সঠিক উত্তর জানাবেন। অবশ্যই দলিল সহ।
না জানলে বা রেফারেন্স ছারা উত্তর দিবেন না।
20905 views

3 Answers

স্বামীর জন্য বৈধ তার স্ত্রীর স্তনবৃন্ত চোষণ করে উভয়ের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করা। সে ক্ষেত্রে যদি স্ত্রীর দুধ তার পেটে চলে যায়, তাহলে তাতে কোন প্রকার ক্ষতি হয় না এবং স্ত্রী তার মা হয়ে যায় না। কারণ দুধ পানের মাধ্যমে হারাম হওয়ার যে সব শর্ত আছে, তা হলঃ ১। দুই বছর বয়সের মধ্যে দুধ পান করতে হবে। সুতরাং তার পরে বড় অবস্থায় দুধ পান করলে হারাম হবে না। ২। পাঁচবার পান করতে হবে। সুতরাং ২/৪ বার পান করলে কোন প্রভাব পড়ে না। আর বড় অবস্থায় ৫ বারের বেশী পান করলেও কোন ক্ষতি হয় না। (ইবনে বায, ইবনে উষাইমীন)

20905 views

জনাব! স্ত্রীর স্তনের দুধ স্বামীর জন্য জায়েজ নেই। কুরআন ও হাদীস দ্বারা বোঝা যায়, কেবল মা কিংবা দুধমা’র দুধ পান করা যায়। তাও দুধ পান করার বয়সের মধ্যে তথা ২ বছরের মধ্যে, এর বেশি নয়। তাই, বিয়ে করার পর স্ত্রীর দুধ পান করা স্বামীর জন্য জায়েজ নেই। স্ত্রীর স্তন চোষার সময় যদি স্বামীর মুখে দুধ চলে আসে, তাহলে তা ফেলে দিতে হবে, আর যদি স্ত্রীর দুধ পেটে চলে যায়, তাহলে কবিরা গুনাহ হবে। এর কারণে তাকে খাঁটি দ্বিলে তওবা করতে হবে। কেননা, সে দুধের হকদার তাঁর ছেলে-মেয়েরা। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেছেনঃ

"আর মায়েরা তাদের সন্তানদেরকে পূর্ণ দু’বছর দুধ পান করাবে, (এটা) তার জন্য যে দুধ পান করাবার সময় পূর্ণ করতে চায়। আর পিতার উপর কর্তব্য, বিধি মোতাবেক মাদেরকে খাবার ও পোশাক প্রদান করা। সাধ্যের অতিরিক্ত কোন ব্যক্তিকে দায়িত্ব প্রদান করা হয় না। কষ্ট দেয়া যাবে না কোন মাকে তার সন্তানের জন্য, কিংবা কোন বাবাকে তার সন্তানের জন্য। আর ওয়ারিশের উপর রয়েছে অনুরূপ দায়িত্ব।......." (সুরা বাকারা ২৩৩)।

তবে, স্ত্রীর স্তন মর্দন করা, (দুধ না আসে পরিমাণ) চোষা ইত্যাদি জায়েজ আছে। আল্লাহ তা'য়ালা পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেছেন, "অর্থঃ তোমাদের স্ত্রী তোমাদের ফসলক্ষেত্র। সুতরাং তোমরা তোমাদের ফসলক্ষেত্রে গমন কর, যেভাবে চাও। আর তোমরা নিজদের কল্যাণে উত্তম কাজ সামনে পাঠাও। আর আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং জেনে রাখ, নিশ্চয় তোমরা তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে । আর মুমিনদেরকে সুসংবাদ দাও।" (সূরা বাকারা, আয়াত নং ২২৩)।

20905 views

স্ত্রীর দুধ পান করার ব্যতিত স্তন লেহন, টিপুনি, মর্দন, চুম্বন করা জায়েয আছে।,,

20905 views

Related Questions