আমার ঠোঁ‌টের মাঝ বরাবর ওপ‌রে নি‌চে সাদা দাগ আছে।‌বি‌ভিন্ন জায়গায় ঔষধ খে‌য়ে‌ছি কিন্তু এ দাগ পু‌রোপু‌রি ভাল হ‌চ্ছে না।এখন এ দাগ দূরীকর‌ আমার করনীয় কী
9604 views

1 Answers

আপনার রোগটি সম্ভবত শ্বেতী রোগ। (ডাক্তারের পরামর্শে নিশ্চিত হয়ে নিবেন) শ্বেতী রোগের চিকিৎসা সময়সাপেক্ষ, পুরোপুরি না-ও সারতে পারে। দেহের লোমশ অংশের চিকিৎসা অনেকটাই সফল হয়। কিন্তু যেসব জায়গায় লোম থাকে না, যেমন আঙুল, ঠোঁট ইত্যাদির চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। অনেক সময় নিজে থেকেই সেরে যেতে পারে। সাধারণত কোনো ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ছাড়া শুধু রোগের লক্ষণ দেখেই এই রোগ নির্ণয় করা হয়। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মলম, থেরাপি ব্যবহার করা হয়। প্রয়োজনে ত্বক প্রতিস্থাপন করা যায়। তবে সব রোগীর জন্য সব চিকিৎসা পদ্ধতি একরকম ফল দেয় না। রোগীর বয়স, রোগের স্থান এবং ব্যাপ্তিভেদে চিকিৎসা পদ্ধতি বাছাই করা হয়। ওষুধ: বিভিন্ন মাত্রার করটিকো স্টেরয়েড জাতীয় মলম, কেলসিপট্রিন মলম, টেক্রলিমাস অথবা পাইমেক্রলিমাস মলম, মুখে খাবার স্টেরয়েড (প্রেডনিসলন) ট্যাবলেট, রিভফ্লাভিন ট্যাবলেট ইত্যাদি। ফটোথেরাপি/ লেজার: ন্যেরোবেন্ড আলট্রাভায়োলেট-বি (NB UVB), পুভা (PUVA), লেজার (308 nm exceimer laser) ইত্যাদি এককভাবে বা অন্যান্য চিকিৎসার সঙ্গে প্রয়োগ করা হয়। কসমেটিক সার্জারি: দুই বৎসর বা তার বেশি সময় ধরে যেসব ক্ষেত্রে সাদা দাগ স্থির থাকে বা নতুন দাগ আবির্ভাব হয় না অথবা ওষুধ এবং ফটোথেরাপিতে কাজ হয় না, সে ক্ষেত্রে কসমেটিক সার্জারি করা যায়। বিভিন্ন রকমের সার্জিক্যাল চিকিৎসা আছে- ইপিডার্মাল গ্রাফটিং, অটোলগাস মিনিগ্রাফ্ট, ট্রান্সপ্লানটেশন অব কালচার্ড অর নন কালচার্ড মেলানোসাইট ইত্যাদি।

9604 views

Related Questions