2 Answers
উড়োজাহাজ আবিষ্কারের মূল ধারণাটি সংগ্রহ করা হয় পাখি সংক্রান্ত আল-কুরআনের বর্ণনা থেকে। পাখি আকাশে উড়ে যে কৌশলের মাধ্যমে, তার নাম Lift and Forward thrust কৌশল। পাখি উড়ার সময় তাকে বাতাসের চাপ সামনের দিক থেকে বাধা দেয়। মধ্যাকর্ষণ শক্তি তাকে ভূ-পৃষ্ঠের দিকে টানে। তখন পাখি তার ডানা দোলিয়ে বাতাসের চাপকে বক্ষদেশে এনে কেন্দ্রিভূত করে ফেলে। সেই কেন্দ্রিভূত বাতাসের আবার একটি ভরবেগ থাকে। ভরবেগ সংরক্ষিত থাকার কারণে পাখি বিপরীত দিকে গতি পায়। এক্ষেত্রে নিউটনের ৩য় সূত্র ‘প্রত্যেক ক্রিয়ার একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে,’ সূত্রটি সক্রিয় হয়। যার ফলে পাখি ডানা মেলে উড়ে বেড়ায় আকাশে। বৈজ্ঞানিক কৌশল ব্যবহার করে পাখিকে এই আকাশে উড়তে কে শেখালেন? তিনিই তো আল্লাহ। আর এটা করেছেন মানুষকে আকাশযান তৈরির কৌশল শিক্ষা দেবার জন্য। যাতে করে মানুষ বিমান-রকেট ইত্যাদি আবিস্কার করে মহাশুন্যে আল্লাহপাকের আশ্চর্য সৃষ্টি সমূহ অবলোকন করতে পারে। আর
এটা মূলত নিউটনের গতির 3য় সূত্র অনুযায়ী।যেমন একটি বায়ু ভর্তি বেলুনের মুখ যদি নিচের দিকে রেখে ছেড়ে দেওয়া হয় তবে বায়ুগুলো ক্রিয়া হিসেবে নিচের দিকে আর বেলুনটি প্রতিক্রিয়া হিসেবে দ্রুত গতিতে উপরের দিকে ছুটে যাবে।ঠিক তেমনি ভাবেই উড়োজাহাজ বা রকেট উড়ার সময় নিচের দিকে অত্যধিক গতিতে ধোঁয়া রহরহ নির্গত করে যার প্রতিক্রিয়া হিসাবে যন্ত্রটি উড়ার প্রয়াস পায়।