মেয়েদের সতীচ্ছেদ ফেটে গেলে তা কি আবারও জোড়া লাগানো যায়?
2 Answers
পৃথিবীতে একেক দেশের রীতি-নীতি আর মূল্যবোধ একেকরকম। ইউরোপ-আমেরিকায় বিয়ের আগে মেয়েদের যৌন-সম্পর্ক বিষয়ই নয়। কুমারীত্ব বা সতীত্ব কোন মেয়ের কাছে মোটেও গুরুত্বপূর্ণ নয়। কিন্তু আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশসহ মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার অনেক দেশেই বিয়ের আগে মেয়েদের যৌন সম্পর্ককে সহজভাবে নেয়া হয় না। আফ্রিকার সুদান, লিবিয়া, কঙ্গো, নাইজেরিয়ার কিছু সম্প্রদায়ের বিয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো, কনের সতীত্ব পরীক্ষা। বিয়ের মন্ত্র জপ করার আগে বর-কনেকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় একটি ঘরে। বরের হাতে দেওয়া হয়, একটি সাদা রুমাল। বর-কনে সঙ্গম করার পর যদি মেয়ের সতীচ্ছদ পর্দা ফেটে রক্ত বের হলে ছেলে রুমালে তা ভিজিয়ে ঘরের বাইরে অপেক্ষারত সবাইকে দেখায়। তবেই বিয়ে হয়। আর যদি সঙ্গমের পর যদি মেয়েটির রক্তপাত না হয় তাহলে সে চিহ্নিত হয় অসতী। সমাজে সে পরিত্যাক্ত হয়। যদিও আজকের চিকিৎসা-বিজ্ঞান বলে শৈশবেই নানা কারণে এই সতীচ্ছদ ফেটে যেতে পারে। যেসব মেয়ে বেশি দুরন্ত প্রকৃতির, বেশি ছোটাছুটি করে তাদের সতীপর্দা অল্পবয়সেই ফেটে যায়। আবার কিছু মেয়েলি অসুখের কারণেও সতীপর্দা থাকে না। পৃথিবীর অনেক স্হানেই সতীপর্দাকেই একজন নারীর কুমারীত্ব বা সতীত্বের মাপকাঠি ধরা হয়। বিয়ের আগে ঘটনাচক্রে বা অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে দৈহিক মিলনের ফলে কোন মেয়ে কুমারীত্ব হারালে সে কথা জানাজানি হলে অনেক ক্ষেত্রেই সামাজিকভাবে লাঞ্ছনার শিকার হতে হয় তাদের। এমন অনেক স্বামীই আছেন যারা আসা করেন, তার স্ত্রী হবে অসূর্যস্পর্শা। বিয়ের পর প্রথম সঙ্গম শেষে তিনি আশা করেন, সতীপর্দা ফেটে যাওয়ার কারণে স্ত্রীর যোনীতে রক্তপাতের। এটা না হলে স্বামী তাকে সন্দেহ করা শুরু করেন। অনেক সময় বিয়ের রাতে স্বামী যদি জানতে পারে, স্ত্রীর এর আগে যৌন-অভিজ্ঞতা আছে তাহলে তৎক্ষণিক ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। আমাদের দেশেও বেশিরভাগ পুরুষই স্ত্রী হিসেবে একজন কুমারী মেয়ে চায়, যে কিনা আগে পূর্বে কোন ছেলের সাথে সহবাস করেনি। কিন্তু বাস্তবতা হলো,বর্তমান সমাজে অনেক নারীই তাদের প্রেমিক দ্বারা বিয়ের আগেই কুমারীত্ব হারিয়েছেন। কখনো বা পরিস্থিতির শিকার হয়ে তাকে কুমারীত্ব হারাতে হয়। এজন্য স্বামীর কাছে অপদস্ত হওয়ার জন্যই এ বিষয়ে সমাধান চান। আশার কথা হল যেসব মেয়ে সতীত্ব হারিয়েছেন তাদেরকে ডা. মার্ক আবেকাসিস নামের প্যারিসের একজন চিকিৎসক তার ক্লিনিকে ঝুঁকিহীন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মেয়েদের সতীত্ব ফিরিয়ে দিচ্ছেন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মেয়েদের ‘হিমেনোপ্লাস্টি’ বা সতীচ্ছদ পুনঃস্থাপন অস্ত্রোপচার করে থাকেন ডা. মার্ক। আর এই অস্ত্রোপচার করতে সময় লাগে ৩০ মিনিট। ডা. আবেকাসিস জানান, ঐতিহ্যগত ও পারিবারিক দিক থেকে বিপদের আশঙ্কা করেই মেয়েরা তাদের কাছে আসে এবং তিনি তাদের সেই অবস্থা থেকে মুক্ত করেন। এ অস্ত্রোপচার এর পর বাসর রাতে স্বামী কিছুতেই বুঝতে পারবেনা নববধূ কুমারী নন। এর এজন্য খরচ পড়ে মাত্র এক হাজার ৭০০ পাউন্ড, অর্থাৎ ৮৫ হাজার টাকায়। ডা. আবেকাসিস জানিয়েছেন, তার এই কুমারীত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার নিরাপদ অস্ত্রোপচার পদ্ধতি শিগগিরই তিনি বিশ্বের বিভিন্ন নাম করা ক্লিনিকে বিপনন করতে যাচ্ছেন। সূত্র :ইউরো হেলথ জার্নাল
