3 Answers
সিজোফেনিয়া এক ধরনের গুরুতর মানসিক রোগ, কিশোর-কিশোরী, নারী-পুরুষ সবাই আক্রান্ত হতে পারে তবে ১৫-২৫ বয়সে বেশি হয়। রোগীরা বুঝতে পারে না কি তার সমস্যা, কেন ওষুধ খাচ্ছে, কেন ডাক্তারের কাছে যাচ্ছে। কীভাবে বুঝবেন আপনার আত্মীয় সিজোফ্রেনিয়ায় ভুগছে কি-না? এই হাসছে আবার কোনো কারণ ছাড়াই কাঁদছে। 1.চিন্তায় থাকা,অনুভূতির সমস্যা, ২. হঠাৎ উত্তেজিত হওয়া, মারতে উদ্যত হওয়া। ৩. বকাবকি ও গালিগালাজ করা। ৪. বাথরুমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকা। ৫. মানুষের সঙ্গে মিশতে না চাওয়া। ৬. একা ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ জাবনযাপন করা। ৭. হঠাৎ করে কাপড় বা অন্য কিছুতে আগুন ধরিয়ে দেয়া। ৮. বাইরে বাইরে ঘুরে বেড়ানো (দিনের পর দিন) অথচ আগে এমন আচরণ ছিল না । ৯. হারিয়ে যাওয়া যেমন ব্রিজের নিচে, মাজারে, গোপন জায়গায় লুকিয়ে থাকা। ১০. আত্মহত্যার চেষ্টা করা। ১১. উল্টাপাল্টা আচরণ করা ও কথা বলা। ১২. গায়ের কাপড়-চোপড় সবার সামনে খুলে ফেলা। ১৩. নিজের পায়খানা-প্রস্রাব মুখে দেয়া ও দেয়ালে লাগানো । ১৪. নিজের খাওয়া দাওয়া ঘুম ও শরীরের প্রতি খেয়াল না রাখা। ধন্যবাদ
হ্যা ভালো হওয়া সম্ভব তবে রোগীর অনিচ্ছা থাকলেও হাসপাতালে ভর্তি করে দির্ঘদিন চিকিৎসা করতে হতে পারে। আর এটি সম্পূর্ন চিকিৎসক এর অধিনে থাকতে হবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy