3 Answers

বাংলাদেশের ৭৬ শতাংশ মানুষ মুঠোফোন ব্যবহার করেন। অর্থাৎ ২৪ শতাংশ মানুষের কোনো মুঠোফোন নেই। মুঠোফোন ব্যবহারকারীদের মাত্র ৬ শতাংশের নিজস্ব স্মার্টফোন আছে।
আবার দেশের ১১ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে কিংবা তাদের স্মার্টফোন আছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের চেয়ে পিছিয়ে আছে পাকিস্তান (৮ শতাংশ)। প্রতিবেশী দেশ ভারত এদিক থেকে বাংলাদেশের চেয়ে খুব বেশি এগিয়ে নেই (২০ শতাংশ)।
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা কম হলেও দেশে নানা কাজে ইন্টারনেট ব্যবহৃত হয়। এর একটি এমন, ৬২ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী চাকরি খোঁজার কাজ এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমেই করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের সাম্প্রতিক এক জরিপে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। উদীয়মান ও উন্নয়নশীল ৩২টি দেশের ইন্টারনেট ও মুঠোফোন ব্যবহারকারীদের ওপর পরিচালিত এ জরিপ ১৯ মার্চ প্রকাশিত হয়। এসব দেশের প্রাপ্তবয়স্ক ৩৬ হাজার ৬১৯ জন ইন্টারনেট ও মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। জরিপে ঠাঁই পেয়েছে বাংলাদেশের এক হাজার মানুষের মতামত।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) হিসাবে, দেশে ৪ কোটি ২৭ লাখ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। সংস্থাটি অবশ্য সর্বশেষ তিন মাসে একবার কেউ ইন্টারনেট ব্যবহার করলেই তাকে ব্যবহারকারী হিসেবে গণ্য করে। অন্যদিকে ১২ কোটি ১৮ লাখ মানুষের মুঠোফোন সংযোগ রয়েছে। আর মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের হিসাবে, দেশে প্রায় ৬০ লাখ মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করেন।
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ধরন: দেশে মুঠোফোনে ইন্টারনেট বেশি ব্যবহার করেন ১৮-৩৫ বছর বয়সী ব্যক্তিরা। এ হার ১৫ শতাংশ। এর বেশি বয়সী গ্রাহক ৬ শতাংশ। ঘরে বসে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন মাত্র ৮ শতাংশ মানুষ। মাধ্যমিকের চেয়ে বেশি পড়াশোনা করেছেন, এমন মানুষই বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, ২৪ শতাংশ। এর চেয়ে কম পড়াশোনা করেছেন কিন্তু ইন্টারনেট ব্যবহার করেন এমন মানুষ ৫ শতাংশ। ইংরেজি বলতে ও লিখতে পারেন এমন ১৭ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। আর ইংরেজি না জানার পরও ৫ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেন।
কেন ইন্টারনেট ব্যবহার: জরিপটি বলছে, দেশের ৫৯ শতাংশ ইন্টারনেট গ্রাহক প্রতিদিন অন্তত একবার ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। এদিক থেকে ভারতের (৫৪ শতাংশ) চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ।
কেন ইন্টারনেট ব্যবহার করেন—এমন প্রশ্নের জবাবে উত্তরদাতাদের ৬৯ শতাংশ পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ, ৫৬ শতাংশ রাজনৈতিক খবরাখবর এবং ২৬ শতাংশ সরকারি সেবার তথ্য জানতে এটি ব্যবহার করেন বলে জানান। জরিপ বলছে, ৬২ শতাংশ ব্যবহারকারী চাকরি খুঁজতে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। এ ক্ষেত্রেও ভারতের (৫৫ শতাংশ) চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে। বাংলাদেশের প্রাপ্তবয়স্ক ইন্টারনেট গ্রাহকদের ৭৬ শতাংশই সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে। এ ক্ষেত্রেও ভারতের (৬৫ শতাংশ) চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। সবচেয়ে বেশি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করেন ফিলিপাইনের মানুষ, ৯৩ শতাংশ।
শিক্ষা, ব্যক্তিগত সম্পর্ক, অর্থনীতি, রাজনীতি ও নৈতিকতা—এ পাঁচ ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যবহার কেমন প্রভাব ফেলে—জানতে চাওয়া হয়েছিল জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের কাছে। এ ক্ষেত্রে দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৫৬ শতাংশ শিক্ষায়, ৪৮ শতাংশ ব্যক্তিগত সম্পর্কে, ৫০ শতাংশ অর্থনীতিতে, ৩৮ শতাংশ রাজনীতিতে এবং ২৯ শতাংশ নৈতিকতায় ইন্টারনেট ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত দেন।
কেন মুঠোফোন ব্যবহার: পিউ রিসার্চ বলছে, বাংলাদেশের মুঠোফোন ব্যবহারকারীর ৬৫ শতাংশই মুঠোফোনে ছবি তোলা কিংবা ভিডিও ধারণ করে থাকেন। ভেনেজুয়েলা এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে (৭৫ শতাংশ)।
বিভিন্ন দেশের মানুষ খুদে বার্তা (এসএমএস) পাঠানো কিংবা চ্যাট করার ক্ষেত্রে মুঠোফোন বেশি ব্যবহার করলেও বাংলাদেশে এ হার কম (৬৭ শতাংশ)। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে ফিলিপাইন (৯৮ শতাংশ)।
জরিপ বলছে, দেশের ৬ শতাংশ মানুষের নিজের স্মার্টফোন আছে। বাংলাদেশের চেয়েও পিছিয়ে আছে পাকিস্তান (৪ শতাংশ) ও উগান্ডা (৫ শতাংশ)। উদীয়মান দেশগুলোর মধ্যে বেশি নিজস্ব স্মার্টফোন ব্যবহার করে চিলির মানুষ, ৫৮ শতাংশ।
আবার বাংলাদেশের ৭৬ শতাংশ মানুষের যেখানে নিজস্ব মুঠোফোন আছে, সেখানে পাকিস্তানের ৪৭ শতাংশ মানুষের নিজের মোবাইল ফোন আছে।

তথ্যসূত্রঃ-http://www.prothom-alo.com/economy/article/483106/%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%A7%25-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7

2848 views Answered

ইন্টারনেট ব্যবহার করে জীবনে সচ্ছলতা আনা যায় না। তবে ইন্টারনেট ব্যবহার করে পড়ালেখার পাশাপাশি জীবনে অনেক কিছুই শিখতে পারবেন।

2848 views Answered

ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন : গুগল এডসেন্স থেকে আয় করার পদ্ধতি ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয় করার জন্য গুগল এডসেন্স অত্যন্ত কার্যকর একটি পদ্ধতি। আপনি নিশ্চয়ই জানেন সার্চ ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে গুগলের তুলনা নেই। ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন থেকে আয় করে তারা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিস্ঠান। ইন্টারনেট বিজ্ঞাপনের একটি অংশ এডসেন্স। প্রথমেই প্রশ্ন করা স্বাভাবিক, এডসেন্স কি ? এককথায় এডসেন্স হচ্ছে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন রাখার জন্য গুগলের একটি পদ্ধতি। আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নিশ্চয়ই বিভিন্ন লিংক দেখেছেন যার পাশে Ads by Google লেখা।এগুলিই এডসেন্স বিজ্ঞাপন। আপনার ওয়েবসাইটে এই বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্য এডসেন্স এর রেজিষ্ট্রেশন করাই যথেষ্ট। এরপর ওয়েবপেজে কোন ভিজিটর যখন কোন লিংকে ক্লিক করবেন তখন সেই সাইটের মালিক হিসেবে আপনি টাকা পাবেন। প্রতি ক্লিকের জন্য কয়েক সেন্ট থেকে শুরু করে কয়েক ডলার পর্যন্ত। মাসে আয় হতে পারে কয়েকশ ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার। ফল পাওয়া যায় সাথেসাথে। এডসেন্স কিভাবে কাজ করে জানার জন্য আরো কিছু বিষয়ে ধারনা থাকা প্রয়োজন। যেমন গুগল এডওয়ার্ডস। কোন কোম্পানী বা ব্যক্তি যদি গুগলকে ব্যবহার করে ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন দিতে চান তাহলে তাকে বলতে হয়, আমি অমুক বিজ্ঞাপন অত দিনের জন্য দিতে চাই, প্রতি ক্লিকের জন্য অত পরিমান টাকা দেব। তাদের সাথে গুগলের চুক্তি এটুকুই। এটাই এডওয়ার্ডস। ধরুন কোন কোম্পানী তার পন্যের বিজ্ঞাপনের জন্য গুগলের সাথে যোগাযোগ করল মাসে ১০ হাজার ডলারের। প্রতি ক্লিকে তারা ১ ডলারের বেশি দেবে না। গুগল তাদের বিজ্ঞাপনকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে দেয়। আপনি এডসেন্সের সদস্য হলে আপনার ওয়েবসাইটেও সেটা পেতে পারেন। কেউ সেই লিংকে ক্লিক করলে আপনার একাউন্টে ১ ডলার হিসেব জমা হবে। আপনি যে কোন সময় আপনার হিসেব জানার সুযোগ পাবেন। মাসে একবার যদি বিল করতে চান তাহলে বিল করলে আপনার ঠিকানায় চেক পাঠাবে গুগল। এখানে লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে, যে কোম্পানীর এডসেন্স বিজ্ঞাপন সে জানে না তার বিজ্ঞাপন কোথায় দেখা