স্মিম হবার জন্য?
2 Answers
সুস্থ ও মেদবিহীন আকর্ষণী দেহের গড়ন সবাই চায়। এই প্র পূরণ খুব একটা কঠিন কাজ নয়। পরিমিত সুষম খাদ্য গ্রহণ এব নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে ও সুন্দর শরীরের অধিকারী সম্ভব। যেহেতু পেটের মেদ নি আমাদের দুঃচিন্তার অন্ত নে আসুন জানি আমাদের পেটে জ থাকা মেদের হাত থেকে আমরা কিভাবে রেহাই পেতে পারি। তার জন্য রইল বিশেষ কয়েক কার্যকরী টিপস: ১) দিন শুরু করুন এক গ্লাস লে দিয়ে ।লেবুর রসের পরিমান য সম্ভব বেশি রাখার চেষ্টা কর সাথে এক চামচ মধু মিশাতে পা একটু লবন ।সকালের নাশতাতে খাবার কম খেয়ে একবাটি করে খেলে পেটের চর্বি থেকে রেহ পাওয়া যায়। ২) খাবার খাওয়ার আগে পানি খ এতে খাবারের চাহিদা কমে যা দিনে প্রচুর পরিমাণ পানি খা পানি শরিরের পরিপাক ক্ষম বাড়িয়ে দেয় এবং ক্ষতিকর স কিছু শরীর থেকে বের করে দ ৩) আপনি যতটুকু খাবার খান ত থেকে চিনি এবং কার্বোহাইড্ বাদ দিতে হবে। কার্বোহাইড্ সামান্য রাখতে পারেন দেহের এনার্জির মাত্রা ঠিক রাখার কিন্তু অবশ্যই চিনি বাদ দি হবে। মাছ এবং মুরগীর মাংস, প্ পরিমানে শাকসবজি এবং ফাই সমৃদ্ধ খাবার খাবেন। ভাজা-পো জাতীয় খাবার কম খান। সপ্তা একদিন খেতে পারেন । চেষ্টা কম তেলে রান্না করা খাবার খে প্রতিদিন কিছু কাঁচা সবজি তাজা ফল খাওয়ার অভ্যাস করব বিশেষ করে টক জাতীয় ফল। রাখবেন না খাবারে। শুধু লবণ ন সোডিয়াম সমৃদ্ধ সকল খাবার দূরে থাকবেন। ৪) প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটু দূরত্বে হেঁটেই যেতে পারবেন সেখানে হেঁটে যাওয়ার চেষ্টা ক প্রথম কিছুদিন ক্লান্ত লাগল কয়েক দিন পর এটা আপনার অ পরিণত হবে। প্রতিদিন কমপ ৩০ মিনিট হাঁটুন । ৫) ফাস্টফুড খাবেন না। মেয়োন পনির, সস, তেল, মাখন এসব আ পেটে চর্বি জমতে সবচেয়ে ব ভূমিকা রাখে। ৬) পেটে মেদ জমা হবার অন্য কারণ খাবার ঠিকভাবে হজম ন হওয়া। ঘুমাবার অন্তত দুই ঘন্ আগে রাতের খাবার খান এবং খে কিছুক্ষণ হাঁটুন। এতে খাবার ভালোভাবে হজম হবে। পেট বা না। ৭) অফিস বা বাসায় যতটা সম্ভ লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহা করুন। এটা পেটের জমে থাকা চ অপসারণের খুব ভাল উপায়। এত পেটের উপর চাপ পড়ে ও আস্ত আস্তে চর্বি কমতে থাকে। ৮) অসময়ে খিদে পেলে হেলদ স্ন্যাক্স খান। লাঞ্চ এবং ডিন মাঝে ৩/৪ ঘন্টা পর পর হেলদ স্ন্যাক্স খেতে পারেন। খুব খি পেলে শুকনো রুটি বা টোস্ট ব খান। ফলও খেতে পারেন। লাউ অন্য সবজির রস বা সিদ্ধ শা সবজি খেতে পারেন। বেশি রা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবা খাবেন। ৯) চেষ্টা করুন সব সময় সোজা দাঁড়াতে, বসতে ও হাঁটতে। কুঁজ হাঁটবেন বা বসবেন না। দীর্ঘ কুজো হয়ে এক স্থানে বসে থা কম্পিউটারে কাজ করা এসবের কারণে ভুঁড়ি বেড়ে যায়। প্রতি ঘন্টা অন্তর একবার উঠে দাঁড়া সোজা হয়ে বসুন। ১০) দিনে তিন বেলা ভারী খা খাওয়ার চেয়ে ৫ বেলা কম করে একেবারে না খেয়ে থাকা ঠিক ভাত খাবার চেয়ে ফল বা সবজি বেশি করে খান। পেট ভরবে ক ভুঁড়ি বাড়বে না।