার রসএক চামুচ করে সকাল বিকাল একসপ্তাহ খেলে মেহ রোগের উপকার পাওয়া যায়।
**আপনার সাস্থ্য ভাল করতে, নিয়মিত পুষ্টকর খাদ্য খান এবং এর পাশাপাশি ভিটামিন বা ক্যালসিয়ামের ঔষধ খান।যেমনঃ হামদর্দ এর সিনকারা এবং ক্যালডি ৩।দামটা সঠিক খেয়াল নেই।
একজন ঘরোয়া পদ্ধতির চিকিৎসার কথা বলে দেওয়ায় আমি শুধু অ্যালোপেথি টা দিলাম আর্সেনিক-ব্রোমাইড ৩০, ২০০। যে সকল ব্যক্তির চর্ম্মরোগ রয়েছ অথবা গর্ম্মী পীড়াযুক্ত হয় তাদের বহুমূত্রে এই ঔষধ উপযোগী।
তাছাড়া আপনি হোমিওপ্যাথি টা ট্রাই করতে পাড়েন এসব ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি টা অনেকটা কাজে দেয়।