যাবে। আপনিও কখনো নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ পাবেন না ঠিক কোন বিজ্ঞাপন আপনার সাইটে পাবেন। যেহেতু বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের জন্য মুল্য বিভিন্ন রকম, আপনার ওয়েবসাইটে প্রতিক্লিকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন অর্থ পেতে পারেন। আপনার রিপোর্ট দেখে জানতে পারেন কোন ক্লিকের জন্য কত জমা হয়েছে। অভিজ্ঞতা বাড়লে কমটাকার ক্লিকের থেকে বেশিটাকার ক্লিকের বিজ্ঞাপনে বাছাইএর ব্যবস্থা করা যায়। তবে আগেই জানিয়ে রাখা ভাল, প্রতি ক্লিকে বেশি টাকা হলেই আপনি বেশি টাকা পাবেন এমন নিশ্চয়তা নেই। ভিজিটর যদি বেশি টাকার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার চেয়ে কমটাকার লিংকে নিয়মিত ক্লিক করে তাহলে আপনার আয়ের সম্ভাবনা বেশি। মুল বিষয় হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর যত বেশি, ক্লিক করার সম্ভাবনা তত বেশি। আয় তত বেশি। কাজটি কিভাবে করা সম্ভব দেখা যাক। আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে। এখনও যদি না থাকে তাহলেও এই মুহুর্তেই সেটা শুরু করতে পারেন। ১. Blogger.com সাইটে গিয়ে একটি ব্লগ তৈরী করুন। কয়েকটি ক্লিক করাই যথেষ্ট। এজন্য আপনার একটি ইমেইল এড্রেস প্রয়োজন হবে। ২. পছন্দমত টেম্পলেট বাছাই করুন। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নানাধরনের ব্লগার টেম্পলেট পাওয়া যায়। পছন্দমত কোন একটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। শুরুতেই করতে হবে এমন কথা নেই, যে কোন সময় টেম্পলেট পরিবর্তন করে ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য বাড়ানো যাবে। ৩. ব্লগ পোষ্ট লিখতে শুরু করুন। কি নিয়ে লিখবেন ? আপনার যা ইচ্ছে। যদি গেম খেলতে ভালবাসেন গেমের রিভিউ লিখুন, মুভি দেখলে মুভির রিভিউ-খবর ইত্যাদি লিখুন। চারিদিকে লেখার মত বিষয়ের অভাব নেই। ৪. এডসেন্স একাউন্ট খুলুন। ব্লগার সাইটে এজন্য লিংক পাবেন। এখানে আপনার সাইটের ঠিকানা এবং পরিচিতি, আপনার ঠিকানা এসব তথ্য দিয়ে ফরম পুরন করতে হবে। এই ঠিকানায় আপনার নামে চেক পাঠানো হবে। আপনার সাইটে কোথায়, কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখা যাবে সেটা সিলেক্ট করলে তারাই বলে দেবে কিভাবে সেটা করতে হবে। ৫. বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে আপনার ব্লগের পরিচিতি লিখে দিন। ফলে সার্চ করে আপনার ব্লগ পাওয়া যাবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে, সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের মাধ্যমে প্রচার বাড়ান। অল্পকথায় কাজ এটুকুই। এরপর একটু একটু করে আরো জানতে চেষ্টা করুন কিভাবে সাইটকে আরো উন্নত করা যায়, কিভাবে ভিজিটর বাড়ানো যায়, বিজ্ঞাপন কিভাবে রাখলে বেশি আয় করা যায়। এখানে কিছু সাধারন তথ্য উল্লেখ করা হচ্ছে; ১. ক্লিক করলেই আয় হয় একথা ভেবে নিজেই বারবার ক্লিক