কখনো স্টার্ভ ডায়েট করবেন না। এই পদ্ধতি দ্রুত রোগা হওয়া গেলেও শরী প্রয়োজনীয় খাবারের অভাবে সমস্যা দেখা দেয় । ১১) কোক বা সফট ড্রিঙ্কস আ কিছুক্ষণের জন্যে প্রশান্তি পারে কিন্তু এটা আপনার পেটে চর্বি জমানোর পেছনে দায়ী। ভাবে বাজারের ফ্রুট জুসে থাক প্রচুর চিনি ও অন্যান্য উপাদ আপনার ভুঁড়ি তৈরীতে সহায়ক এর বদলে প্রচুর পানি, বাসায় বানানো ফলের জুস, ফ্রুট সালা হতে পারে খুব ভালো বিকল্প। ১২) খাবারে ব্যবহার করুন দারু গোলমরিচ ও আদা। এইসকল ম পেটের মেদ দূর করতে বেশ কার্যকরী। রসুনও পেটের মেদ করে। আদা এবং রসুন কাচা চিব খাওয়ার অভ্যাস করুন এবং খাবা ঝালের মাত্রা বাড়িয়ে দিন। অবশ্যই সহনশীল ঝাল দেবে পেটের চর্বি কাটতে সাহায্য ১৩) প্রতিদিন নির্দিষ্ট সম বাড়িতে ফ্রি-হ্যান্ড ব্যায়াম করুন। এতে সময় একেবারেই কম লাগে। অথচ আপনি কর্মক্ষম ফিট থাকতে পারবেন এবং পেট অতিরিক্ত মেদ জমা হবে না প্রতিদিন একটা বিশেষ ব্যা করুন: একটি বড় বল নিন। সেই বলে দু পা তুলে দিয়ে চিত হয়ে শুয়ে যদি বল না থাকে তো সমস্যা আপনি একটা চেয়ার বা চায়ের টেবিল বেঁছে নিতে পারেন। এ নিজের পায়ের পাতা স্পর্শ ক চেষ্টা করুন বা উঠে বসতে চেষ্ করুন। এভাবে দৈনিক ২০ বার আস্তে আস্তে বাড়িয়ে ৫০ বার ফেলুন। পেটের ভুঁড়ি কমাতে এট একটা কার্যকরী ব্যায়াম। খুব সময়ে পেটের মেদ ঝরিয়ে সুন্ আকারে চলে আসবে আপনার শ ব্যস, শুধু কষ্ট করে অনুসরণ ক হবে এই বিশেষ কিছু টিপস য অনুসরণ করে খুব সহজে ঝরিয় ফেলতে পারবেন আপনার দেহে বাড়তি মেদ ভুঁড়ি। সুন্দর থাকু সুস্থ থাকুন।
স্মিম ইজ স্মার্ট। শরীরের বাড়তি ওজন মানেই একটা বাড়তি টেনশন। শরীরের বাড়তি মেদ কে রাখতে চায়? মোটিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পেতে কিংবা ভুঁড়ি কমাতে যুগ যুগ ধরে সচেতন মানুষ চেষ্টা করে যাচ্ছে। কখনও না খেয়ে ডায়েট অনুসরণ করা কিংবা সকালে-বিকালে নানা ধরনের ব্যায়াম করা কিংবা ঘাম ঝরিয়ে চর্বি গলিয়ে হাজারো নিয়মকানুন মেনে চলা। কষ্টের আর শেষ নেই। এছাড়াও বাড়তি ওজনের মানুষেরা থাকেন অনেক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। পানীয় নিয়মিত খেলেও কিন্তু ওজন কমতে পারে। ওজন কমাতে কার্যকর উপাদান হলো পানি। শুধু পানি খেতে ভালো না লাগলে পানির সাথে অল্প লেবু বা শসা কিংবা টমেটোও যোগ করে নিতে পারেন। এতে বেশি ক্যালোরি যেমন যোগ হবে না, তেমনি অন্যরকম একটা ফ্লেভারও পাবেন। ওজন কমাতে বিভিন্ন তরিতরকারি কিংবা সবজির শরবত বা জুস পান করা বেশ ভালো একটি উপায়। কিন্তু এই জুসে একদিকে যেমন আঁশ থাকে তেমনি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে থাকে বিভিন্ন পুষ্টির সমাহারও। শরীরের জ্বালানি হিসেবে এই উপাদানগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এতে কম পরিমাণ সোডিয়াম পাবেন, যা আপনার জন্য উপকারী। চিনিমুক্ত চা, বিশেষ করে সবুজ চা শরীরকে সজীব করে তোলে। এটি শরীরকে খুব তাড়াতাড়ি চাঙা করে তোলে, ফলে আপনি পাবেন বেশ ঝরঝরে একটা অনুভূতি। ওজন কমানোর জন্য বেশিরভাগ মানুষ চিন্তিত থাকেন। কী করলে ওজন কমবে, কীভাবে চললে একটু কম মোটা দেখাবে, কী কী না খেলে ওজন কমবে, আরও কত কি! ইচ্ছায়- অনিচ্ছায় অনেক কাজ করে থাকেন ওজন কমানোর জন্য। অনেক বিধি-নিষেধ মেনে চলেন। কারণ একটাই, ওজন কমানোর উপায় বের করতে হবে। খাওয়া শুরু করার আগে ১/২ গ্লাস পানি খেয়ে নিন। এতে পেট ভর্তি থাকবে। খাবার কম খাবেন ফলে ওজন কমবে। খাওয়ার মাঝে পানি খাবেন না। খাওয়ার মাঝে পানি খেলে হজমের প্রক্রিয়ায় সমস্যা হয়। হজম ভালো না হলে ওজন বাড়ার সমস্যায় পড়বেন। আস্তে আস্তে সময় নিয়ে খান। বেশি সময় নিয়ে খেলে ক্ষুধা কমে যায়। ফলে কম খাওয়া হয়। একবারে বেশি খাবার খাবেন না। একবারে বেশি খেলে শরীরে দ্রুত চর্বি জমে, কেননা খাবার হজম হয় না ভালোভাবে। অল্প পরিমাণে খাবার ৪/৫ বেলা খাবেন সারা দিনে। খাবার সময় কার্বোহাইড্রেট অর্থাৎ ভাত/রুটি কম খাবেন। সবজির পরিমাণ বেশি রাখুন। নাস্তা খাবার সময় ফল খান, তেলে ভাজা খাবার বাদ দিন। কিছু অভ্যাস নিজেদের মধ্যে গড়ে তুললে আমরা মুক্তি পেতে পারি ওজনের সমস্যা থেকে। অবাক হলেও সত্যি আমাদের এই অভ্যাসগুলো দূর করবে দেহের মেদ। ফাইবার আমাদের দেহের বাড়তি সব ধরনের খাদ্য উপাদান শুষে নেয়ার কাজ করে যা দেহে মেদ হিসেবে জমত। খাবারে ফাইবারের পরিমাণ বাড়ালে দেহে মেদ জমতে পারে না। বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকলি, ভুট্টা, কমলালেবু জাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। খাদ্য তালিকায় এই ধরনের খাবারের মাত্রা বাড়ান। প্রতিদিন সকালের নাস্তায় ডিম রাখার অভ্যাস করুন। ডিম ওজন কমাতে বেশ কার্যকরী একটি খাবার। ডিম প্রোটিনের বেশ ভালো একটি উৎস যা অনেকটা সময় ধরে আমাদের ক্ষুধা নিবারণ করে। ফলে কম খাওয়া হয়। এতে ওজন কমে। ভিটামিন ডি ওজন কমানোর বেশ ভালো একটি উপাদান। সকালের রোদ দেহে ভিটামিন ডি সরবরাহ করে যা দেহে জমে থাকা মেদ দূর করতে সাহায্য করে। তাই সকালে ঘুম থেকে ওঠে রোদের আলোয় বের হওয়ার অভ্যাস করুন। ওজন কমানোর জন্য ঘুমের প্রয়োজন অনেক বেশি। বেশি ঘুমুলে যেমন ওজন বাড়ে ঠিক তেমনই কম ঘুমালেও ওজন বাড়ে। তাই প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণ ঘুমানোর চেষ্টা করুন। দৈনিক ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমের অভ্যাস ওজন বাড়তে বাধা প্রদান করে। অনেকেই টিভির সামনে বসে খান যা ওজন বাড়ানোর জন্য দায়ী। এর কারণ হলো টিভির সামনে বসে খাওয়া শুরু করলে খাবারের কোনো হিসাব থাকে না। অনেক ক্ষেত্রেই খাওয়া অনেক বেশি হয়ে যায়। এছাড়া টিভির সামনে বসে অনেকে অস্বাস্থ্যকর খাবার খান। এতেও ওজন বাড়ে। তাই টিভির সামনে বসে না খাবার অভ্যাস করুন। কেউ কেউ গোশত রান্না করলে শুধু গোশত দিয়ে ভুনা বা ঝোল তৈরি করেন। এই