আমি কানে কম শুনি কি করব?

কয়েক মাস হলো আমি কানে কম শুনছি । এখন কি করলে কানে ভালো শুনতে পাবো?
2997 views

2 Answers

বধিরতার লক্ষণ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা শুরু করা দরকার। প্রথমত যে কারণে বধিরতা সৃষ্টি হয়েছে, সেই রোগের চিকিৎসা করা বা কারণ দূর করা। যেমন : * ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে বধিরতা হলে ওষুধ বদলে বা বন্ধ করে দিতে হবে। * শব্দদূষণের জন্য বধিরতা হলে তীব্র শব্দ থেকে দূরে থাকতে হবে। * কানে ময়লা জমার কারণে বধিরতা হলে কান পরিষ্কার করে নিতে হবে। * মধ্যকর্ণে আঠালো পদার্থ জমলে মাইরিংগোটমি ও গ্রোমেট টিউব লাগাতে হবে। * অটোস্ক্লোরোসিস হলে স্টেপিডেক্টমি নামের শল্যচিকিৎসা করা যেতে পারে। * কিছু ক্ষেত্রে টিম্প্যানোপ্লাস্টি করতে হতে পারে। অনেক বধিরতাই চিকিৎসা করে ভালো করা যায় না, বিশেষ করে জন্মগত কারণে যেসব বধিরতা হয়। সাধারণভাবে যখন কোনো বধিরতা ওষুধে চিকিৎসা বা শল্য চিকিৎসায় ভালো হওয়ার সুযোগ থাকে না, তখন হিয়ারিং এইড ব্যবহার করা যেতে পারে। মারাত্মক বা সম্পূর্ণ বধির যাদের হিয়ারিং এইড দিয়েও কানে শোনানো যায় না, তাদের 'ককলিয়ার ইমপ্লান্ট' সার্জারি করা যেতে পারে। যদি শিশুদের শ্রবণশক্তি হারানোর কারণ নির্ণয়ে দেরি হয় এবং যথাসময়ে চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে শিশুর কথা বলার ক্ষমতা, জানার ক্ষমতা, ভাষার দক্ষতা ও মানসিক বিকাশের ক্ষমতা অনেক কমে যায়। ফলে স্কুলে, সামাজিক জীবনে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্নতা ও একাকিত্ব পেয়ে বসে। সে জন্য জন্মের পরপরই শ্রুতিজনিত ত্রুটি নির্ণয় এবং এর প্রতিকার ও চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি। শিশুদের জন্মের পর শোনার ক্ষমতা নির্ণয় করার জন্য প্রত্যেক শিশুকেই প্রাথমিকভাবে কিছু কিছু পরীক্ষা- নিরীক্ষা করে দেখা উচিত। যেসব শিশু জন্ম থেকে শ্রবণ সমস্যায় ভোগে, তাদের কথা শেখার আগেই অর্থাৎ জন্মের ছয় মাসের মধ্যে তা নির্ণয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারলে এরা অন্য স্বাভাবিক শিশুর মতোই বেড়ে উঠবে। এড়ানো যাবে অনেক জটিলতা।

2997 views Answered

শ্রবণশক্তি বাড়াতে মধু আর দারুচিনির মিশ্রণের জুড়ি মেলা ভার । আপনি ১ চা চামচ মধুর সাথে অর্ধেক চামচ দারুচিনি গুড়ো মিশিয়ে সকালে আর রাতে ২ সপ্তাহ খেতে পারেন । আপনি কানে ভালো শুনতে পাবেন । ধন্যবাদ ।

2997 views Answered

Related Questions

Next steps