করবেন না। গুগল খুব সহজেই আপনার ক্লিক এবং ভিজিটরের ক্লিক চিনতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনার এডসেন্স রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করা হবে। ২. বেশি ভিজিটর পাওয়ার সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি ভাল ওয়েবসাইট তৈরী। অন্যভাবে, ভিজিটরের আগ্রহ থাকে এমন বিষয় রাখা। ভুলে যাবেন না গুগল মুলত সার্চ ইঞ্জিন। কোন ওয়েব সাইট সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ বেশি, কোথায় কত ভিজিটর যায়, কতক্ষন থাকে, কি করে এসব তথ্য তাদের চেয়ে ভাল অন্য কেউ জানে না। তাদের ঠকাতে চেষ্টা করবেন না। সাইটের প্রচার এবং মুল সাইটের বিষয়ের মধ্যে গড়মিল করবেন না। ৩. আপনার সাইটে বিজ্ঞাপন পাবেন সাইটের বিষয়ের সাথে মিল রেখে। যেমন বইয়ের সাইট হলে বিভিন্ন প্রকাশক, বই বা বিক্রেতার বিজ্ঞাপন, ফটোগ্রাফি সাইট হলে ক্যামেরা, নির্মাতা বা বিক্রেতার বিজ্ঞাপন ইত্যাদি। এডসেন্সে সাধারনভাবে মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং আপনার সাইটেও সেসম্পর্কিত তথ্য রাখুন। ৪. বিনে টাকায় শুরু করার জন্য গুগলের ব্লগার অবশ্যই ভাল যায়গা। আপনার কোন খরচই নেই। তাহলেও দীর্ঘ্যস্থায়ী সাইটের জন্য নিজস্ব ডোমেইন নেম, নিজস্ব হোষ্ট থাকাই ভাল। সেক্ষেত্রে ব্লগার ছাড়াও ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্লগার সহজ, কিন্তু ব্লগারের তুলনায় এগুলিতে কাষ্টমাইজ করার সুবিধে অনেক বেশি। জানার জন্য এটুকু উল্লেখ করা যায়, ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগ তৈরী করতে খরচ নেই কিন্তু সেখানে গুগলের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা যায় না। আর জুমলায় ফ্রি হোষ্টিং এর ব্যবস্থা নেই। ব্লাগার ছাড়াও আরো কিছু সাইট ফ্রি হোষ্টিং এর সুবিধে দেয়। এদের মধ্যে Tumblr এরই মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। ৫. সাধারনত বিজ্ঞাপন দেয়া হয় বিক্রির জন্য (পন্য অথবা সেবা)। ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে অনলাইন লেনদেন এর সম্ভাবনা বেশি। অথচ বাংলাদেশে অনলাইনে কেনাকাটার ব্যবস্থা নেই। অন্যভাবে বললে, বাংলাদেশ থেকে কেউ কিছু কেনার জন্য সাধারনত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে না। কাজেই বাংলায় ওয়েবসাইট তৈরী করলে এমনিতেই ক্লিকের সম্ভাবনা কমে যায়। যদি সম্ভব হয় সারা বিশ্বের জন্য ইংরেজিতে ওয়েবসাইট তৈরী করুন। নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, নিজের খরচ চলার মত আয় পেতে কতটা সময় লাগতে পারে ? খুবই গুরুত্বপুর্ন প্রশ্ন। এতে এমন জাদুকরী কিছু নেই যে রাতারাতি আপনি হাজার ডলার আয় করবেন। হাজার ডলার আয়ের জন্য অন্তত দুতিন বছর ক্রমাগত চেষ্টা করে ওয়েবসাইট উন্নত করার চেষ্টা করতে হতে পারে। এটুকু বলা যায়, একসময় ফল পাওয়া যাবেই।

2848 views Answered

Related Questions

Next steps