কাজটি বন্ধ করুন। গোশত রান্নায় গোশতের সথে সবজি ব্যবহার শুরু করুন। এতে করে গোশতের ক্যালরি কমাতে সাহায্য করবে সবজি এবং স্বাদেও আসবে ভিন্নতা। তাড়াহুড়ো করে খাবার অভ্যাস আসে অনেকেরই। এতে ওজন বাড়ে। কারণ তাড়াহুড়ো করে খাবার বেশি চিবিয়ে খাওয়া হয় না এবং হজমে সমস্যা তৈরি হয়। এতে করে দেহে জমে মেদ। তাই খাবার খাওয়ার সময় ভালো করে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। স্যুপ এবং সালাদ জাতীয় খাবার দেহে কম ক্যালরি সরবরাহ করে। সাধারণভাবে তৈরি ঘরোয়া সালাদ খান। বিকেলের নাস্তায় কোনো প্রকার তেলে ভাজা খাবার খাবেন না। যাদের ওজন বেশি তারা কি পরবেন, কীভাবে সাজবেন সবকিছু নিয়েই দ্বিধায় ভুগে থাকেন। এমনকি কীভাবে পোশাক সেলাই করতে হবে সেটাও ঠিকমত বুঝে ওঠতে পারেন না অনেকে। যারা ওজন সমস্যায় ভুগছেন তারা সামান্য গ্রুমিং-এর মাধ্যমেই নিজেকে দেখাতে পারেন বেশ খানিকটা স্লিম। যাদের শরীর কিছুটা মেদবহুল তারা হালকা রঙ-এর পোশাক এড়িয়ে চলুন। যে কোনো রঙ-এর সবচেয়ে গাঢ় শেডটা বেছে নিন পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে। কালো, নেভি ব্লু, বোটল গ্রিন, কালচে মেরুন ইত্যাদি রঙগুলোতে শরীর কিছুটা স্লিম দেখায়। খুব আঁটসাঁট পোশাক এড়িয়ে চলুন। পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখুন যেন সেটা বেশি ঢোলা কিংবা আঁটসাঁট কোনোটাই না হয়। এছাড়াও খুব বেশি বড় গলা ও হাত কাটা পোশাক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। মেকআপের ক্ষেত্রে মুখ কিছুটা চাপা দেখানোর জন্য ত্বকের চেয়ে এক শেড গাঢ় প্যান কেক দিয়ে গালের দুই পাশ চাপিয়ে নিন। এরপর ত্বকের রঙ-এর ফেস পাউডার দিয়ে ওপরে ব্লাশন লাগিয়ে নিন। তাহলে মুখের দুই পাশ ও ডাবল চিন কিছুটা কম বোঝা যাবে। যাদের মুখে মেদ বেশি তারা চুল ফুলিয়ে বাঁধবেন না। চুল স্ট্রেইট করে ছেড়ে রাখুন অথবা হালকা করে বেঁধে রাখুন। যারা সানগ্লাস বা চশমা পরেন তারা বড় আকৃতির ফ্রেম নির্বাচন করুন। বেশি ছোট ফ্রেম নির্বাচন করলে মুখের আকৃতি আরও বড় দেখাবে। নেকলেস পরার ক্ষেত্রে গলার সঙ্গে এঁটে থাকা নেকলেস পরবেন না। একটু ঝোলানো ধরনের মালা বেছে নিন নিজের জন্য। যাদের শরীর মেদবহুল তারা খুব বেশি চিকন হিল পরবেন না। খুব বেশি চিকন হিল পরলে দেখতে বেমানান দেখাতে পারে এবং স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। নিয়মিত পরিমানমত ঘুমাবেন, দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলবেন। পেটের অসুখ যেন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করুন। নিজের প্রতি আস্তা রাখুন, সব সময় পজেটিভ ধারণা পোষণ করুন। আপনার সকল চাওয়া পাওয়ার জন্য সষ্ট্রার সাহায্য প্রার্থনা করুন। জীবনের সব ক্ষেত্রে বিধাতার নিয়ম- নীতি মেনে চললে আপনার সুখ, সৌন্দর্য ও ঐশ্বর্য আপনার নিয়ন্ত্রনে থাকবে। তথ্য সূত্র ঃ ইন্টারনেট
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy