আমাদের বিয়ের বেশ কয়েক বছর হয়ে গেছে, এখন ভাবছি সন্তান নেব। আমি জানতে চাই সন্তান নেয়ার পূর্ব সময়টাতে কি কোনো ধরনের শারীরিক চিকিৎসা নেয়া প্রয়োজন বা কোনো ধরনের নিয়ম মেনে চলা উচিত? এই বিষয়ে একটু পরামর্শ দিলে উপকৃত হব।
2691 views

1 Answers

একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য তৈরি করে এগুলে জীবনের মুহূর্তগুলো খুব সুন্দর আর সাজানো গোছানো হয়ে থাকে। নির্দিষ্ট সময়ে পড়াশোনা শেষ, নির্দিষ্ট সময়ে বিয়ে এবং উপযুক্ত সময়ে সন্তান নেয়ার সিদ্ধান্ত আপনার জীবনকে করে তুলতে পারে সুশৃঙ্খল আর পরিপাটি। তবে সন্তান নেয়ার আগে শরীরটিকে প্রস্তুত করে নিতে হবে। শরীরকে সন্তান ধারণের জন্য সক্ষম করে তুলতে হবে। এক্ষেত্রে যেমনটা প্রস্তুতি নিতে পারেন :

প্রথমত, গর্ভধারণের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। যদিও আপনার এখনই কোনো ডাক্তারের প্রয়োজন পড়ছে না। তবুও গর্ভধারণ পূর্ববর্তী শারীরিক পরীক্ষার জন্য আপনার ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন। আপনার ডাক্তার আপনার এবং আপনার পরিবারের মেডিকেল ইতিহাস পর্যালোচনা করবেন।
আপনার ডাক্তার আপনার সাথে খাদ্য তালিকা, ওজন, ব্যায়াম এবং যেকোন অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস (যেমন ধূমপান, মদ্যপান, মাদক সেবন) এর ব্যাপারে কথা বলতে পারেন, মাল্টিভিটামিন সেবনের পরামর্শ দিতে পারেন, আপনার সবগুলো টিকা গ্রহণ করেছেন কিনা তা নিশ্চিত করবেন, শিশুদের রোগ জলবসন্ত ও রুবেলা প্রতিরোধে আপনার শরীর কতটুকু প্রস্তুত তা পরীক্ষা করবেন এবং আপনার যদি কিছু জানার থাকে তা বলবেন।

দ্বিতীয়ত, ভিটামিন এ যুক্ত খাবার গ্রহন করুন। এ সময়ে ভিটামিন এ সেবন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভ ধারণের একমাস পূর্ব থেকে গর্ভধারণ পরবর্তী তিন মাস প্রতিদিন ভিটামিন এ গ্রহণের মাধ্যমে অসুস্থ ও অস্বাভাবিক শিশুর জন্মের সম্ভাবনা ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ কমাতে পারেন। ফলিক এসিড গ্রহণ অন্যান্য জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধেও সহায়তা করেন। আপনি ফার্মেসী থেকে কিনে মাল্টিভিটামিন সেবন করতে পারেন। মাল্টিভিটামিন এর লেবেল পরীক্ষা করে দেখুন এগুলোতে ভিটামিন এ রয়েছে কিনা।

2691 views

Related Questions