1 Answers
সহবাসে পুরুষ আনন্দ পায় নারীর যোনি নিঃসৃত তরল থেকে। এই তরলে কামরস নামক পদার্থ থাকে, তা পুরুষাঙ্গে লাগলে স্বামীর সমগ্র দেহে এক প্রকার শিহরণ সৃষ্টি হয় এবং এক প্রকার ঝাঁকুনির মতো অনুভব করে। সহবাসকালীন স্ত্রীর আনন্দ কোন বিশেষ অঙ্গে অনুভূত না হয়ে সমগ্র গায়ে স্বামীর আদরের দ্বারা অর্জিত হয় তবে প্রধানত স্বামীর পুরুষাঙ্গের গোড়া দ্বারা যোনিমুখের ভগাঙ্কুরে ঘর্ষণের ফলে তীব্রতর আনন্দ হয়। সব নারীর যোনি নিঃসৃত তরলে সমপরিমাণ কামরস থাকে না। যাদের কামরস অধিক পরিমাণে থাকে, তাদের সাথে সহবাসে স্বামী শিহরণে শিহরণে আত্মহারা হয়ে উঠে এবং স্বামীর বিশেষ অঙ্গ ছোট হলে প্রয়োজনের তুলনায় অধিক কামরসের উপস্থিতির দরুণ আনন্দের আতিসাহ্য গ্রহণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে অবশ্যই বিশেষ আসন প্রয়োজন। আবার যদি স্ত্রীর মাসিক ঋতুস্রাব অধিক পরিমাণে ও অধিককালব্যাপী স্থায়ী হয়, তবে তার যোনিরসে কামরসের পরিমাণ কম থাকে। তখন স্বামী সহবাসের তীব্রতর পুলক লাভ করতে পারে না। এমনকি স্বামীর পুরুষাঙ্গখানি বড় আকারের হলে পুরুষাঙ্গটিকে শিহরিত করার জন্য প্রয়োজনের চাইতে অল্প কামরসের দরুণ স্বামী সহবাসের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়। এক্ষেত্রেও অবশ্যই বিশেষ আসনের প্রয়োজন আছে। আমাদের পরবর্তী আলোচনার সুবিধার্থে আমরা এখানে নারী-পুরুষের একখানি শ্রেণীবিভাগ করবো। নারীকে তিনভাগে ভাগ করবো। যথা (ক) নীরস (এদের ঋতুস্রাব অধিক পরিমাণে হয়, ফলে কামরসের ঘনত্ব কম) (খ) সাধারণ (এদের ঋতুস্রাব স্বাভাবিক পরিমাণ। এরা স্বামীকে সাধারণত তুষ্ট করতে পারে) (গ) ঝাঁজালো (এদের ঋতুস্রাব সাধারণের তুলনায় কিছুটা কম, তাই কামরসের ঘনত্ব অধিক। তাদের সাথে সহবাসে স্বামীর পুরুষাঙ্গে তীব্র শিহরণ অনুভূত হয় এবং স্বামী আনন্দে দিশেহারা হয়ে যায়)