তাকওয়া বলতে কি বুঝায়? তাকওয়া কেন দরকার?
3408 views

2 Answers

তাকওয়া হলো আল্লাহভীতি। আল্লাহর ভয়ে খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকা ও ভালো কাজে উৎসাহিত হওয়াই তাকওয়ার অর্জনের মূল লক্ষ্য। তাই বুঝতেই পারছেন এটি কেনো দরকার। বিষয়টি খুব বিস্তারিত, এখানে দেখুন: https://eshoallahorpothe.wordpress.com/2014/12/12/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%87%E0%A6%B9%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%80/

3408 views

তাকওয়া পরিচিতিতাকওয়া শব্দের আভিধানিক অর্থ সাবধানতা অবলম্বন করা।ইসলামি পরিভাষায় আল্লাহর শাস্তি ও অসন্তুষ্টির কার্যকারণসমূহ থেকে নিজকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সাবধানতা অবলম্বনকরাকেই তাকওয়া বলা হয়।সহজভাবে বলতে গেলে সবক্ষেত্রে আল্লাহর ভয়হৃদয়ে পোষণ করাই তাকওয়া।আল্লাহভীতি বা আল্লাহপ্রীতিই হলো তাকওয়া। কারণ মানুষ ভয়করে তাকে ভালোবাসে যাকে। তাকওয়ার সংজ্ঞা বর্ণনা করতে গিয়ে হজরতআলী [রা.] বলেছেন, মহা-মহীয়ানকে ভয় করা,কোরান অনুযায়ী আমল করা, অল্পে তুষ্ট থাকাএবং মৃত্যুদিনের জন্য প্রস্তুতি নেয়াই তাকওয়া।তাকওয়া সব কল্যাণের আধার, আল কোরানে সর্বাধিক উল্লিখিত একটি মহৎ গুণ। প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য, কাছের অথবা দূরের সকল কল্যাণের মূল হলো তাকওয়া। অনুরূপভাবে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য, কাছের অথবা দূরের সকল অন্যায় ও পাপাচারের বিরুদ্ধে তাকওয়া হলো প্রতিরোধক দুর্গ। ইমানহলো তাকওয়ার প্রথম ধাপ। অর্থাৎ এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসকরার মাধ্যমে তাকওয়ার পৃথিবী একজন মবনুষের প্রবেশ ঘটে।যাদের ইমাননেই তারা মুত্তাকিদের দলভুক্ত নয়। কেননা তাকওয়া হলো আল্লাহকে ভয় করার নাম। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে চেনেনা, বিশ্বাস করে না; তার আল্লাহকে ভয় করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। তাকওয়ার কারণে আল্লাহরকাছে একজন মুত্তাকি ব্যক্তির মর্যাদা বেড়েযায়। পবিত্র কোরানে ইরশাদ হয়েছে, নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে আল্লাহরকাছে অধিক সম্মানিত সে, যে তোমাদের মধ্যে অধিক পরহেজগার বা মুত্তাকি। [সুরা হুজুরাত : ১৩]।তাকওয়া অবলম্বনকারী ব্যক্তিদের আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক দ্বিগুণপুরস্কার দেয়া এবং তারপথচলার জন্য আলোর ব্যবস্থা করাও তাকওয়ারএকটি অন্যতম ফলাফল। আল্লাহ তায়ালা বলেন, হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং তার রাসুলের প্রতি ইমান আনো, তিনি স্বীয়রহমতে তোমাদের দ্বিগুণপুরস্কার দেবেন, আর তোমাদের নূর দেবেন যারসাহায্যে তোমরা চলতে পারবে এবং তিনি তোমাদের ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। [সুরা হাদিদ : ২৮] তাকওয়া অবলম্বনকারী ব্যক্তি পরকালে নাজাত পেয়ে ধন্য হবেন। আল্লাহ তায়ালা এই মর্মে ইরশাদ করেছেন, আর আল্লাহ মুত্তাকিদেরতাদের সাফল্যসহ নাজাত দেবেন। কোনো অমঙ্গল তাদের স্পর্শ করবে না।আর তারা চিন্তিতও হবে না। [সুরা যুমার : ৬১]

3408 views

Related Questions