2 Answers

নিজ কক্ষতলের সাথে পৃথিবীর মেরুরেখা ৬৬.৫° কোণে একই দিকে অবস্থান করায় পৃথিবীর কোথাও সূর্যরশ্মি লম্ব,আবার কোথাও তির্যকভাবে পড়ে।ফলে তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে দরুন ঋতু পরিবর্তিত হয় ।

2956 views Answered

পৃথিবী সূর্যের চারদিকে বছরে একবার ঘুরে আসে। একে পৃথিবীর বার্ষিক গতি বলে। মূলত এ বার্ষিক গতিই ঋতু পরিবর্তনের জন্য দায়ী। সূর্যের চারপাশে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা। এক্ষেত্রে পৃথিবী যে পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে তা বৃত্তাকার নয়, উপবৃত্তাকার। এর ফলে সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব কখনো কমে আবার কখনো একটু বৃদ্ধি পায়। পৃথিবীতে যে ঋতুর পরিবর্তন ঘটে তা অবশ্য এই পার্থক্যের জন্য নয়। পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরছে একপাশেএকটু হেলে। যার ফলে পৃথিবীর মেরুরেখাটি কক্ষের সঙ্গে ৬৬ ডিগ্রি কোণ করে থাকে।


সূর্যকে প্রদক্ষিণের সময় পৃথিবীর অক্ষের হেলানো অবস্থাই ঋতু পরিবর্তনের জন্য দায়ী। পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ যখন সূর্যের দিকে ঝুঁকে থাকে তখন সূর্যরশ্মি অপেক্ষাকৃত খাড়াভাবে এসে পড়ে এই গোলার্ধে । সূর্য থেকে ঐ গোলার্ধে প্রতি একক এলাকায় বেশি পরিমাণ বিকিরণ রশ্মি এসে পড়ে। এছাড়া পৃথিবী যখন আপন অক্ষের ওপরে ঘুরতে থাকে তখন ঐ গোলার্ধের এলাকা বেশিক্ষণ ধরে সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে। অর্থাত্ সে সময় উত্তর গোলার্ধে দিন বড় হয় এবং রাত ছোট হয়। এই সময়টা উত্তর গোলার্ধের জন্য গ্রীষ্মকাল। বেশিক্ষণ ধরে সূর্য রশ্মি পায় বলে ঐ গোলার্ধের তাপমাত্রা তখন বৃদ্ধি পায়। কিন্তু ঐ সময় দক্ষিণ গোলার্ধে উল্টো ব্যাপারটি ঘটে বলে সেখানে শীতকাল হয়। সুতারাং দেখা যাচ্ছে যে, পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফলেই ঋতুর পরিবর্তন হয়।

2956 views Answered

Next steps