আসলে সে আমাকে ভালবাসে কিনা এখানে বলতে ভুলে গেছি। আমাদের বিয়ে কখনই হবে না। কারণ আন্টি রাজি নাই?
10 Answers
ভালবাসায় শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাস অপরিহার্য যদি.সত্যিকার ভালবাসা হয় তাহলে তাতে ঠুনকো কারনে চির ধরতে পারেনা। পারিবারিক চাপের কারনে মাঝে মধ্যে এমন হয় আন্তরিকতার জন্য মেয়েটি বারবার আপনার কাছে ফিরে আসে, ভালবাসা না থাকলে আসতো না। আপনি তার সংঙ্গে আলোচনা করুন তাকে সব সমস্যা ঠিকমতো বুঝিয়ে তার মতামত জানুন কি কারনে ভূল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়. আপনার খালা মেনে না নিলে সবিস্তারে বর্ননা করুন সে কি বলে আপনার সাথে পালিয়ে যেতে পারবে যদি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে তাহলে চিন্তা না করে তার সাথে.সম্পর্ক অটুট রাখুন আর যদি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখায় তাহলে এই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চাওয়ার মানে নেই তাতে করে আপনি ভবিষ্যতে মানুষিকভাবে কষ্ট পেতে পারেন কারণ ভালবাসার মানুষ টিকে ছেড়ে কেউ থাকতে পারেনা ভালো হয় যদি দুই পরিবার কে মানিয়ে নিতে পারেন.।
ভাই,বিয়ে যদি না-ই হয় তবে সম্পর্ক রাখছেন কেন? এই সম্পর্ক রাখলে আপনার ও আপনার খালাতো বোনের ভবিষ্যত জীবনে সমস্যা হতে পারে.আপনার লেখা অনুযায়ী বুঝা যাচ্ছে আপনার খালাতো বোন আসলেই আপনাকে ভালোবাসে. কিন্তু যেহেতু এই বিয়ে হচ্ছেনা,সুতরাং সম্পর্ক রাখলে শুধুমাত্র আপনাদের দুই পরিবারের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি হবে.
সে আপনাকে ভালবাসে কিন্তু পারিবারিক সমস্যার কারনে তার মন-মানসিকতা খারাপ থাকে। আপনার সাথে কথা বলার সময় মন খুলে সব বলতে চাই কিন্তুু বলতে পারেনা।সে আপনাকে ভালবাসে এজন্য ৬-৭ মাস পরে আপনকে মিস করতে থাকে এবং ফোন দেয়।এখন আপনি যদি তাকে ভালবেসে থাকেন তাহলে প্রেম চালায় য়ান পরে কি হবে সেটা ভেবে লাভ নাই।
কাজি নজরুল ইসলাম কি বলছে জানো যে জেতে চায় তাকে জেতে দাও সে জদি কখনো ফিরে অাসে সে তোমার সে জদি কখনো না ফিরে অাসে সে কনো দিন তেমার ছিলো না তায় বলছি সে তোমাকে অনেক ভালো বাসে তার সমস্যার কারোনে তোমার সাথে ভালো ব্যাবহার করতে পারে না তাকে বুজিয়ে বলো সে দেখো সুধু কষ্টোর কথায় বলবে
সে আপনাকে ভালোবাসে কি না বাসে সেটা বলা আমাদের দায়িত্ব নয়। কেননা সেটা বলা মানে আপনাকে এ ব্যপারে সাহযোগীতা করা। আর ইসলাম ধর্মে বিবাহবহির্ভূত প্রেম-ভালোবাসা জায়েজ নেই।বরং হারাম। সুতরাং এ ক্ষেত্রে সাহযোগীতা করাও সমানভাবে হারাম। আন্টি রাজী নয় বলে বিয়ে হবে না কথাটা সঠিক নয়। কেননা বিয়ে-শাদীর মালিক আপনার আন্টি নন। বরং মহান আল্লাহ। তিনিই মানব-মানবীকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। আবার তিনিই এই জোড়াকে একত্রিত করবেন। আপনি যদি তাকে পছন্দ করেন তবে ভালো কথা। পারিবারিকভাবে তাকে বিবাহের প্রস্তাব দিন। মহান আল্লাহর উপর ভরসা করুন এবং তাঁর কাছেই চাইতে থাকুন। আল্লাহ চাইলে অবশ্যই হবে। কেউ সেটা আটকে রাখতে পারবে না।
আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে মেয়েটা আপনাকে অনেক ভালবাসে। তাকে বিয়ে করলে আপনি নিশ্চয়ই সুখী হবেন।আর আন্টির কথা ভাববেন না কারন কোনো মা ই চান না তার সন্তান অশান্তিতে থাকুক।এক দিন অবশ্যই রাজি হবে।
হিম্মাতওয়ালা ভাই, আমার কথাটা শুনতে হয়তো একটু খারাপ লাগতে পারে,কিন্তু ভাই বাস্তবা তার থেকে ও বড় কঠিন।যে সম্পর্কটা কখনো মেনে নিবে না সেটা কনটিনিউ না করায় শ্রেয়।তাছাড়া এতে হীত বিপরীত অর্থাত্ আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন হবে। আর আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক ছিন্নকারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না ও রাসূল (স:) বলেছেন,যে ব্যক্তি আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলো সে আমার উম্মত নয়।
মেয়েটাকে ভুলে যান এবং সামনে এগিয়ে চলুন, যার সাথে ভবিষৎ অন্ধকার তার পিছে সময় নষ্ট করে লাভ নেই।। তবে আপনি বর্তমানের সুখ নিতে চাইলে তা ভিন্ন
ভাই আমার মনে হয় মেয়েটা আপনাকে নিয়ে খেলা করসে।এ রকম মেয়ে আমি বহু দেখছি।তারা কোন কিছুর উত্তর দেয় না,উত্তর এড়িয়ে যায়।যদি আপনি উনাকে ভালোবেসে থাকেন তাহলে আপনি উনাকে গিয়ে সরাসরি জিগেস করুন।যদি হ্যা উত্তর দেয় তাহলে আমি ভুল।যদি উত্তর না দেয় তাহলে আমি সঠিক।আর যদি 'না' উত্তর দেয় তো সব ভুলে সামনে এগিয়ে চলুন কেননা এই এক দুনিয়াতে আপনাকে ভালোবাসার জন্য আরো বহু ভাল মেয়ে রয়েছে।