2 Answers
মানুষের বিবেক। এই মানুষটা ছেলেও হতে পারে আবার মেয়েও হতে পারে। প্রত্যেকটি মানুষের রক্তের ভেতরেই তার স্বভাবের পরিচয় নিহিত রয়েছে। কেও সেটি বিবেকের শাসনে দমিত রাখে, কেও পারে না। যে পারে না, তার যুক্তি নজরুল ইসলামের ভাষায় ' তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সেকি মোর অপরাধ?' না অপরাধ নয়, চেয়ে থাকা অপরাধ নয় যদি সে চাহনিতে কোন দূরভিসন্ধি না তাকে। কিন্তু অনেকের চাহনি নিষ্কলুস নয়, বিশেষ করে টিন এজারদের, যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৯--- এই বয়সের ছেলে মেয়েরা আবেগ প্রবন হয়ে থাকে। যৌবনের উত্তাপে ধীরে ধীরে উষ্ণ থেকে উষ্ণতা হয়। পিতামাতা বা অভিভাবক কর্তৃক নৈতিক শিক্ষা না পেলে বেয়ারা বা বখাটে হয়ে যায়। তখন সে ইভ-টিজিং সহ অন্যান্য অপরাধে আসক্ত হয়। যে কারণে ইভ-টিজিং হয়- ১) ধর্মীয় অনুশাসন না থাকার কারণে, ২) নৈতিক জ্ঞানের অভাব থাকলে। ৩) নারীকে অবলা মনে করলে, ৪) পাশ্চাত্যের ফ্রি সেক্সের প্রভাবে, ৫) প্রেমের কারণে বা প্রেমে ছ্যাকা খাওয়ার কারণে, ৬) রমণীর দেহ উপবোগের মোহে, ৭) অভিভাবকের অতি প্রশ্চয় বা উদাসিনতার কারণে, ৮) নাটক, সিনেমা, গল্পে, উপন্যাসে বিবাহ পূর্ব প্রেমলীলা/পরকীয়া প্রেমের কারণে, ৯) সমেচ্ছ মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে, ১০) ইভ-টিজিং এর পরিনাম না জানার কারণে, ১১) ধনী লোকের জামাই হওয়ার লোভে, ১২) অতি আধুনিকা মেয়েদের অশালীন আচরণের কারণে, ১৩) ভূক্তভোগীরা আইনের আশ্রয় না নেয়ার কারণে, ১৪) আইন শক্তিশালী না হওয়ার কারণে, ১৫) আইনের প্রয়োগ না থাকার কারণে, ১৬) পাঠ্য পুস্তুকে আছে, এমন কিছু অনৈতিক পাঠ্য করে বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখাতে যেয়ে। তাহলে শেষ পর্যন্ত জানা গেল কারা দায়ী। দায়ী আমরা সকলে। কারন এই সমস্যার সমাধান কি সেটা জেনেও আমরা সমাধানের চেস্টা করি না।
আপনি যদি ছোট বেলা থেকে নৈতিক ভাবে শিক্ষিত হন?তবে একবার হলেও আপনার বিবেক আপনাকে এসব কাজ করতে বাঁধা দেবে।তাহলে ইভ টিজিং রোধ করা সম্ভব।তাই আমাদের সবার উচিত নিজেদের ছোট ভাই-বোন,ছেলে-মেয়েকে ছোট থেকে নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা।সব ধর্মেই নৈতিক শিক্ষার কথা বলা আছে।আমরা যার যার ধর্মের আলোকেই এই অভিশাপ সমাজ থেকে বিতাড়িত করতে পারি।