বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার সকল নিয়ম-কানুন জানতে চাই?

বুয়য়েটে কোন কোন বিষয়ে পরীক্ষা হয়, কোন কোন ক্যালকুলেটর ইউজ করতে দেয়? কি কি অ্যালাউ করে ইত্যাদি। এক কথায় বুয়েট সম্পর্কিত সমস্ত কিছু।
2964 views

1 Answers

বুয়েটে ভর্তির নিয়মাবলী
·         যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ২০১৫ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছে তারা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে।
·         প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/ মাদ্রাসা বোর্ড/ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে গ্রেড পদ্ধতিতে ৫ এর স্কেলের কমপক্ষে জিপিএ ৪.০ পেয়ে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট দাখিল/ সমমানের পরীক্ষায় পাস অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাস হতে হয়।
·         প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/ মাদ্রাসা শিক্ষা/ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড থেকে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজিতে উপরোক্ত ৪টি বিষয়ে মোট জিপিএ ন্যূনতম ১৯ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক/ আলিম/ সমমানের পরীক্ষায় পাস অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় পাস হতে হয়। সকল সঠিক আবেদনকারীদের মধ্য হতে মেধার ভিত্তিতে বাছাই করে সর্বাধিক ৮,০০০ জন আবেদনকারীদেরকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে দেয়া হয়। এই বাছাইয়ের জন্য আবেদনকারীদের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ ও রসায়নে প্রাপ্ত জিপিএসমূহ এবং ইংরেজীতে প্রাপ্ত জিপি-এর ভিত্তিতে মেধাতালিকা তৈরি করা হয়। একই যোগফল হওয়া একাধিক আবেদনকারীদের মধ্যে আপেক্ষিক মেধাস্থান নির্ণয়ের জন্য যথাক্রমে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজিতে প্রাপ্ত জিপি এবং এইচএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপি-একে অগ্রাধীকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হয়। এই মেধা তালিকার ক্রমানুসারে সর্বাধিক ৮,০০০ আবেদনকারীকে বাছাই করে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্য আবেদনকারীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
·         GCE “O” লেভেল এবং “A” লেভেল পাস করা প্রার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য GCE “O” লেভেল পরীক্ষায় কমপক্ষে পাঁচটি বিষয়ে (গণিত, পদার্থ, রসায়ন এবং ইংরেজি সহ) গড়ে “B” গ্রেড এবং GCE “A” লেভেল পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, এই তিনটি বিষয়ে প্রতিটিতে “A” গ্রেড পেয়ে পাস হতে হয়।
·         ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে সব উপজাতীয় প্রার্থী ও ন্যূনতম সমমান গ্রেড প্রাপ্ত বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে উত্তীর্ণ প্রার্থীরাও ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উপযুক্ত বিষয়ে বিবেচিত হয়।

৪ বৎসর মেয়াদী ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং ৫ বৎসর মেয়াদী স্থাপত্য বিভাগের ভর্তি পরীক্ষার বিষয়সমূহ:
২০১২ সালে বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডসমূহ কর্তৃক পরিচালিত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজি বিষয়ে যে পাঠ্যসূচি ছিল মূলত: তার  উপর ভিত্তি করে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়। স্থাপত্য বিভাগে ভর্তিচ্ছু প্রার্থীকে মুক্ত হস্ত অংকন টেস্টেও অংশগ্রহণ করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের জন্য মূলত: নিম্নলিখিত দুটি- ক) এবং (খ) গ্রুপে একটি পরীক্ষার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়।
ক) ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং (খ) স্থাপত্য বিভাগ। উল্লেখ্য যে, (ক)   গ্রুপের জন্য মোট ৬০০ নম্বর এবং (খ) গ্রুপের জন্য মোট ১০০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যেক গ্রুপের বিষয় এবং বিষয়সমূহের নম্বর নিচের ছকে দেয়া হলো:





মডিউল
গ্রুপ ক
গ্রুপ খ
নম্বর
গণিত
গণিত
১৮০
পদার্থ বিজ্ঞান
পদার্থ বিজ্ঞান
১৮০‌
রসায়ন
রসায়ন
১৮০
বি
-
মুক্ত হস্ত অংকন
৪০০

আসন সংখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার উপজাতীয় প্রার্থীদের জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহে ৩ টি এবং স্থাপত্য বিভাগে ১টিসহ মোট ৪টি আসন সংরক্ষিত আছে।

বুয়েটের সর্বমোট ১০০০টি আসন নিম্নের তালিকা অনুযায়ী বিভক্ত হয়:

বিভাগ
আসন সংখ্যা
কেমি কৌশল
৬০
বস্তু ও ধাতব কৌশল
৫০
পুরকৌশল
১৯৫
পানি সম্পদ কৌশল
৩০
যন্ত্রকৌশল
১৮০
নৌযান ও নৌযন্ত্র কৌশল
৫৫
ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রডাকশন কৌশল
৩০
তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল
১২০
কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং
১২০
নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা
৩০

বিশেষ দ্রষ্টব্য: পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত এবং ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্ন শতকরা ৫০ ভাগ অবজেকটিভ টাইপ হয়, যার মূল্যায়ন OMR দ্বারা করা হয়। বাকী শতকরা ৫০ ভাগ পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন ও মূল্যায়ন প্রচলিত পদ্ধতিতে করা হয়। মুক্ত হস্তে অন্কন পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন ও মূল্যায়ন সম্পূর্ণ ভাবে প্রচলিত পদ্ধতিতে করা হয়।



বুয়েট ওয়েবসাইট- www.buet.ac.bd


2964 views Answered

Related Questions

Next steps