অবিবাহিত তরুণীদের কাছে কুমারীত্ব বড়ই গুরুতর বিষয়। বিয়ের আগে প্রেমে পড়েই হোক, আর ঘটনাচক্রের হোক কোনো পুরুষের সঙ্গে দৈহিক মিলনের কথা জানাজানি হলে কেবল সামাজিক লাঞ্ছনাই নয়, খুন হওয়াটাও তাদের কাছে বিচিত্র কিছু নয়। এ কারণেই বিয়ের আগে সতীত্ব যারা হারিয়েছে, তারা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেটা আবার ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী। যাতে বাসর রাতে স্বামী বুঝতে পারে নববধূ সত্যিই কুমারী।আর এ সমস্যা দূর করার জন্য আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বসে নেই, কাজ করছেন নিরলস । ইতিমধ্যে যেসব মেয়ে সতীত্ব হারিয়েছেন তাদের জন্য আশার কথা হলঃ ডা. মার্ক আবেকাসিস নামের প্যারিসের একজন চিকিৎসক তার ক্লিনিকে ঝুঁকিহীন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মেয়েদের সতীত্ব ফিরিয়ে দিচ্ছেন। ওই চিকিৎসক সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মেয়েদের যে অস্ত্রোপচার করে থাকেন, তাকে বলা হয় ‘হিমেনোপ্লাস্টি’ বা সতীচ্ছদ পুনঃস্থাপন। লোকাল অ্যানেসথেশিয়ার সাহায্যে সতীচ্ছদের টিস্যু স্থাপনের ওই কাজ সারতে সময় লাগে বড় জোর ৩০ মিনিট। ডা. আবেকাসিস জানান, ঐতিহ্যগত ও পারিবারিক দিক থেকে বিপদের আশঙ্কা করেই মেয়েরা তাদের কাছে আসে এবং তিনি তাদের সেই অবস্থা থেকে মুক্ত করেন। এ অস্ত্রোপচার এর পর বাসর রাতে স্বামী কিছুতেই বুঝতে পারবেনা নববধূ কুমারী নন। শুধু তাই নয় বাসর রাতে কনের সতীচ্ছদের রক্তও চাদরে লেপ্টে থাকবে । এর এজন্য খরচ পড়ে মাত্র এক হাজার ৭০০ পাউন্ড । সতীত্ব মেরামতের জন্য এক হাজার ৭০০ পাউন্ড যদি বেশি মনে হয়, তবে পারিস থেকে নয়, আপনি চায়নাতে খোঁজ নিতে পারেন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। কম খরচে মেয়েদের সতীত্ব ফিরিয়ে আনার মস্ত সুযোগ এনে দিয়েছে অনেক চীনা প্রতিষ্ঠান। তারা কৃত্রিম সতীচ্ছদ তৈরি করছে মাত্র ২০ থেকে ৫০ পাউন্ড এর বিনিময়ে এবং বিনা অস্ত্রোপচারেই তা প্রতিস্থাপন করা যায় । এছাড়া পাশের দেশ ভারতেও সতীচ্ছদ পুনঃস্থাপন করছেন অনেক চিকিৎসক । খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ভারত থেকে সতীচ্ছদ পুনঃস্থাপন করতে আনুমানিক খরচ পড়বে ৪০,০০০ থেকে ৬০,০০০ রুপী । বাসর রাতে কনের সতীচ্ছদের রক্ত চাদরে লেপ্টে থাকবে এটা আরব পুরুষ বা সমাজের একান্ত কাম্য। যদিও সিরীয় ধর্মাবেত্তা শেখ মোহাম্মদ হাবাস বলেছেন, এটা পুরোপুরি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য,এর সঙ্গে শরিয়ত বা ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। তারপরও শিক্ষিত আরব যুবক যদি বাসর রাতে দেখতে পায় তার নববধূ কুমারী নয়, তাহলে তাকে মুহূর্তেই পরিত্যাগ করতে দ্বিধা করবে না।আমাদের দেশেও প্রত্যেক পুরুষই চায় একজন কুমারী মেয়ে যে পূর্বে কোন ছেলের সাথে সহবাস করেনী ।