2 Answers

উত্তম হচ্ছে ইমামের ফাতিহা পাঠ শেষ হওয়ার পর মুক্তাদী ফাতিহা পাঠ করবে। কেননা ফরয ক্বিরআত পাঠ করার সময় নীরব থাকা রুকন। ইমামের পড়ার সময় যদি মুক্তাদীও পাঠ করে তবে রুকন আদায় করার সময় নীরব থাকা হল না। আর ফাতিহা পাঠ করার পর যখন ইমাম অন্য ক্বিরআত শুরু করবে, সে সময় তা শোনার জন্য নীরব থাকা মুস্তাহাব। অতএব উত্তম হল, ফাতিহা পাঠ করার সময় নীরব থাকবে। নামাযের সুন্নাত ক্বিরআত পাঠের সময় নীরব থাকার চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে অন্যতম রুকন সূরা ফাতিহা পাঠ করার সময় নীরব থেকে তা শ্রবণ করা। তাছাড়া ইমামের ‘ওয়ালায্‌ যওয়াল্লীন’ বলার সময় মুক্তাদীও (‘ওয়ালায্‌ যওয়াল্লীন’) পাঠ করলে তাঁর সাথে ‘আমীন’ বলা সম্ভব হবে না। বিষয়/প্রশ্নঃ (২৪৩) গ্রন্থের নামঃ ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম বিভাগের নামঃ ঈমান লেখকের নামঃ শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমীন (রহঃ) অনুবাদ করেছেনঃ আবদুল্লাহ শাহেদ আল মাদানি - আবদুল্লাহ আল কাফী

2857 views Answered


হানাফী মাযহাব মতে ইমামের পিছনে ইক্বতাদা করলে সূরা ফাতিহা বা অন্য কোনো সূরা পড়তে হয় না। কেননা হাদীস শরীফে আছে ক্বেরায়াতুল ইমামি ক্বেরায়াতুল লাহু অর্থাৎ ইমামের ক্বেরাতই হচ্ছে মুক্তাদীর ক্বেরাত।
2857 views Answered

Related Questions

Next steps