আমার চুলে সমসসা?
2 Answers
রিবন্ডিং একটি কেমিকেল ট্রিটমেন্ট যা আপনার চুলকে একদম সোজা করে একে একটা উজ্জ্বল ও মোলায়েম ভাব এনে দেয়। এটা স্থায়ী, তাই খরচটাও বেশি। খরচটা পার্লার ভিত্তিক ও কি ধরনের প্রসাধন তারা ব্যবহার করছে, কেমন সুবিধা দিচ্ছে, আপনার চুল কত লম্বা এসবের উপর নির্ধারণ করে ঠিক করা হয়। প্রত্যেকের চুলের কিছু স্বাভাবিক ধরন আছে, কারও চুল ঢেউ খেলানো, কারো কোঁকড়ানো। হেয়ার রিবন্ডিং লোশন এই গঠনটাকে ভেঙ্গে এক নতুন ধাঁচে তৈরি করে একে “স্ট্রেইট লুক” দেয়। যেভাবে রিবন্ডিং করা হয় – চুলে রিবন্ডিং পদ্ধতি নির্ভর করে আপনার চুলের ধরন, লম্বায় কতটুকু এবং চুল পাতলা না ঘন তার উপর। তবে সাধারণত এই ব্যাপারটা একটু দীর্ঘই হয়, ৭-৮ ঘন্টা লাগে রিবন্ডিং করতে। – প্রথমে চুলে শ্যাম্পু করা হয় এবং কন্ডিশনার ব্যাবহার করা হয়না, তারপর চুল পুরোপুরি শুকিয়ে নেয়া হয় হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে। – তারপর চুলকে আলাদা আলাদা ভাগে ভাগ করে পারমিং লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করা হয় চুলকে নরম করার জন্য এবং চুল সোজা রাখার জন্য প্রতিটি ভাগে পাতলা প্লাস্টিক দিয়ে জড়িয়ে রাখা হয়। – চুলে ক্রিমটি রাখা হয় আধাঘন্টার মতো, বেশিক্ষন রাখলে চুলের ক্ষতি হতে পারে। এরপর চুলে গরম ভাপ দেয়া হয় ১০-৪০ মিনিট পর্যন্ত, এটা নির্ভর করে একেজনের চুলের ধরনের উপর। – এরপর চুল শোকানো হয় ব্লো ড্রাই করে এবং চুলে কেরাটিন লোশন লাগানো হয়। – তারপর ফ্ল্যাট আয়রন দিয়ে চুলকে স্ট্রেইট করা হয় এবং কোনো চুল কোঁকড়ানো আছে কিনা দেখা হয়। আয়রন যেন ১৮০ ডিগ্রীর বেশি না হয়। সিরামিক আয়রন মেটাল আয়রনের চেয়ে ভাল হয়। যতক্ষন পর্যন্ত আপনার চুলে চকচকে ভাব না আসে ততক্ষন পর্যন্ত আয়রন করা হতে থাকে।
আপনার চুল যদি তৈলাক্ত হয় বা আপনার লম্বা চুল ধুলো বালি লেগে বা তেলচিটে হয়ে যায় তাহলে কিন্তু শ্যাম্পু করার ধরনও সেই অনুযায়ী হওয়া উচিত| বাজারে অনেক রকমের শ্যাম্পু পাওয়া যায় প্রথমে ভালো কোনো ব্রান্ডের শ্যাম্পু বেছে নিন যা তৈলাক্ত চুলের জন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন| তবে শ্যাম্পু করার আগে চুল ভালো করে ভিজিয়ে নেওয়া দরকার| শ্যাম্পু করার পর হালকা গরম জলে মাথা ধুয়ে কন্ডিশনার লাগিয়ে ঠান্ডা জলে মাথা ধুয়ে নেওয়া উচিত|
সাধারণত তৈলাক্ত চুল হলে সপ্তাহে ৩ বার শ্যাম্পু করা উচিত| অতিরিক্ত শ্যাম্পু বা রোজ শ্যাম্পু করলে অনেক সময় আমাদের চুলের প্রোটেকটিভ অয়েল বা স্বাভাবিক তেল নষ্ট হয়ে যায়। ফলত চুল রুক্ষ হয়ে যায়| এছাড়া তৈলাক্ত চুলের জন্য ড্রাই শ্যাম্পুও পাওয়া যায়| তবে ড্রাই শ্যাম্পু খুব সাবধানে চুলের গোড়ায় ভালো করে ম্যাসাজ করা উচিত|