3 Answers
আল্লাহ্র রসূল (সঃ)-কে ‘খালীলুল্লাহ’ বলা উচিত। যেহেতু ‘হাবীবুল্লাহ’ থেকে ‘খালীলুল্লাহ’র মর্যাদা উচ্চতর। তিনি আরও বলেছেন,
“আমি পৃথিবীর কাউকে ‘খালীল’রূপে গ্রহণ করলে ইবনে আবী কুয়াফাহ (আবূ বকর )কে ‘খালীল’রূপে গ্রহণ করতাম। কিন্তু তোমাদের সাথী ‘খালীলুল্লাহ’।৩৬
পক্ষান্তরে তাঁর ‘হাবীবুল্লাহ’ হওয়ার কথা কোন সহীহ হাদীসে আসেনি।
'হাবীবুল্লাহ' বলা উচিত, কারন 'খলীলুল্লাহ' ছিল ইব্রাহিম আঃ এর উপাধি,কারন আল্লাহ পাক তাঁকে খলীল বলে সম্মোধন করতেন। আর 'খলীল' এর চেয়ে 'হাবীব' শব্দের মাধ্যমে আন্তরিকতা বেশি বুঝায়। আর আমার কথা সত্য মনে না হলে, আপনি ভাল উলামায়ে কেরামকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। আর একটি কথা যে,আজ অবধি শুনা যায়নি যে কেউ রাসুল সাঃকে খলিল বলেছে,কিন্তু হাবিব বলে ডাকার প্রমান অনেক।
মহান আল্লাহ তায়ালা যাকে কোন পরীক্ষার মাধ্যমে বন্ধু হিসেবে উত্তীর্ণ করেছেন তাকে খলীলুল্লাহ বলে সম্বোধন করেছেন।যেমন হযরত ঈব্রাহীম [আঃ] কে খলিলুল্লাহ বলেছেন আল্লাহ তায়ালা।আর যাকে মহান আল্লাহ কোন পরীক্ষা ছাড়াই বন্ধু হিসেবে উত্তীর্ণ করেছেন তাকে হাবিবুল্লাহ বলেছেন।সুতরাং হযরত মহাম্মদ [সাঃ] কে হাবিবুল্লাহ বলা উচিত।কারন আমাদের প্রিয়নবী [সাঃ] কোন পরিক্ষা না দিয়েই আল্লাহ তায়ালার প্রিয় বন্ধু হয়েছেন।